চরচা ডেস্ক

তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ সোমবার তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, তুরস্কের ভূখণ্ড এবং আকাশসীমার যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ‘দৃঢ়ভাবে এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই’ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় ন্যাটোর সাথে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির এই সময়ে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তুরস্ক কোনো আপস করবে না। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি চতুর্থবারের মতো তুরস্কের আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র অনুপ্রবেশের ঘটনা। চলতি মাসেই এর আগে আরও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র একইভাবে ন্যাটো ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছিল।
তবে আগের তিনটি ঘটনার ক্ষেত্রে ইরান দাবি করেছিল, তারা এই ধরনের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের অনুমতি দেয়নি। এমনকি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আঙ্কারাকে একটি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান।

তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ সোমবার তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, তুরস্কের ভূখণ্ড এবং আকাশসীমার যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ‘দৃঢ়ভাবে এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই’ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় ন্যাটোর সাথে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির এই সময়ে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তুরস্ক কোনো আপস করবে না। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি চতুর্থবারের মতো তুরস্কের আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র অনুপ্রবেশের ঘটনা। চলতি মাসেই এর আগে আরও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র একইভাবে ন্যাটো ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছিল।
তবে আগের তিনটি ঘটনার ক্ষেত্রে ইরান দাবি করেছিল, তারা এই ধরনের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের অনুমতি দেয়নি। এমনকি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আঙ্কারাকে একটি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান।