
বৃহস্পতিবার থেকেই বিটিআরসি এনইআইআর পদ্ধতি কার্যকর করেছে, যার আওতায় দেশে ব্যবহৃত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে গত কয়েক দিন ধরেই মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করছিলেন।

নিবন্ধনের যাচাই-বাছাইয়ের শেষ ধাপে বাদ পড়ে ১৯টি দল, যার একটি ছিল আমজতার দল। দলটির নেতা তারেক রহমান ইসির সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসার পরপরই নির্বাচন ভবনের সামনে গিয়ে আমরণ অনশনে বসেন। বিএনপি, গণঅধিবার পরিষদসহ অনেকেই তাকে সমর্থন দেন।

ইসি সচিব জানান, তিন দলের মধ্যে আম জনগণের পার্টি বিরুদ্ধে আপত্তি উঠেছে। বাকি দুই দলের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি পাওয়া যায়নি। তাই তাদের নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় জানিয়েছেন, আগামী বছরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে না দেওয়া হলে দেশে আন্দোলন ও সহিংসতা বাড়বে।

ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, ‘‘আমি মনে করি, কেউ যদি কোনো বিষয়ে সংক্ষুব্ধ থাকেন, তিনি যে কোনো সময় পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারেন।’’

রিজভী বলেন, “তারেকের নেতৃত্বে গঠিত ‘আমজনতার দল’ ইতিমধ্যেই কমিশনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু সেই আবেদনটি গৃহীত হয়নি। অথচ কমিশন কিছু গুরুত্বহীন সংগঠনকে নিবন্ধন দিয়েছে, যা আমাদের কাছে বিস্ময়কর।

“আমরা রাজনীতিটা করি, কিন্তু আমাদের পছন্দ হচ্ছে না। আমাদের তো টাকা নাই। ডেসটিনি কোম্পানিকে নিবন্ধনের তালিকায় নাম লিখছে, এইটাই এদের কোয়ালিটি। এমএলএম ব্যবসায়ীদের সাথে এদের যোগসাজশ।”

আখতার আহমেদ বলেন, “আমরা তিনটা দলের সঠিকতা পেয়েছি এবং সে তিনটা দল হচ্ছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কমিশন মনে করেছে যে এই তিনটা দল রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে পারে।”

নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট গত ১৯ মার্চ রায় দেয়। সেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাগপার নিবন্ধন পুনর্বহাল করা হয়েছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “এনসিপির নিবন্ধন হলে শাপলার মাধ্যমেই হবে। শাপলা ছাড়া এনসিপি নিবন্ধন নেবে না। নিবন্ধন না হলে এনসিপি নির্বাচনেও যাবে না।”