Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

৩৩ বছর পর সংসদে উঠছে মুলতবি প্রস্তাব, কী আছে এতে?

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬, ২১: ৫১
৩৩ বছর পর সংসদে উঠছে মুলতবি প্রস্তাব, কী আছে এতে?

দীর্ঘ তিন দশক পর জাতীয় সংসদে মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকের শেষ দুই ঘণ্টা বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানের একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

Advertisement

সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৬২-তে মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে বলা আছে। জরুরি ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় সংসদের যেকোনো সদস্য দিনের অন্য কাজ মুলতবি রেখে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব রাখতে পারেন। তবে মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণের এখতিয়ার স্পিকারের।

দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সংসদে বিরোধী দলের প্রস্তাবে ২১ বার সংসদের কার্যক্রম মুলতবি করে আলোচনা হয়েছিল। পঞ্চম সংসদে চারবার আলোচনা হয়। দুবারই বিরোধী দলের আসনে ছিল আওয়ামী লীগ। সরকারে ছিল বিএনপি। পরের সাতটি সংসদে বিরোধী দলের মুলতবি প্রস্তাব সংসদে আলোচনা হয়নি। সেই হিসাবে ১৯৯৩ সালের পর এবার প্রথম মুলতবি প্রস্তাব আলোচনা হতে যাচ্ছে।

সর্বশেষ ’৯৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রফিকুল ইসলামের (যশোর-২) ‘গভীর রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে ছাত্র শিবিরের সশস্ত্র হামলায় ১ জন নিহত ও দু’শতাধিক আহত হওয়া’ প্রসঙ্গে একটি মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে এবার সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি করে নয়; বরং দিনের সব কাজ শেষে আলোচনা হবে।

বিগত চারটি সংসদের মধ্যে নবম সংসদেই সবচেয়ে বেশি এক হাজারের অধিক মুলতবি প্রস্তাব জমা পড়ে। বিএনপি ওই সংসদের বিরোধী দল ছিল। তাদের কোনো প্রস্তাব নিয়েই আলোচনা হয়নি।

মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে দীর্ঘদিন পর আলোচনার বিষয়ে সংসদীয় রাজনীতির গবেষক নিজাম আহমেদ চরচাকে বলেন, “সংসদে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার অন্যতম একটি হাতিয়ার মুলতবি প্রস্তাব। যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে, সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি আলোচনার জন্য গ্রহণ করে ডেপুটি স্পিকার যথার্থ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

কী নিয়ে আলোচনা

গত রোববার কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ ধারা অনুযায়ী, মুলতবি নোটিশ দেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

নোটিশে বলা হয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ জরুরি-জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়ায় সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি করে এ বিষয়ে আলোচনা হোক। ৬৪ ধারায় প্রশ্নোত্তর পর্বের পর এ নোটিশ উত্থাপন করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

ওই দিন সংসদে বিষয়টি নিয়ে মাগরিবের নামাজের বিরতির আগে বিরোধীদলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে নোটিশ উত্থাপন শুরু করেন, যা বিরতির পর শেষ করেন। তিনি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ জারির প্রেক্ষাপট, গণভোট ও তার পরিপ্রেক্ষিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার বিষয় তুলে ধরেন।

সংসদে উঠছে না গণভোট অধ্যাদেশগণভোট-২

এ নিয়ে সংসদে পক্ষে-বিপক্ষে বেশ আলোচনা ও হট্টগোল হয়। ওই সময় স্পিকারের চেয়ারে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সিদ্ধান্ত দেন, সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে প্রস্তাবটি নিষ্পত্তি করতে হবে। সে হিসাবে ৩১ মার্চ মঙ্গলবার দিনের সর্বশেষ বিষয় হিসেবে দুই ঘণ্টা বিরোধী দলের নেতার মুলতবি প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে।

কী আছে বিরোধী দলীয় নেতার নোটিশে

বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির তার মুলতবি প্রস্তাবে উত্থাপনীয় বিষয় সম্পর্কে লেখেন, “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ (আদেশ নং ০১, ২০২৫) এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান প্রসঙ্গে।”

আলোচনা উত্থাপনের কারণ প্রসঙ্গে তিনি নোটিশে লেখেন, “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ (আদেশ নং ০১, ২০২৫) এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোটের প্রদত্ত রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আইনে বর্ণিত সময়সীমার মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি।”

জাতীয় সংসদ সচিবালয় কার্যালয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: ফেসবুক
জাতীয় সংসদ সচিবালয় কার্যালয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: ফেসবুক

নোটিশে লেখা হয়, “বিষয়টি মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা জনাব ডা. শফিকুর রহমান বিগত ১৫ মার্চ ২০২৬ সংসদে (প্রস্তাবটি) উত্থাপন করেন। মাননীয় স্পিকার এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক নোটিশ প্রদান করার জন্য বলেন। মাননীয় স্পিকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যপ্রণালী-বিধির ৬২ বিধি অনুসারে উপরোল্লিখিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে সংসদে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিশ প্রদান করছি। এমতাবস্থায় জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এর প্রস্তাবনায় বর্ণিত পরিস্থিতি ও কারণ উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক হবে। তা হচ্ছে।

যেহেতু সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটিয়াছে। এবং যেহেতু উক্ত গণঅভ্যুত্থানের ফলে ৫ আগস্ট ২০২৪ তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটে, ৬ আগস্ট ২০২৪ জাতীয় সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হয় এবং ৮ আগস্ট ২০২৪ অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, যাহা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকারিতা ও স্বীকৃতি লাভ করিয়াছে; এবং যেহেতু রাষ্ট্রীয় সংস্কার সাধনের মাধ্যমে সুশাসন, গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ করিবার উদ্দেশ্যে অন্তবর্তীকালীন সরকার সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থায় সংস্কারের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে ৬টি সংস্কার কমিশন গঠন করে এবং উক্ত কমিশনসমূহ স্ব স্ব প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করবেন; এবং

যেহেতু উপরিউক্ত প্রতিবেদনগুলিতে অন্তর্ভুক্ত সুপারিশসমূহের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে; এবং যেহেতু জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল ও জোটের সহিত আলোচনাক্রমে সংবিধান সংস্কারসহ অন্যান্য সংস্কারের সুপারিশ সংবলিত জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ প্রণয়ন করে এবং রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে উক্ত সনদে স্বাক্ষর ও তাহা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে; এবং যেহেতু সংবিধান সংস্কার বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী জনগণের অনুমোদন প্রয়োজন এবং তদুদ্দেশ্যে গণভোট অনুষ্ঠান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও উক্ত পরিষদ কর্তৃক সংবিধান সংস্কার করার আবশ্যকতা রহিয়াছে; এবং যেহেতু উপরে বর্ণিতমতে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়ন সম্পন্ন করিবার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা একান্ত প্রয়োজন; সেহেতু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিগ্রামের ভিত্তিতে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরামর্শক্রমে, রাষ্ট্রপতি এই আদেশ জারি করেন।”

বিএনপি সরকারের এক মাস ও সংস্কার নিয়ে জটিলতাministry

নোটিশে আরও লেখা হয়, “বিগত ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ সরকার গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রণয়ন করে। জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত কতিপয় প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। বিগত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটে হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হয়। জনগণ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ ও জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবের পক্ষে তাদের রায় প্রদান করেন। গণভোটে হ্যাঁ-ভোট নিরঙ্কুশ বিজয়ের ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ দুইটি শপথ (সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য) পাঠ করতে আইনানুগভাবে বাধ্য। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ্য সদস্যদের ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। উক্ত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মাননীয় সংসদ সদস্যগণ সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ জোটের ৭৭ জন মাননীয় সংসদ সদস্য পৃথকভাবে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ পাঠ করেন। জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যে পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হবে অনুরূপ পদ্ধতিতে পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহ্বানের বিধান থাকলেও এখনো পর্যন্ত তা করা হয়নি। জাতির প্রত্যাশাকে পাশ কাটিয়ে এ ধরনের অচলাবস্থা সৃষ্টি করা কখনো কাম্য নয়। এমতাবস্থায় জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয় হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ অধিবেশন সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মাননীয় স্পিকারের প্রতি সংসদে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান করছি।”

কী আছে কার্যপ্রণালি বিধিতে

মুলতবি প্রস্তাবে নোটিশ লিখিতভাবে দিতে হবে এবং আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি লিখিত বিবরণ দিতে হয়।

বাজেটের সাধারণ আলোচনার জন্য ধার্য কোনো দিনে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করা যায় না। একই বৈঠকে একাধিক অনুরূপ প্রস্তাব উত্থাপন করা যায় না।

উত্থাপন করা যাবে কি না, সেটি স্পিকার ঠিক করবেন।

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

বিধিতে বলা আছে, প্রস্তাবটি সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। একই প্রস্তাবে একাধিক বিষয় আলোচিত হবে না। প্রস্তাবটি বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত কোনো বিষয় সম্বন্ধে হবে না। একই অধিবেশনে যে বিষয় আলোচিত হইয়াছে, কোনো প্রস্তাবে সেই বিষয় আলোচিত হবে না।

প্রস্তাবটি এমন কোনো বিষয় সম্পর্কে হবে না, যার প্রতিকার কেবল আইন-প্রণয়ন দ্বারা হতে পারে।

বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানের প্রস্তাবটি নিয়ে এই ধারায় সংসদে আপত্তি জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন আইন প্রণয়ন দিয়ে হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিরোধী দলের প্রস্তাব সংশোধন করা যেতে পারে।

বিধিতে বলা আছে, মুলতবি প্রস্তাবে বাংলাদেশের যেকোনো অংশের আওতাভুক্ত কোনো আইন-আদালতের সম্মুখে বিচরাধীন বিষয় সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না। প্রস্তাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বা সুপ্রিম কোর্টের কোনো বিচারকের আচরণ সম্পর্কে কোনো কটাক্ষ থাকবে না।

বিধি ৬৫ (১) এ বলা আছে, স্পিকার যদি মনে করেন যে, আলোচনার জন্য প্রস্তাবিত বিষয়টি বিধিসম্মত এবং যদি তিনি সম্মতি দেন, তবে প্রশ্নকাল শেষ হওয়ার পর এবং দিনের কার্যসূচিতে ঢোকার আগে তিনি সংশ্লিষ্ট সদস্যকে প্রস্তাবটি উত্থাপনের আহ্বান করবেন। স্পিকারের আহ্বানের পর সংশ্লিষ্ট সদস্য লিখিত বিবৃতিসহ প্রস্তাবটি পড়ে শোনাবেন।

৬৫ (২) বিধিতে বলা আছে, স্পিকার কর্তৃক ধার্য দিনে ওই দিনের সর্বশেষ বিষয় হিসেবে অনধিক দুই ঘণ্টা প্রস্তাবটি আলোচিত হইবে।

এ বিধিতেই ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানের প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

বিষয়: রাজনীতিবিএনপিজাতীয় সংসদজামায়াতে ইসলামী
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সিজিএসের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদে যারা রয়েছেন

  • ২

    উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে উত্তাল চুয়েট, বন্ধ ক্লাস-পরীক্ষা

  • ৩

    মবের শিকার ৪৫০০ শিক্ষক কেমন আছেন?

  • ৪

    বিসিএসের সাফল্য ছাপিয়ে নায়লার স্বপ্ন শিশুদের গড়া

  • ৫

    নিজ দেশেই কেন নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে ভারতীয়দের?

সম্পর্কিত
  • নিজ দেশেই কেন নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে ভারতীয়দের?

    নিজ দেশেই কেন নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে ভারতীয়দের?

    এসআইআরের সবচেয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে থাকা এসওয়াই কুরেশি। তার অভিযোগ, মুসলিমদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই দেশজুড়ে এই হয়রানিমূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

  • এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে ব্যবসার সব অনুমোদন, কীভাবে

    এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে ব্যবসার সব অনুমোদন, কীভাবে

    আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে ব্যবসা অনুমোদন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এর আওতায় একটি ডিজিটাল ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে বিনিয়োগ সংক্রান্ত

  • বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    ২০২৩ সাল থেকেই ধীরগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির। এমনটা বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংকের গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

  • শিগগিরই চরম সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ

    শিগগিরই চরম সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ

    আইএমএফ বলেছে, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যেও বিশ্ব অর্থনীতি আশঙ্কার চেয়ে ভালোভাবে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প পথে তেল সরবরাহ করা এবং জরুরি প্রয়োজনে মজুত রাখা জ্বালানি বাজারে ছাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব তেলের দামের ওপর সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে।