চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান বিরোধ নিয়ে কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানই তার অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত ক্যাপিটল ভবনের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস চেম্বারে স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে এ কথা বলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ। প্রথা অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের যৌথ অধিবেশনে তিনি এ ভাষণ প্রদান করছেন।
প্রায় এক ঘণ্টার এ দীর্ঘ ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি, অভিবাসন নীতি ও ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে আলোকপাত করছেন।
ইরান প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশটিতে গত বছর পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামারের’ উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প বলেন, ওই অভিযানের পর ইরানের ভবিষ্যতে অস্ত্র কর্মসূচি পুনর্গঠনের কোনো চেষ্টা না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। তবুও তারা তা অব্যাহত রেখেছে এবং এই মুহূর্তেও তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মার্কিন হামলা এড়াতে ইরান একটি চুক্তি করতে আগ্রহী। তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার এখনো দেয়নি তারা।
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, “কূটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করাই আমার অগ্রাধিকার। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, বিশ্বের এক নম্বর ‘সন্ত্রাস-পৃষ্ঠপোষক’ রাষ্ট্রকে আমি কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেব না।”
আল জাজিরা বলছে, তবে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন চেষ্টার অভিযোগ বারবার অস্বীকার করছেন ইরানি কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইরান কোনো পরিস্থিতিতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।”

ইরানের সঙ্গে চলমান বিরোধ নিয়ে কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানই তার অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত ক্যাপিটল ভবনের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস চেম্বারে স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে এ কথা বলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ। প্রথা অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের যৌথ অধিবেশনে তিনি এ ভাষণ প্রদান করছেন।
প্রায় এক ঘণ্টার এ দীর্ঘ ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি, অভিবাসন নীতি ও ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে আলোকপাত করছেন।
ইরান প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশটিতে গত বছর পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামারের’ উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প বলেন, ওই অভিযানের পর ইরানের ভবিষ্যতে অস্ত্র কর্মসূচি পুনর্গঠনের কোনো চেষ্টা না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। তবুও তারা তা অব্যাহত রেখেছে এবং এই মুহূর্তেও তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মার্কিন হামলা এড়াতে ইরান একটি চুক্তি করতে আগ্রহী। তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার এখনো দেয়নি তারা।
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, “কূটনীতির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করাই আমার অগ্রাধিকার। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, বিশ্বের এক নম্বর ‘সন্ত্রাস-পৃষ্ঠপোষক’ রাষ্ট্রকে আমি কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেব না।”
আল জাজিরা বলছে, তবে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন চেষ্টার অভিযোগ বারবার অস্বীকার করছেন ইরানি কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “ইরান কোনো পরিস্থিতিতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।”