চরচা প্রতিবেদক

নবগঠিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার ও দপ্তর পুনর্বণ্টনের আহ্বান জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন। সংগঠনের যুগ্ম সমন্বয়কারী মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন এবং অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানায়। গণতান্ত্রিক পথে দেশের নতুন অভিযাত্রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন, পাহাড়ের মানুষের অধিকার এবং প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর মানবাধিকার রক্ষার মতো ইস্যুগুলো অগ্রাধিকার পাবে বলেই পাহাড়ের জনগণ আশা করে।
যুগ্ম সমন্বয়কারীরা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন নেতাকে পূর্ণমন্ত্রী করা হলেও একজন অ-পাহাড়ীকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৯০ সালের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পর বিএনপি ক্ষমতায় এসে পার্বত্য সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান শুরুর উদ্দেশ্যে জনসংহতি সমিতির সঙ্গে সংলাপ শুরু করে, যার ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে দলটি চুক্তি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখে।
তারা দাবি করেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে পার্বত্য তিন আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন–যা প্রমাণ করে পাহাড়ের জনগণ এখনও বিএনপির ওপর আস্থা রাখে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার ‘রেইনবো নেশন’ প্রতিশ্রুতি দেশের বহুজাতিক পরিচয়ের স্বীকৃতি দেয়। এই নীতিকে মজবুত করতে পার্বত্য চুক্তির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার করে দপ্তর পুনর্বণ্টন করা জরুরি।
বিবৃতির শেষে তারা বলেন, ২০০১ সালে যেভাবে বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা রেখে চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রগতি আনেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন এবং চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সচল রাখবেন বলে তারা আশাবাদী।

নবগঠিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার ও দপ্তর পুনর্বণ্টনের আহ্বান জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন। সংগঠনের যুগ্ম সমন্বয়কারী মানবাধিকার কর্মী জাকির হোসেন এবং অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানায়। গণতান্ত্রিক পথে দেশের নতুন অভিযাত্রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন, পাহাড়ের মানুষের অধিকার এবং প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর মানবাধিকার রক্ষার মতো ইস্যুগুলো অগ্রাধিকার পাবে বলেই পাহাড়ের জনগণ আশা করে।
যুগ্ম সমন্বয়কারীরা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন নেতাকে পূর্ণমন্ত্রী করা হলেও একজন অ-পাহাড়ীকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৯০ সালের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পর বিএনপি ক্ষমতায় এসে পার্বত্য সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান শুরুর উদ্দেশ্যে জনসংহতি সমিতির সঙ্গে সংলাপ শুরু করে, যার ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে দলটি চুক্তি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখে।
তারা দাবি করেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে পার্বত্য তিন আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন–যা প্রমাণ করে পাহাড়ের জনগণ এখনও বিএনপির ওপর আস্থা রাখে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার ‘রেইনবো নেশন’ প্রতিশ্রুতি দেশের বহুজাতিক পরিচয়ের স্বীকৃতি দেয়। এই নীতিকে মজবুত করতে পার্বত্য চুক্তির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার করে দপ্তর পুনর্বণ্টন করা জরুরি।
বিবৃতির শেষে তারা বলেন, ২০০১ সালে যেভাবে বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা রেখে চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রগতি আনেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন এবং চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সচল রাখবেন বলে তারা আশাবাদী।