চরচা প্রতিবেদক

প্রথম দিনের শেষ বেলায় সুযোগ ছিল ফিফটি তুলে নেওয়ার। তবে ১০১ টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা থেকে মুশফিকুর রহিম জানতেন, তার উইকেটের মূল্য কত। সেই একই টেম্পারামেন্ট দ্বিতীয় দিনেও দেখিয়ে চলেছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের সবাই সাজঘরে ফিরে যাওয়ায় প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর গড়াটা হয়ে উঠেছে চ্যালেঞ্জিং। তবে একাকী লড়াইয়ে আশার আলো হয়ে ব্যাটিং করছেন মুশফিক।
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ থেমেছে ৭ উইকেটে ৩৮০ রানে। ৭১ রানে অপরাজিত মুশফিক। আর ইবাদত হোসেন রানের খাতা খুলতে পারেননি।
আগের দিন রয়েসয়ে খেলা লিটন দাস দিনের দ্বিতীয় ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে মারেন হ্যাটট্রিক বাউন্ডারি। খানিক বাদে পঞ্চাশ পূর্ণ হয় মুশফিকের। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে রান বের করেছেন। বাজে বল পেলেই কেবল শট খেলেছেন। তবে লিটন ছিলেন তুলনামূলক আগ্রাসী, যার খেসারত দিতে হয় শেষ পর্যন্ত ৩৩ রানে আউট হয়ে।
এরপর টি-টোয়েন্টি মেজাজে একটি করে চার ও ছক্কা মেরে বিদায় নেন মেহেদি হাসান মিরাজও। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ছোট জুটি গড়েন মুশফিক, যার ইতি টানেন মোহাম্মদ আব্বাস। ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তাইজুল (১৭ রান)।
লাঞ্চের আগ পর্যন্ত ইবাদতকে নিয়ে বাকি সময়টা নিরাপদেই কাটান মুশফিক। তবে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশের জন্য এখন ৪৫০ রান করাটাও কঠিন হয়ে গেছে। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ থাকায় মুশফিকের ইনিংস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে দুই দলের জন্যই।
দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ তাই চাইবে তার কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ব্যাটিং। আর পাকিস্তানের চাওয়া থাকবে যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশকে অলআউট করে ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসার।

প্রথম দিনের শেষ বেলায় সুযোগ ছিল ফিফটি তুলে নেওয়ার। তবে ১০১ টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা থেকে মুশফিকুর রহিম জানতেন, তার উইকেটের মূল্য কত। সেই একই টেম্পারামেন্ট দ্বিতীয় দিনেও দেখিয়ে চলেছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের সবাই সাজঘরে ফিরে যাওয়ায় প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর গড়াটা হয়ে উঠেছে চ্যালেঞ্জিং। তবে একাকী লড়াইয়ে আশার আলো হয়ে ব্যাটিং করছেন মুশফিক।
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশ থেমেছে ৭ উইকেটে ৩৮০ রানে। ৭১ রানে অপরাজিত মুশফিক। আর ইবাদত হোসেন রানের খাতা খুলতে পারেননি।
আগের দিন রয়েসয়ে খেলা লিটন দাস দিনের দ্বিতীয় ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে মারেন হ্যাটট্রিক বাউন্ডারি। খানিক বাদে পঞ্চাশ পূর্ণ হয় মুশফিকের। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে রান বের করেছেন। বাজে বল পেলেই কেবল শট খেলেছেন। তবে লিটন ছিলেন তুলনামূলক আগ্রাসী, যার খেসারত দিতে হয় শেষ পর্যন্ত ৩৩ রানে আউট হয়ে।
এরপর টি-টোয়েন্টি মেজাজে একটি করে চার ও ছক্কা মেরে বিদায় নেন মেহেদি হাসান মিরাজও। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ছোট জুটি গড়েন মুশফিক, যার ইতি টানেন মোহাম্মদ আব্বাস। ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তাইজুল (১৭ রান)।
লাঞ্চের আগ পর্যন্ত ইবাদতকে নিয়ে বাকি সময়টা নিরাপদেই কাটান মুশফিক। তবে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশের জন্য এখন ৪৫০ রান করাটাও কঠিন হয়ে গেছে। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ থাকায় মুশফিকের ইনিংস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে দুই দলের জন্যই।
দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ তাই চাইবে তার কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ব্যাটিং। আর পাকিস্তানের চাওয়া থাকবে যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশকে অলআউট করে ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসার।