চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীতে চলাচলরত বৈধ ২ লাখ ৪১ হাজার নিবন্ধিত রিকশাকে ব্যাটারিচালিত হিসেবে অনুমোদন ও আধুনিকায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ রিকশা-ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান মালিক ফেডারেশন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতাকর্মী, রিকশা মালিক ও শ্রমিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে মালিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. লুৎফর রহমান বলেন, “ঢাকা শহরে দীর্ঘদিন ধরে বৈধ লাইসেন্সধারী রিকশাগুলো নগর পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা না থাকায় বর্তমানে বৈধ ও অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা একই সংকটে পড়েছে। এতে করে একদিকে যেমন মালিক ও চালকরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে নগর পরিবহন ব্যবস্থায়ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।”
উদ্বেগ প্রকাশ করে লুৎফর রহমান জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার বৈধ রিকশা রয়েছে। এসব রিকশাকে নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় ব্যাটারি সংযোগ দিয়ে আধুনিকায়ন করা হলে চালকদের আয় বাড়বে এবং যাত্রীসেবাও সহজ হবে।
প্রশাসনের দুর্বল নজরদারির অভিযোগ তুলে লুৎফর রহমান আরও বলেন, “রাজধানীতে বিপুল সংখ্যক অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচল করছে। বিভিন্ন ওয়ার্কশপে অবৈধভাবে রিকশা তৈরি ও ব্যাটারি সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।”
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার উল্লেখ করেন, “বৈধ রিকশাগুলোকে অনুমোদন না দিয়ে শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালে লাখো শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নিবন্ধিত রিকশাগুলোকে বৈধ কাঠামোর মধ্যে এনে রুট পারমিট, প্রশিক্ষণ এবং নিরাপত্তার মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে।”
মাঠপর্যায়ে সরকারের দ্বৈতনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “একদিকে সরকার ব্যাটারিচালিত যান নিয়ন্ত্রণের কথা বলছে, অন্যদিকে বাজারে অবাধে যন্ত্রাংশ ও ব্যাটারি বিক্রি হচ্ছে। ফলে মাঠপর্যায়ে দ্বৈতনীতি তৈরি হয়েছে। এতে বৈধ মালিকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।”
মানববন্ধন থেকে ঢাকার প্রবেশপথগুলো দিয়ে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রবেশ বন্ধ করা, বৈধ মালিকদের ট্রেড লাইসেন্স প্রদান এবং নির্ধারিত চার্জিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। সেই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈধ ২ লাখ ৪১ হাজার রিকশাকে ব্যাটারিচালিত হিসেবে স্বীকৃতি ও নিবন্ধনের আওতায় না আনা হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

রাজধানীতে চলাচলরত বৈধ ২ লাখ ৪১ হাজার নিবন্ধিত রিকশাকে ব্যাটারিচালিত হিসেবে অনুমোদন ও আধুনিকায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ রিকশা-ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান মালিক ফেডারেশন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতাকর্মী, রিকশা মালিক ও শ্রমিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে মালিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. লুৎফর রহমান বলেন, “ঢাকা শহরে দীর্ঘদিন ধরে বৈধ লাইসেন্সধারী রিকশাগুলো নগর পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা না থাকায় বর্তমানে বৈধ ও অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা একই সংকটে পড়েছে। এতে করে একদিকে যেমন মালিক ও চালকরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে নগর পরিবহন ব্যবস্থায়ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।”
উদ্বেগ প্রকাশ করে লুৎফর রহমান জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার বৈধ রিকশা রয়েছে। এসব রিকশাকে নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় ব্যাটারি সংযোগ দিয়ে আধুনিকায়ন করা হলে চালকদের আয় বাড়বে এবং যাত্রীসেবাও সহজ হবে।
প্রশাসনের দুর্বল নজরদারির অভিযোগ তুলে লুৎফর রহমান আরও বলেন, “রাজধানীতে বিপুল সংখ্যক অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচল করছে। বিভিন্ন ওয়ার্কশপে অবৈধভাবে রিকশা তৈরি ও ব্যাটারি সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।”
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার উল্লেখ করেন, “বৈধ রিকশাগুলোকে অনুমোদন না দিয়ে শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালে লাখো শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নিবন্ধিত রিকশাগুলোকে বৈধ কাঠামোর মধ্যে এনে রুট পারমিট, প্রশিক্ষণ এবং নিরাপত্তার মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে।”
মাঠপর্যায়ে সরকারের দ্বৈতনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “একদিকে সরকার ব্যাটারিচালিত যান নিয়ন্ত্রণের কথা বলছে, অন্যদিকে বাজারে অবাধে যন্ত্রাংশ ও ব্যাটারি বিক্রি হচ্ছে। ফলে মাঠপর্যায়ে দ্বৈতনীতি তৈরি হয়েছে। এতে বৈধ মালিকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।”
মানববন্ধন থেকে ঢাকার প্রবেশপথগুলো দিয়ে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রবেশ বন্ধ করা, বৈধ মালিকদের ট্রেড লাইসেন্স প্রদান এবং নির্ধারিত চার্জিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। সেই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈধ ২ লাখ ৪১ হাজার রিকশাকে ব্যাটারিচালিত হিসেবে স্বীকৃতি ও নিবন্ধনের আওতায় না আনা হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।