চরচা ডেস্ক

আপনার আশপাশে কারা থাকে? কাছে-দূরের স্বজন, বন্ধু ও শত্রু। আরও কে বা কারা থাকে জানেন? ‘ফ্রেনেমি’। ভাবছেন, এটি আবার কী? খায় না মাথায় দেয়? ফ্রেন্ড শুনেছি, এনিমি শুনেছে। ফ্রেনেমি কোত্থেকে এল? ওই ‘ফ্রেন্ড’ ও ‘এনিমি’ মিলেই হয় ফ্রেনেমি। বোঝা গেল না? বুঝিয়ে বলি, ফ্রেন্ড আর এনিমি শব্দ দুটি মিলেই হয়েছে ফ্রেনেমি। ঠিক বন্ধুরূপী শত্রু নয়—আপনার বন্ধু কিন্তু মনে মনে আপনাকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে যে, সে-ই ফ্রেনেমি। ফ্রেনেমিরা বন্ধুর মতোই আপনার সঙ্গে থাকবে, কিন্তু আপনার ভালো সে দেখতে পারে না; জ্বলে, মনে মনে জ্বলে।
সরাসরি হয়তো আপনাকে কিছু বলবে না, কিন্তু ইনিয়ে-বিনিয়ে আপনার অর্জনকে, আপনার উন্নতিকে সে খাটো করার চেষ্টা করবে। ধরুন- আপনি একটি পুরস্কার পেলেন, ফ্রেনেমি আপনাকে গোমড়ামুখে হয়তো অভিনন্দনও জানাবে। পাশাপাশি প্রচার করতে শুরু করল, এটি বিতর্কিত পুরস্কার অথবা বলল, পুরস্কারটির খুব বেশি গুরুত্ব নেই। আপনি একটি গাড়ি কিনলেন, সে বলল, সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্ম নিলে গাড়ি কেন—বাড়িও কেনা সহজ।
ফ্রেনেমি বেশি দেখা যায় বিনোদন জগতে। সেখানে মুখে মুখে প্রশংসা হয়, কিন্তু আড়ালে চলে বদনাম, অন্যের কাজ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা।
ফ্রেনেমি চেনা মোটেও সহজ ব্যাপার নয়। কারণ, তাদের আসল আচরণ সুন্দর মুখোশে ঢাকা থাকে। বোঝার উপায় নেই। খুঁজতে গিয়ে উল্টো আপনার মনে হবে, ‘আমি কি অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ হয়ে যাচ্ছি?’ আবার কখনও কখনও সত্যটা মেনে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। বন্ধু এমন কাজ করতে পারে বিশ্বাসই হয় না।
তারপরও ফ্রেনেমিদের চিনে নিতে হয়। যাতে তাদের কাছ থেকে দূরে থাকা যায়। দূরে থাকলে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, মোটাদাগে ফ্রেনেমি ৩ ধরনের হয়। প্রতিযোগিতাপ্রবণ ফ্রেনেমি, দ্বিমুখী ফ্রেনেমি এবং কৌশলী ফ্রেনেমি।
প্রতিযোগিতাপ্রবণ ফ্রেনেমি আপনার সঙ্গে প্রকাশ্যে বা আড়ালে প্রতিযোগিতা করতে থাকে। আপনি গাড়ি কিনলে সেও কিনবে বা কিনতে চাইবে। দ্বিমুখী ফ্রেনেমি বন্ধুর মতো থাকে কিন্তু সুযোগ পেলেই বিশ্বাসঘাকতা করে বসে। আর কৌশলী ফ্রেনেমিরা আপনাকে সামাজিকভাবে একঘরে করতে চাইবে, আপনাকে নিয়ে গুজব ছড়াবে। অফিসের ফ্রেনেমিরা এসব কৌশল বেশি অবলম্বন করে।

আপনার আশপাশে কারা থাকে? কাছে-দূরের স্বজন, বন্ধু ও শত্রু। আরও কে বা কারা থাকে জানেন? ‘ফ্রেনেমি’। ভাবছেন, এটি আবার কী? খায় না মাথায় দেয়? ফ্রেন্ড শুনেছি, এনিমি শুনেছে। ফ্রেনেমি কোত্থেকে এল? ওই ‘ফ্রেন্ড’ ও ‘এনিমি’ মিলেই হয় ফ্রেনেমি। বোঝা গেল না? বুঝিয়ে বলি, ফ্রেন্ড আর এনিমি শব্দ দুটি মিলেই হয়েছে ফ্রেনেমি। ঠিক বন্ধুরূপী শত্রু নয়—আপনার বন্ধু কিন্তু মনে মনে আপনাকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে যে, সে-ই ফ্রেনেমি। ফ্রেনেমিরা বন্ধুর মতোই আপনার সঙ্গে থাকবে, কিন্তু আপনার ভালো সে দেখতে পারে না; জ্বলে, মনে মনে জ্বলে।
সরাসরি হয়তো আপনাকে কিছু বলবে না, কিন্তু ইনিয়ে-বিনিয়ে আপনার অর্জনকে, আপনার উন্নতিকে সে খাটো করার চেষ্টা করবে। ধরুন- আপনি একটি পুরস্কার পেলেন, ফ্রেনেমি আপনাকে গোমড়ামুখে হয়তো অভিনন্দনও জানাবে। পাশাপাশি প্রচার করতে শুরু করল, এটি বিতর্কিত পুরস্কার অথবা বলল, পুরস্কারটির খুব বেশি গুরুত্ব নেই। আপনি একটি গাড়ি কিনলেন, সে বলল, সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্ম নিলে গাড়ি কেন—বাড়িও কেনা সহজ।
ফ্রেনেমি বেশি দেখা যায় বিনোদন জগতে। সেখানে মুখে মুখে প্রশংসা হয়, কিন্তু আড়ালে চলে বদনাম, অন্যের কাজ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা।
ফ্রেনেমি চেনা মোটেও সহজ ব্যাপার নয়। কারণ, তাদের আসল আচরণ সুন্দর মুখোশে ঢাকা থাকে। বোঝার উপায় নেই। খুঁজতে গিয়ে উল্টো আপনার মনে হবে, ‘আমি কি অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ হয়ে যাচ্ছি?’ আবার কখনও কখনও সত্যটা মেনে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। বন্ধু এমন কাজ করতে পারে বিশ্বাসই হয় না।
তারপরও ফ্রেনেমিদের চিনে নিতে হয়। যাতে তাদের কাছ থেকে দূরে থাকা যায়। দূরে থাকলে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, মোটাদাগে ফ্রেনেমি ৩ ধরনের হয়। প্রতিযোগিতাপ্রবণ ফ্রেনেমি, দ্বিমুখী ফ্রেনেমি এবং কৌশলী ফ্রেনেমি।
প্রতিযোগিতাপ্রবণ ফ্রেনেমি আপনার সঙ্গে প্রকাশ্যে বা আড়ালে প্রতিযোগিতা করতে থাকে। আপনি গাড়ি কিনলে সেও কিনবে বা কিনতে চাইবে। দ্বিমুখী ফ্রেনেমি বন্ধুর মতো থাকে কিন্তু সুযোগ পেলেই বিশ্বাসঘাকতা করে বসে। আর কৌশলী ফ্রেনেমিরা আপনাকে সামাজিকভাবে একঘরে করতে চাইবে, আপনাকে নিয়ে গুজব ছড়াবে। অফিসের ফ্রেনেমিরা এসব কৌশল বেশি অবলম্বন করে।