চরচা প্রতিবেদক

মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) পদ্ধতি চালুর প্রতিবাদে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীদের একটি অংশ বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, “হঠাৎ করেই বিক্ষোভকারীরা বাইরে থেকে বিটিআরসি ভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”
ডিসি ইবনে মিজান আরও বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে ২৬জনকে আটক করা হয়েছে।”
বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, বিকেলে কর্মকর্তারা আসরের নামাজ আদায় করছিলেন, এমন সময় বাইরে থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের শব্দ শোনা যায়। পরে বিকেল ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সন্ধ্যা থেকে সেখানে কোস্টগার্ডের সদস্যরাও অবস্থান নেয়।
বৃহস্পতিবার থেকেই বিটিআরসি এনইআইআর পদ্ধতি কার্যকর করেছে, যার আওতায় দেশে ব্যবহৃত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে গত কয়েক দিন ধরেই মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করছিলেন।
সরকার বলছে, ব্যবসায়ীদের একটি অংশ অবৈধভাবে কর ফাঁকি দিয়ে নিম্নমানের, ক্লোনড ও ব্যবহৃত পুরনো ফোন দেশে এনে বাজারজাত করছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করতেই এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্যমতে, এনইআইআর কার্যকর হলে অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না। তবে চালুর আগ পর্যন্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কোনো ফোন বন্ধ করা হবে না। ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে তা পিছিয়ে ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়।

মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) পদ্ধতি চালুর প্রতিবাদে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীদের একটি অংশ বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, “হঠাৎ করেই বিক্ষোভকারীরা বাইরে থেকে বিটিআরসি ভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”
ডিসি ইবনে মিজান আরও বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে ২৬জনকে আটক করা হয়েছে।”
বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, বিকেলে কর্মকর্তারা আসরের নামাজ আদায় করছিলেন, এমন সময় বাইরে থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের শব্দ শোনা যায়। পরে বিকেল ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সন্ধ্যা থেকে সেখানে কোস্টগার্ডের সদস্যরাও অবস্থান নেয়।
বৃহস্পতিবার থেকেই বিটিআরসি এনইআইআর পদ্ধতি কার্যকর করেছে, যার আওতায় দেশে ব্যবহৃত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে গত কয়েক দিন ধরেই মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করছিলেন।
সরকার বলছে, ব্যবসায়ীদের একটি অংশ অবৈধভাবে কর ফাঁকি দিয়ে নিম্নমানের, ক্লোনড ও ব্যবহৃত পুরনো ফোন দেশে এনে বাজারজাত করছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করতেই এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্যমতে, এনইআইআর কার্যকর হলে অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না। তবে চালুর আগ পর্যন্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কোনো ফোন বন্ধ করা হবে না। ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে তা পিছিয়ে ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়।