চরচা ডেস্ক

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টিতে একটি মহাকাশযান যন্ত্রাংশ তৈরির (অ্যারোস্পেস) কারখানায় ভয়াবহ রাসায়নিক দুর্ঘটনার আশঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই ঘোষণা দেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
গার্ডেন গ্রোভ এলাকার ওই কারখানায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাজ করছে বিভিন্ন জরুরি সংস্থা।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জিকেএন অ্যারোস্পেস নামের ওই কারখানার একটি ট্যাংকে থাকা প্রায় ৫-৭ হাজার গ্যালন ‘মিথাইল মেথাক্রাইলেট’ নামক বিপজ্জনক শিল্প-রাসায়নিক অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর ফলে সেখান থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে শুরু করেছে।
গভর্নর নিউসম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও যেকোনো মুহূর্তে ট্যাংকটির ‘মারাত্মক বিস্ফোরণ বা বিপর্যয়’ ঘটতে পারে। আর এমনটি হলে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চারদিকে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়বে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় প্রশাসনের একার পক্ষে এত বড় মাত্রার দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব নয় বলেই রাজ্য পর্যায়ে এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে ‘ক্যালিফোর্নিয়া ন্যাশনাল গার্ড’ (সেনাবাহিনী) মোতায়েন করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই গত শুক্রবার ওই এলাকার ৪৪ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের বেশ কয়েকটি স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রধান সড়কগুলোর কিছু অংশ পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টিতে একটি মহাকাশযান যন্ত্রাংশ তৈরির (অ্যারোস্পেস) কারখানায় ভয়াবহ রাসায়নিক দুর্ঘটনার আশঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই ঘোষণা দেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
গার্ডেন গ্রোভ এলাকার ওই কারখানায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাজ করছে বিভিন্ন জরুরি সংস্থা।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জিকেএন অ্যারোস্পেস নামের ওই কারখানার একটি ট্যাংকে থাকা প্রায় ৫-৭ হাজার গ্যালন ‘মিথাইল মেথাক্রাইলেট’ নামক বিপজ্জনক শিল্প-রাসায়নিক অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর ফলে সেখান থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে শুরু করেছে।
গভর্নর নিউসম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও যেকোনো মুহূর্তে ট্যাংকটির ‘মারাত্মক বিস্ফোরণ বা বিপর্যয়’ ঘটতে পারে। আর এমনটি হলে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চারদিকে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়বে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় প্রশাসনের একার পক্ষে এত বড় মাত্রার দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব নয় বলেই রাজ্য পর্যায়ে এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে ‘ক্যালিফোর্নিয়া ন্যাশনাল গার্ড’ (সেনাবাহিনী) মোতায়েন করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই গত শুক্রবার ওই এলাকার ৪৪ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের বেশ কয়েকটি স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রধান সড়কগুলোর কিছু অংশ পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।