চরচা প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
আজ শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ উদ্বেগ জানান।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, “গতকাল ৮ মে জুমা বার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুরসালিন এবং একই ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেনকে ভারতীয় রক্ষীবাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমি নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং দোয়া করছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাদের এই কঠিন শোকে ধৈর্যধারণ করার তাওফিক দান করুন।”
জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, “আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায়ই বিনা কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার জন্য ভারত বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও হত্যাকাণ্ড ক্রমাগতভাবেই বাড়ছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশিদের অন্যায় হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া খুবই উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্র নীতির কারণেই ভারত বারবার বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাকাণ্ডে ঘটাচ্ছে।”
গোলাম পরওয়ার বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ সব সময়ই প্রতিবেশীদের কাছে বন্ধুসুলভ আচরণ কামনা করে। আমরা আশা প্রকাশ করছি, ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করবে এবং মো. মুরসালিন ও নবী হোসেনসহ অদ্যাবধি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে।”
বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের জনগণ সব সময়ই প্রতিবেশীদের কাছে বন্ধুসুলভ আচরণ কামনা করে। আমরা আশা প্রকাশ করছি, ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনাকাঙ্খিত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করবে এবং মো. মুরসালিন ও নবী হোসেনসহ অদ্যাবধি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে। একই সঙ্গে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
আজ শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ উদ্বেগ জানান।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, “গতকাল ৮ মে জুমা বার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুরসালিন এবং একই ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেনকে ভারতীয় রক্ষীবাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমি নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং দোয়া করছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাদের এই কঠিন শোকে ধৈর্যধারণ করার তাওফিক দান করুন।”
জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, “আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায়ই বিনা কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার জন্য ভারত বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও হত্যাকাণ্ড ক্রমাগতভাবেই বাড়ছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশিদের অন্যায় হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া খুবই উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্র নীতির কারণেই ভারত বারবার বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাকাণ্ডে ঘটাচ্ছে।”
গোলাম পরওয়ার বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ সব সময়ই প্রতিবেশীদের কাছে বন্ধুসুলভ আচরণ কামনা করে। আমরা আশা প্রকাশ করছি, ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করবে এবং মো. মুরসালিন ও নবী হোসেনসহ অদ্যাবধি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে।”
বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের জনগণ সব সময়ই প্রতিবেশীদের কাছে বন্ধুসুলভ আচরণ কামনা করে। আমরা আশা প্রকাশ করছি, ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনাকাঙ্খিত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করবে এবং মো. মুরসালিন ও নবী হোসেনসহ অদ্যাবধি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে। একই সঙ্গে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”