চরচা প্রতিবেদক

সরকার নির্বাচনী ইশতেহার এবং জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের কাছে একটি বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার, সেটি হলো বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। এ নিয়ে কারো মনে কোনো সংশয়ের কারণ নেই।”
দল-মত নির্বিশেষে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি মানুষকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে নিয়ে আসা সরকারের উদ্দেশ্য– এ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি পুলিশ সদস্যদের সবার আগে বিবেচনায় রাখতে হবে। এ জন্য তাদেরকে যেখানে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সেটি গুরুত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে হবে। তাহলেই আমরা একটি দক্ষ, গতিশীল ও পেশাদার পুলিশ প্রশাসন গড়ে তুলতে পারব।”
পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমনে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় আপনাদের রাজনৈতিক পরিচয় বা রাজনৈতিক প্রভাবের মুখোমুখি হতে হয়। আমি আজ পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, কারও রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করবেন না। যে অপরাধ করবে তাকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করবেন। আইনের প্রয়োগ সবার জন্যই সমান। আপনারা দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক, আইনসম্মত ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সরকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের সঙ্গে কোনো আপস করতে চায় না।”
এই মুহূর্তে সারা দেশের মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশ সরাসরি ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “আপনারা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে পালনে সক্ষমতার পরিচয় দিলে বর্তমান সরকারও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে একধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। আমাদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও সক্ষমতা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারলে আমরা সফল হবো।”
প্রযুক্তির কারণে অপরাধের ধরন বেড়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু অপরাধের ধরন পরিবর্তন হয়েছে,ফলে পুলিশ প্রশাসনের কার্যক্রমের পরিধিও ব্যাপক ও বিস্তৃত হয়েছে। সুতরাং, বর্তমানে পুলিশি কার্যক্রম এখন আর কয়েকদশক আগের মতো শহর নগর কিংবা জেলার মধ্যে সীমবদ্ধ নয়।”

সরকার নির্বাচনী ইশতেহার এবং জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের কাছে একটি বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার, সেটি হলো বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। এ নিয়ে কারো মনে কোনো সংশয়ের কারণ নেই।”
দল-মত নির্বিশেষে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি মানুষকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে নিয়ে আসা সরকারের উদ্দেশ্য– এ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি পুলিশ সদস্যদের সবার আগে বিবেচনায় রাখতে হবে। এ জন্য তাদেরকে যেখানে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সেটি গুরুত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে হবে। তাহলেই আমরা একটি দক্ষ, গতিশীল ও পেশাদার পুলিশ প্রশাসন গড়ে তুলতে পারব।”
পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমনে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় আপনাদের রাজনৈতিক পরিচয় বা রাজনৈতিক প্রভাবের মুখোমুখি হতে হয়। আমি আজ পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, কারও রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করবেন না। যে অপরাধ করবে তাকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করবেন। আইনের প্রয়োগ সবার জন্যই সমান। আপনারা দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক, আইনসম্মত ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সরকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের সঙ্গে কোনো আপস করতে চায় না।”
এই মুহূর্তে সারা দেশের মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশ সরাসরি ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “আপনারা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে পালনে সক্ষমতার পরিচয় দিলে বর্তমান সরকারও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে একধাপ এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। আমাদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও সক্ষমতা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারলে আমরা সফল হবো।”
প্রযুক্তির কারণে অপরাধের ধরন বেড়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু অপরাধের ধরন পরিবর্তন হয়েছে,ফলে পুলিশ প্রশাসনের কার্যক্রমের পরিধিও ব্যাপক ও বিস্তৃত হয়েছে। সুতরাং, বর্তমানে পুলিশি কার্যক্রম এখন আর কয়েকদশক আগের মতো শহর নগর কিংবা জেলার মধ্যে সীমবদ্ধ নয়।”