চরচা প্রতিবেদক

ওয়ানডে অধিনায়ক হলেও দলে তার ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা নিয়ে প্রায়ই ওঠে প্রশ্ন। তবে ফরম্যাট যখন টেস্ট ক্রিকেট, সেখানে মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগই নেই। ধারাবাহিকভাবে লাল বলের ক্রিকেটে দলের অন্যতম সেরা পারফরমার যে তিনিই। বোলারদের জন্য কঠিন একটা দিনে পাঁচ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে লিড নেওয়া থেকে বিরত রাখতেও রেখেছেন বড় অবদান।
মিরাজের বোলিংয়েই বাংলাদেশ মূলত প্রথম ইনিংসে লিড পায় ২৭ রানের। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করে তৃতীয় দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৭ রান।
দ্বিতীয় দিন পেসারদের হতাশার মাঝে একমাত্র উইকেটটি নিয়েছিলেন মিরাজ। তৃতীয় দিন সকালে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে নেন আরও দুটি উইকেট। দ্বিতীয় সেশনে উইকেটের দেখা না পেলেও ছিলেন হিসেবি। আর চা-বিরতির পর জোড়া উইকেট নিয়ে ১৪তম বারের মতো টেস্ট ক্যারিয়ারে দেখা পান ৫ উইকেটের।
কাট করতে গিয়ে ক্যাচে ফেরেন নোমান আলি (২)। আর পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে দিয়ে। স্পেল শেষ করেন ১০২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে। পাকিস্তানের ইনিংস ৩৮০ রান পার করার বড় কৃতিত্ব সালমান আঘার, যিনি ৫৮ রানে আউট হন নাহিদ রানার বলে। ইনিংসে সেটাই গতিময় এই পেসারের একমাত্র উইকেট।
এই ম্যাচে মিরাজের বোলিং গুরুত্বপূর্ণ অনেক কারণেই। সবচেয়ে বেশি ৩৮ ওভার বল করতে হয়েছে তাকে। পেসারদের বিশ্রাম দেওয়ার পাশাপাশি ব্রেকথ্রুর জন্যও বারবার তার দ্বারস্থ হয়েছেন নাজমুল হোসেন। উইকেটের চরিত্র বুঝে ড্রিফট করিয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজটা কঠিন করেছেন। পাশাপাশি বাধ্য করেছেন ব্যাকফুটে গিয়ে খেলতে। আর তাতেই মিলেছে সাফল্য।
শেষ বিকেলে মিরাজ, তাইজুলরা যেভাবে টার্ন পেয়েছেন, তাতে আশাবাদী হওয়ার রসদ রয়েছে বাংলাদেশের। পাকিস্তানকে যদি ২৮০ বা তার বেশি রানের লক্ষ্যও দেওয়া যায়, চতুর্থ ইনিংসে জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে।
সেই লক্ষ্যে চতুর্থ দিনের সকালটা হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে দায়িত্ব নিতে হবে দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসানকে।

ওয়ানডে অধিনায়ক হলেও দলে তার ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা নিয়ে প্রায়ই ওঠে প্রশ্ন। তবে ফরম্যাট যখন টেস্ট ক্রিকেট, সেখানে মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগই নেই। ধারাবাহিকভাবে লাল বলের ক্রিকেটে দলের অন্যতম সেরা পারফরমার যে তিনিই। বোলারদের জন্য কঠিন একটা দিনে পাঁচ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে লিড নেওয়া থেকে বিরত রাখতেও রেখেছেন বড় অবদান।
মিরাজের বোলিংয়েই বাংলাদেশ মূলত প্রথম ইনিংসে লিড পায় ২৭ রানের। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করে তৃতীয় দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৭ রান।
দ্বিতীয় দিন পেসারদের হতাশার মাঝে একমাত্র উইকেটটি নিয়েছিলেন মিরাজ। তৃতীয় দিন সকালে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে নেন আরও দুটি উইকেট। দ্বিতীয় সেশনে উইকেটের দেখা না পেলেও ছিলেন হিসেবি। আর চা-বিরতির পর জোড়া উইকেট নিয়ে ১৪তম বারের মতো টেস্ট ক্যারিয়ারে দেখা পান ৫ উইকেটের।
কাট করতে গিয়ে ক্যাচে ফেরেন নোমান আলি (২)। আর পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে দিয়ে। স্পেল শেষ করেন ১০২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে। পাকিস্তানের ইনিংস ৩৮০ রান পার করার বড় কৃতিত্ব সালমান আঘার, যিনি ৫৮ রানে আউট হন নাহিদ রানার বলে। ইনিংসে সেটাই গতিময় এই পেসারের একমাত্র উইকেট।
এই ম্যাচে মিরাজের বোলিং গুরুত্বপূর্ণ অনেক কারণেই। সবচেয়ে বেশি ৩৮ ওভার বল করতে হয়েছে তাকে। পেসারদের বিশ্রাম দেওয়ার পাশাপাশি ব্রেকথ্রুর জন্যও বারবার তার দ্বারস্থ হয়েছেন নাজমুল হোসেন। উইকেটের চরিত্র বুঝে ড্রিফট করিয়ে ব্যাটসম্যানদের কাজটা কঠিন করেছেন। পাশাপাশি বাধ্য করেছেন ব্যাকফুটে গিয়ে খেলতে। আর তাতেই মিলেছে সাফল্য।
শেষ বিকেলে মিরাজ, তাইজুলরা যেভাবে টার্ন পেয়েছেন, তাতে আশাবাদী হওয়ার রসদ রয়েছে বাংলাদেশের। পাকিস্তানকে যদি ২৮০ বা তার বেশি রানের লক্ষ্যও দেওয়া যায়, চতুর্থ ইনিংসে জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে।
সেই লক্ষ্যে চতুর্থ দিনের সকালটা হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে দায়িত্ব নিতে হবে দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসানকে।