চরচা ডেস্ক

এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ শনিবার এনসিপির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত দলটির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়। একইসঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিও জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “জাতীয় গণমাধ্যম ‘সময় টেলিভিশন’এর একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা অবগত হয়েছি যে, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র প্রতারক চক্রের মাধ্যমে লাগামহীনভাবে অনলাইনে ফাঁস হয়েছে, যেই বিষয়ে দায়িত্বশীলদের তরফ থেকে এখন অবধি কোনো তৎপরতা তৈরি হয়নি। এই ঘটনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চরম দায়িত্বহীনতাকেই স্পষ্ট করে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতকরণের চেয়ে পরীক্ষার হল তদারকিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। দিনরাত আমরা নকল রোধের বক্তব্য শুনছি, অথচ প্রশ্নফাঁসের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটে চলেছে তবে সেদিকে মন্ত্রণালয়ের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ তারিখ থেকে এই প্রশ্ন ফাঁস শুরু হয়েছে, অথচ দায়িত্বশীল মহল থেকে এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় সরকারের এ ধরনের দায়িত্বহীনতা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
এনসিপি বলছে, “পরীক্ষার হলে তদারকির জন্য শিক্ষক ও পরিদর্শকরাই যথেষ্ট। মাননীয় মন্ত্রীর কাজ পরীক্ষার হল ঘুরে ঘুরে রিলস বানানো নয়। বরং বরং মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক তদারকিই তার প্রধান দায়িত্ব, প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা প্রমাণ করে এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতা রয়েছে। মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের অবহেলায় প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং প্রশ্নফাঁসের বিষয়টির সুরাহা না করে এভাবে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া সমীচীন হবে না।”
দলটি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ শনিবার এনসিপির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত দলটির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়। একইসঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিও জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “জাতীয় গণমাধ্যম ‘সময় টেলিভিশন’এর একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা অবগত হয়েছি যে, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র প্রতারক চক্রের মাধ্যমে লাগামহীনভাবে অনলাইনে ফাঁস হয়েছে, যেই বিষয়ে দায়িত্বশীলদের তরফ থেকে এখন অবধি কোনো তৎপরতা তৈরি হয়নি। এই ঘটনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চরম দায়িত্বহীনতাকেই স্পষ্ট করে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতকরণের চেয়ে পরীক্ষার হল তদারকিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। দিনরাত আমরা নকল রোধের বক্তব্য শুনছি, অথচ প্রশ্নফাঁসের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটে চলেছে তবে সেদিকে মন্ত্রণালয়ের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ তারিখ থেকে এই প্রশ্ন ফাঁস শুরু হয়েছে, অথচ দায়িত্বশীল মহল থেকে এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় সরকারের এ ধরনের দায়িত্বহীনতা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
এনসিপি বলছে, “পরীক্ষার হলে তদারকির জন্য শিক্ষক ও পরিদর্শকরাই যথেষ্ট। মাননীয় মন্ত্রীর কাজ পরীক্ষার হল ঘুরে ঘুরে রিলস বানানো নয়। বরং বরং মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক তদারকিই তার প্রধান দায়িত্ব, প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা প্রমাণ করে এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতা রয়েছে। মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের অবহেলায় প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং প্রশ্নফাঁসের বিষয়টির সুরাহা না করে এভাবে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া সমীচীন হবে না।”
দলটি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।