চরচা ডেস্ক

স্কুল শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বৈশ্বিক ‘সেফগার্ডিং টুলকিট’ চালু করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। ইউনিসেফের সহায়তায় তৈরি এই টুলকিট বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ২০৭টি পার্টনার স্কুলে বাস্তবায়ন করা হবে, যার মাধ্যমে অন্তত ৫০ হাজার শিক্ষার্থী সরাসরি উপকৃত হবে। গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন হয়রানি, সহপাঠীদের সহিংসতা, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে হয়রানির ঝুঁকি বাড়ছে। এসব জটিল ও অনেক সময় অদৃশ্য ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যেই এই টুলকিট চালু হয়েছে।
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ১৫ কোটি শিক্ষার্থী স্কুল বা তার আশপাশে সহিংসতার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া প্রতি তিনজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর একজন শিশু হওয়ায় অনলাইন শোষণ ও প্রতারণার ঝুঁকিও বেড়েছে।
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করতে পারে না বরং একটি সুসংগঠিত ও স্বচ্ছ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রয়োজন। এই টুলকিট স্কুলের সুরক্ষা নীতিকে দৈনন্দিন অভ্যাসে রূপ দিতে সহায়তা করবে।
টুলকিটটি স্কুলগুলোকে অনলাইন গ্রুমিং, সাইবার হয়রানি, প্রতারণা এবং এআই দিয়ে তৈরি আপত্তিকর ছবি বা ভিডিওর মতো ঝুঁকি মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা দেবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী সুরক্ষা ও প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।
বিশ্বজুড়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ২ হাজার ৫০০টির বেশি সহযোগী স্কুলে এটি চালু হবে, যার মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী সুরক্ষার আওতায় আসবে।

স্কুল শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বৈশ্বিক ‘সেফগার্ডিং টুলকিট’ চালু করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। ইউনিসেফের সহায়তায় তৈরি এই টুলকিট বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ২০৭টি পার্টনার স্কুলে বাস্তবায়ন করা হবে, যার মাধ্যমে অন্তত ৫০ হাজার শিক্ষার্থী সরাসরি উপকৃত হবে। গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন হয়রানি, সহপাঠীদের সহিংসতা, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে হয়রানির ঝুঁকি বাড়ছে। এসব জটিল ও অনেক সময় অদৃশ্য ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যেই এই টুলকিট চালু হয়েছে।
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ১৫ কোটি শিক্ষার্থী স্কুল বা তার আশপাশে সহিংসতার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া প্রতি তিনজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর একজন শিশু হওয়ায় অনলাইন শোষণ ও প্রতারণার ঝুঁকিও বেড়েছে।
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করতে পারে না বরং একটি সুসংগঠিত ও স্বচ্ছ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রয়োজন। এই টুলকিট স্কুলের সুরক্ষা নীতিকে দৈনন্দিন অভ্যাসে রূপ দিতে সহায়তা করবে।
টুলকিটটি স্কুলগুলোকে অনলাইন গ্রুমিং, সাইবার হয়রানি, প্রতারণা এবং এআই দিয়ে তৈরি আপত্তিকর ছবি বা ভিডিওর মতো ঝুঁকি মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা দেবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী সুরক্ষা ও প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।
বিশ্বজুড়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ২ হাজার ৫০০টির বেশি সহযোগী স্কুলে এটি চালু হবে, যার মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী সুরক্ষার আওতায় আসবে।