রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের বিদিরপুর ও ফুলতলা-ভাটোপাড়া ফেরিঘাটে জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া টোল আদায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চর আষাড়িয়াদহ, আলাতুলি, ভগবন্তপুর, বড়গাছি, বিদিরপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ প্রতিদিন এসব ঘাট ব্যবহার করে পদ্মা নদী পারাপার করেন। শুক্রবার সকাল থেকে কয়েকজন ব্যক্তি যাত্রীপ্রতি ২০ টাকা করে আদায় শুরু করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়রা মাইকিং করে প্রতিবাদের ঘোষণা দেন এবং ঘাটের দিকে যান। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দেয়।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহী জেলা পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড়গাছি-পেটাও বিদিরপুর ও ফুলতলা-ভাটোপাড়া ফেরিঘাট দুটি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা প্রদানের লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো দরপত্র জমা পড়েনি। ফলে ঘাট দুটি ইজারা না হওয়া পর্যন্ত খাস আদায়ের মাধ্যমে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জেলা পরিষদের পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খাস আদায় কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং আদায়কৃত অর্থ প্রতি মাস শেষে জেলা পরিষদের অনুকূলে জমা দিতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহিল কাফি বলেন, “জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী ঘাট নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সেখানে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তারপরও কিছু ব্যক্তি নিজেদের মতো করে টাকা আদায় করছে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর ঘাটের বিদিরপুর অংশে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগে মো. স্বপন ঘাটাল, মো. মিলন, সোহরাব হোসেন ও মুর্তজার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহরাব হোসেন বলেন, “জমসের আলী বলেছে জেলা পরিষদ থেকে আমরা ঘাটে বসার অনুমোদন পেয়েছি। তুমি আসো, কাগজপত্র দেখে ঘাটে বসো। সেজন্য আমি তার কাগজ দেখতে ঘাটে গিয়েছি। আমি সেখানে কারও কাছ থেকে টাকা তুলিনি। ওখানে ঘাটাল স্বপনের ছেলে মিলন টাকা তুলেছে। পরে কাগজ দেখে আমি বলেছি, এখানে তো আমাদের অনুমোদন নেই। তাহলে আমি কেন টাকা তুলব? পরে সেখানে বিজিবি ও পুলিশ চলে এসেছে।”
৯ নম্বর চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হাই বলেন, “আজকে যারা টাকা তুলেছে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কাউকে টাকা তোলার জন্য বলিনি।”
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা বলেন, “ঘাট দুটি চলতি অর্থবছরে ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি, কারণ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো দরপত্র পাওয়া যায়নি। বিধি অনুযায়ী বর্তমানে খাস আদায়ের দায়িত্ব আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সরাসরি টোল আদায়ের অনুমতি দেয়নি। চেয়ারম্যান তার অনুমোদিত প্রতিনিধি অথবা ইউনিয়ন পরিষদের মনোনীত ব্যক্তিরাই কেবল খাস আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।”

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের বিদিরপুর ও ফুলতলা-ভাটোপাড়া ফেরিঘাটে জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া টোল আদায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চর আষাড়িয়াদহ, আলাতুলি, ভগবন্তপুর, বড়গাছি, বিদিরপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ প্রতিদিন এসব ঘাট ব্যবহার করে পদ্মা নদী পারাপার করেন। শুক্রবার সকাল থেকে কয়েকজন ব্যক্তি যাত্রীপ্রতি ২০ টাকা করে আদায় শুরু করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়রা মাইকিং করে প্রতিবাদের ঘোষণা দেন এবং ঘাটের দিকে যান। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দেয়।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহী জেলা পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড়গাছি-পেটাও বিদিরপুর ও ফুলতলা-ভাটোপাড়া ফেরিঘাট দুটি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য ইজারা প্রদানের লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো দরপত্র জমা পড়েনি। ফলে ঘাট দুটি ইজারা না হওয়া পর্যন্ত খাস আদায়ের মাধ্যমে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জেলা পরিষদের পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খাস আদায় কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং আদায়কৃত অর্থ প্রতি মাস শেষে জেলা পরিষদের অনুকূলে জমা দিতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহিল কাফি বলেন, “জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী ঘাট নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সেখানে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তারপরও কিছু ব্যক্তি নিজেদের মতো করে টাকা আদায় করছে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর ঘাটের বিদিরপুর অংশে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগে মো. স্বপন ঘাটাল, মো. মিলন, সোহরাব হোসেন ও মুর্তজার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহরাব হোসেন বলেন, “জমসের আলী বলেছে জেলা পরিষদ থেকে আমরা ঘাটে বসার অনুমোদন পেয়েছি। তুমি আসো, কাগজপত্র দেখে ঘাটে বসো। সেজন্য আমি তার কাগজ দেখতে ঘাটে গিয়েছি। আমি সেখানে কারও কাছ থেকে টাকা তুলিনি। ওখানে ঘাটাল স্বপনের ছেলে মিলন টাকা তুলেছে। পরে কাগজ দেখে আমি বলেছি, এখানে তো আমাদের অনুমোদন নেই। তাহলে আমি কেন টাকা তুলব? পরে সেখানে বিজিবি ও পুলিশ চলে এসেছে।”
৯ নম্বর চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হাই বলেন, “আজকে যারা টাকা তুলেছে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কাউকে টাকা তোলার জন্য বলিনি।”
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা বলেন, “ঘাট দুটি চলতি অর্থবছরে ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি, কারণ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো দরপত্র পাওয়া যায়নি। বিধি অনুযায়ী বর্তমানে খাস আদায়ের দায়িত্ব আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সরাসরি টোল আদায়ের অনুমতি দেয়নি। চেয়ারম্যান তার অনুমোদিত প্রতিনিধি অথবা ইউনিয়ন পরিষদের মনোনীত ব্যক্তিরাই কেবল খাস আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।”