আসন্ন বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে কয়েকজন তারকার সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ, যারা দীর্ঘদিন বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন।
চরচা প্রতিবেদক

২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপকেই ধারণা করা হচ্ছিল কয়েকজন কিংবদন্তি তারকার সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর হয়নি। বয়সকে হার মানিয়ে মেসি-রোনালদোরা এখনও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি নিজ নিজ জাতীয় দলে তারা এখনও মূল তারকাও বটে। আসন্ন বিশ্বকাপ অবশ্য হতে যাচ্ছে এই দুজনসহ আরও কয়েকজন তারকার সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ, যারা দীর্ঘদিন বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন।
দেখে নেওয়া যাক ৪৮ দলের এবারের বিশ্বকাপের এমন ১০ জন ফুটবলারকে, যারা শেষবারের মতো হাজির হতে পারেন বিশ্ব মঞ্চে।
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসেও লিওনেল মেসি এখনো আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা। ২০০৬ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়ার পর খেলেছেন টানা ৫টি বিশ্বকাপ, যেখানে সেরা সাফল্যের দেখা পান সর্বশেষ আসরে। ফ্রান্সকে হারিয়ে লা আলবিসেলেস্তেদের শিরোপা জয়ের পথে জেতেন গোল্ডেন বলও।
২০১৪ সালে আর্জেন্টিনা রানার্স-আপ হয়েছিল, আর সেবারও গোল্ডেন বল উঠেছিল তার হাতে। ৩৮ বছর বয়সে অধিনায়ক মেসি কতটা ভালো করতে পারবেন, সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে নিশ্চিতভাবেই নিজের শেষ বিশ্বকাপটা রাঙাতে চাইবেন তিনি।
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
লিওনেল মেসির পাশাপাশি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোও এবার অংশ নিতে যাচ্ছেন রেকর্ড টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপে। পর্তুগালের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। বয়স হয়ে গেছে ৪২, তবে আল নাসর ও জাতীয় দলের জার্সিতে এখনও দেখা যাচ্ছে সেই ক্ষুরধার রোনালদোকে।
তবে অর্জনে ভরপুর ক্যারিয়ারে আক্ষেপ একটা বিশ্বকাপ জয়ের। সেই অভিযানে শেষবারের মতো দেখা যাবে পর্তুগাল অধিনায়ককে।

নেইমার (ব্রাজিল)
চোট-আঘাতের সঙ্গে নিত্য লড়াইয়ে নেইমার এবারের বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে শেষ সময় পর্যন্ত ছিল সংশয়। সেটা কাটিয়ে তিন বছর পর ব্রাজিল দলে ফিরলেও শুরু থেকেই খেলার সম্ভাবনা বেশ কমই। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের মধ্যেও নেই তার নাম।
আর এটাই বলে দেয়, সেলেসাওদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের মালিক ক্যারিয়ারের সেরা পর্যায়ে নেই। এক যুগের বেশি সময় ব্রাজিল ফুটবলের পোস্টার বয় নেইমারের জন্য তাই এবারের বিশ্বকাপ নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ। পরবর্তী বিশ্বকাপে বয়স ৩৮ হলেও এটাই হতে যাচ্ছে তার সম্ভাব্য শেষ উপস্থিতি।
লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)
চিরসবুজ লুকা মদ্রিচ যেন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলছেন। চার বছর আগে অনেকেই দেখে ফেলেছিলেন তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ। তবে ক্রোয়েশিয়াকে ২০১৮ সালে ফাইনালে এবং ২০২২ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করার পেছনে বড় ভূমিকা রাখা এই কিংবদন্তি মিডফিল্ডার এখনো ছুটছেন আপন গতিতে।
এসি মিলানের হয়ে গত মৌসুমটা খুব ভালো না কাটলেও ৪০ বছর বয়সী মদ্রিচ বিশ্বকাপে থাকছেন ক্রোয়াটদের অধিনায়কত্বে।

কেভিন ডি ব্রুইনা (বেলজিয়াম)
সময়ের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনাকে ধরা হয় বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের সবচেয়ে বড় তারকা। ২০১৪ আসরে বিশ্বকাপে অভিষেক হলেও সেরা ফুটবল উপহার দেন ২০১৮ সালে। বেলজিয়াম সেবার তৃতীয় স্থান অর্জন করে। সেই দলের অনেকেই এবার নেই দলে। ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে নাপোলিতে যাওয়ার পর সেরা ছন্দে নেই ডি ব্রুইনাও। ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার আশা নিজেও রাখেন না বলেই হয়তো এটাই হতে যাচ্ছে তারও শেষ অংশগ্রহণ।
সাদিও মানে (সেনেগাল)
সেনেগালের ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন মানে। তার হাত ধরেই দেশটি দেখা পেয়েছে আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বের। গতি, স্কিল ও নেতৃত্বে অতুলনীয় ৩৪ বছর বয়সী মানে আল নাসরের লিগ শিরোপা জয়ে রেখেছেন বড় ভূমিকা, যা বাড়তি আশা যোগাচ্ছে সেনেগালকেও।
বিশ্বকাপে দলটি কেমন করবে, তার অনেকটাই যে প্রতিভাবান এই ফরোয়ার্ডের ওপরই নির্ভর করছে। নিজের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপে তিনিও চাইবেন ধ্রুপদি পারফরম্যান্স দেখাতে।

জেমস রদ্রিগেজ (কলম্বিয়া)
জেমস রদ্রিগেজ নামটি শুনলেই সবার মনে ভেসে ওঠে ২০১৪ বিশ্বকাপের কথা। অনন্য ফুটবল শৈলী উপহার দিয়ে সেবার নজর কাড়েন কলম্বিয়ান এই ফরোয়ার্ড। আসরের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়ে যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে। মাঝে কয়েক বছর নিজেকে হারিয়ে ফেললেও আবার ফিরেছেন চেনা রূপে।
তবে গত কয়েক মাস পার করেছেন কঠিন সময়। অসুস্থতার কারণে ক্লাবের হয়ে শেষ ১৫ ম্যাচে খেলতে পেরেছেন মাত্র ১৯৪ মিনিট। এরপরও অভিজ্ঞতার কারণে তাকে দলে রাখা হয়েছে।
মোহামেদ সালাহ (মিশর)
সময়ের পরিক্রমায় মিশর ফুটবলের প্রতীক হয়ে উঠেছেন মোহামেদ সালাহ। যদিও বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনি সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। ২০১৮ সালে গ্রুপ পর্বে বিদায় নেয় মিশর। আর পরের আসরে ব্যর্থ হয় বাছাইপর্ব পার হতেই। নিজেদের ইতিহাসে কখনোই গ্রুপ পর্বের বাধা পার করতে না পারা মিশর এবার বড় স্বপ্নই দেখছে। আর সেটা সালাহ আছেন বলেই। ফর্ম ও ফিটনেস বজায় রেখে ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা ফরোয়ার্ড আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে। ফলে তার সামনেও সুযোগ জাতীয় দলের হয়ে ইতিহাস গড়ার।

ভার্জিল ফন ডাইক (নেদারল্যান্ডস)
ডাচ রক্ষণভাগের প্রধান স্তম্ভ ফন ডাইক অনেকটা সময় ধরেই সময়ের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডারও। লিভারপুলের হয়ে গত মৌসুমে সব মিলিয়ে ৫৫ ম্যাচ খেলা ফন ডাইক ৩৪ বছর বয়সেও আছেন ফর্মে। জাতীয় দলের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজনও তিনি। ২০১০ বিশ্বকাপের রানার্স-আপ নেদারল্যান্ডসের বড় আসরে হতাশা কাটিয়ে ওঠার বড় অস্ত্র হতে পারেন তিনি। অভিজ্ঞ এই সেন্টার-ব্যাকেরও এটি হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ।
রোমেলো লুকাকু (বেলজিয়াম)
বেলজিয়ামের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের মালিক রোমেলো লুকাকু গত মৌসুমের পুরোটাই ভুগেছেন ফিটনেস সমস্যায়। ক্লাব নাপোলির হয়ে মাঠে ছিলেন মাত্র ৬০ মিনিট। সবই ছিল বদলি হিসেবে নেমে। হ্যামস্ট্রিং চোটের সঙ্গে এখনও লড়লেও অভিজ্ঞতার বিচারে তাকে স্কোয়াডে রেখেছেন কোচ রুডি গার্সিয়া। তার বিশ্বাস, বড় মঞ্চে দলের জন্য দারুণ কিছু করবেন ৩৩ বছর বয়সী লুকাকু। পরের বিশ্বকাপে বয়স ৩৭ হলেও এখনই যেভাবে চোট সমস্যায় ফেলছে তাকে, তাতে ২০৩০ আসরে খেলার সম্ভাবনা কমই।

২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপকেই ধারণা করা হচ্ছিল কয়েকজন কিংবদন্তি তারকার সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর হয়নি। বয়সকে হার মানিয়ে মেসি-রোনালদোরা এখনও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি নিজ নিজ জাতীয় দলে তারা এখনও মূল তারকাও বটে। আসন্ন বিশ্বকাপ অবশ্য হতে যাচ্ছে এই দুজনসহ আরও কয়েকজন তারকার সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ, যারা দীর্ঘদিন বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন।
দেখে নেওয়া যাক ৪৮ দলের এবারের বিশ্বকাপের এমন ১০ জন ফুটবলারকে, যারা শেষবারের মতো হাজির হতে পারেন বিশ্ব মঞ্চে।
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসেও লিওনেল মেসি এখনো আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা। ২০০৬ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়ার পর খেলেছেন টানা ৫টি বিশ্বকাপ, যেখানে সেরা সাফল্যের দেখা পান সর্বশেষ আসরে। ফ্রান্সকে হারিয়ে লা আলবিসেলেস্তেদের শিরোপা জয়ের পথে জেতেন গোল্ডেন বলও।
২০১৪ সালে আর্জেন্টিনা রানার্স-আপ হয়েছিল, আর সেবারও গোল্ডেন বল উঠেছিল তার হাতে। ৩৮ বছর বয়সে অধিনায়ক মেসি কতটা ভালো করতে পারবেন, সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে নিশ্চিতভাবেই নিজের শেষ বিশ্বকাপটা রাঙাতে চাইবেন তিনি।
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
লিওনেল মেসির পাশাপাশি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোও এবার অংশ নিতে যাচ্ছেন রেকর্ড টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপে। পর্তুগালের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। বয়স হয়ে গেছে ৪২, তবে আল নাসর ও জাতীয় দলের জার্সিতে এখনও দেখা যাচ্ছে সেই ক্ষুরধার রোনালদোকে।
তবে অর্জনে ভরপুর ক্যারিয়ারে আক্ষেপ একটা বিশ্বকাপ জয়ের। সেই অভিযানে শেষবারের মতো দেখা যাবে পর্তুগাল অধিনায়ককে।

নেইমার (ব্রাজিল)
চোট-আঘাতের সঙ্গে নিত্য লড়াইয়ে নেইমার এবারের বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে শেষ সময় পর্যন্ত ছিল সংশয়। সেটা কাটিয়ে তিন বছর পর ব্রাজিল দলে ফিরলেও শুরু থেকেই খেলার সম্ভাবনা বেশ কমই। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের মধ্যেও নেই তার নাম।
আর এটাই বলে দেয়, সেলেসাওদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের মালিক ক্যারিয়ারের সেরা পর্যায়ে নেই। এক যুগের বেশি সময় ব্রাজিল ফুটবলের পোস্টার বয় নেইমারের জন্য তাই এবারের বিশ্বকাপ নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ। পরবর্তী বিশ্বকাপে বয়স ৩৮ হলেও এটাই হতে যাচ্ছে তার সম্ভাব্য শেষ উপস্থিতি।
লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)
চিরসবুজ লুকা মদ্রিচ যেন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলছেন। চার বছর আগে অনেকেই দেখে ফেলেছিলেন তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ। তবে ক্রোয়েশিয়াকে ২০১৮ সালে ফাইনালে এবং ২০২২ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করার পেছনে বড় ভূমিকা রাখা এই কিংবদন্তি মিডফিল্ডার এখনো ছুটছেন আপন গতিতে।
এসি মিলানের হয়ে গত মৌসুমটা খুব ভালো না কাটলেও ৪০ বছর বয়সী মদ্রিচ বিশ্বকাপে থাকছেন ক্রোয়াটদের অধিনায়কত্বে।

কেভিন ডি ব্রুইনা (বেলজিয়াম)
সময়ের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনাকে ধরা হয় বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের সবচেয়ে বড় তারকা। ২০১৪ আসরে বিশ্বকাপে অভিষেক হলেও সেরা ফুটবল উপহার দেন ২০১৮ সালে। বেলজিয়াম সেবার তৃতীয় স্থান অর্জন করে। সেই দলের অনেকেই এবার নেই দলে। ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে নাপোলিতে যাওয়ার পর সেরা ছন্দে নেই ডি ব্রুইনাও। ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার আশা নিজেও রাখেন না বলেই হয়তো এটাই হতে যাচ্ছে তারও শেষ অংশগ্রহণ।
সাদিও মানে (সেনেগাল)
সেনেগালের ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন মানে। তার হাত ধরেই দেশটি দেখা পেয়েছে আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বের। গতি, স্কিল ও নেতৃত্বে অতুলনীয় ৩৪ বছর বয়সী মানে আল নাসরের লিগ শিরোপা জয়ে রেখেছেন বড় ভূমিকা, যা বাড়তি আশা যোগাচ্ছে সেনেগালকেও।
বিশ্বকাপে দলটি কেমন করবে, তার অনেকটাই যে প্রতিভাবান এই ফরোয়ার্ডের ওপরই নির্ভর করছে। নিজের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপে তিনিও চাইবেন ধ্রুপদি পারফরম্যান্স দেখাতে।

জেমস রদ্রিগেজ (কলম্বিয়া)
জেমস রদ্রিগেজ নামটি শুনলেই সবার মনে ভেসে ওঠে ২০১৪ বিশ্বকাপের কথা। অনন্য ফুটবল শৈলী উপহার দিয়ে সেবার নজর কাড়েন কলম্বিয়ান এই ফরোয়ার্ড। আসরের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়ে যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে। মাঝে কয়েক বছর নিজেকে হারিয়ে ফেললেও আবার ফিরেছেন চেনা রূপে।
তবে গত কয়েক মাস পার করেছেন কঠিন সময়। অসুস্থতার কারণে ক্লাবের হয়ে শেষ ১৫ ম্যাচে খেলতে পেরেছেন মাত্র ১৯৪ মিনিট। এরপরও অভিজ্ঞতার কারণে তাকে দলে রাখা হয়েছে।
মোহামেদ সালাহ (মিশর)
সময়ের পরিক্রমায় মিশর ফুটবলের প্রতীক হয়ে উঠেছেন মোহামেদ সালাহ। যদিও বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনি সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। ২০১৮ সালে গ্রুপ পর্বে বিদায় নেয় মিশর। আর পরের আসরে ব্যর্থ হয় বাছাইপর্ব পার হতেই। নিজেদের ইতিহাসে কখনোই গ্রুপ পর্বের বাধা পার করতে না পারা মিশর এবার বড় স্বপ্নই দেখছে। আর সেটা সালাহ আছেন বলেই। ফর্ম ও ফিটনেস বজায় রেখে ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা ফরোয়ার্ড আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে। ফলে তার সামনেও সুযোগ জাতীয় দলের হয়ে ইতিহাস গড়ার।

ভার্জিল ফন ডাইক (নেদারল্যান্ডস)
ডাচ রক্ষণভাগের প্রধান স্তম্ভ ফন ডাইক অনেকটা সময় ধরেই সময়ের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডারও। লিভারপুলের হয়ে গত মৌসুমে সব মিলিয়ে ৫৫ ম্যাচ খেলা ফন ডাইক ৩৪ বছর বয়সেও আছেন ফর্মে। জাতীয় দলের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজনও তিনি। ২০১০ বিশ্বকাপের রানার্স-আপ নেদারল্যান্ডসের বড় আসরে হতাশা কাটিয়ে ওঠার বড় অস্ত্র হতে পারেন তিনি। অভিজ্ঞ এই সেন্টার-ব্যাকেরও এটি হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ।
রোমেলো লুকাকু (বেলজিয়াম)
বেলজিয়ামের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের মালিক রোমেলো লুকাকু গত মৌসুমের পুরোটাই ভুগেছেন ফিটনেস সমস্যায়। ক্লাব নাপোলির হয়ে মাঠে ছিলেন মাত্র ৬০ মিনিট। সবই ছিল বদলি হিসেবে নেমে। হ্যামস্ট্রিং চোটের সঙ্গে এখনও লড়লেও অভিজ্ঞতার বিচারে তাকে স্কোয়াডে রেখেছেন কোচ রুডি গার্সিয়া। তার বিশ্বাস, বড় মঞ্চে দলের জন্য দারুণ কিছু করবেন ৩৩ বছর বয়সী লুকাকু। পরের বিশ্বকাপে বয়স ৩৭ হলেও এখনই যেভাবে চোট সমস্যায় ফেলছে তাকে, তাতে ২০৩০ আসরে খেলার সম্ভাবনা কমই।