চরচা ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় জানিয়েছেন, আগামী বছরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে না দেওয়া হলে দেশে আন্দোলন ও সহিংসতা বাড়বে।
স্থানীয় সময় রোববার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বলেন তিনি।
চলতি বছরের মে মাসে জুলাই আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেসসহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
জয় বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হতে দিতে পারি না। আমাদের প্রতিবাদ আরও জোরালো হবে এবং যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমরা নেব। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোনো ভূমিকা না নিলে, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সহিংসতা ঘটতে পারে…. মুখোমুখি সংঘর্ষ হবেই।”
তবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কার্যক্রম স্থগিত থাকায়, পরে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন স্থগিত করায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলে রয়টার্সকে জানান সরকারের এক মুখপাত্র।
মুখপাত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলটির ওপর থেকে চলমান এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনাই নেই। তাছাড়া নির্বাসিত রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহিংসতায় উসকানিকে সরকার চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং নিন্দনীয় বলে বিবেচনা করে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় জানিয়েছেন, আগামী বছরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে না দেওয়া হলে দেশে আন্দোলন ও সহিংসতা বাড়বে।
স্থানীয় সময় রোববার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বলেন তিনি।
চলতি বছরের মে মাসে জুলাই আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেসসহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
জয় বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হতে দিতে পারি না। আমাদের প্রতিবাদ আরও জোরালো হবে এবং যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমরা নেব। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোনো ভূমিকা না নিলে, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সহিংসতা ঘটতে পারে…. মুখোমুখি সংঘর্ষ হবেই।”
তবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কার্যক্রম স্থগিত থাকায়, পরে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন স্থগিত করায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলে রয়টার্সকে জানান সরকারের এক মুখপাত্র।
মুখপাত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলটির ওপর থেকে চলমান এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনাই নেই। তাছাড়া নির্বাসিত রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহিংসতায় উসকানিকে সরকার চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং নিন্দনীয় বলে বিবেচনা করে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

১৯৯১ সালের নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।পাশাপাশি বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশ ভয়াবহভাবে কলুষিত হয়ে পড়েছে এবং উত্তরণের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বদিউল আলম মজুমদার।