চরচা ডেস্ক

আগের রাতে কিলিয়ান এমবাপ্পে আর আর্লিং হালান্ড জোড়া গোল করেছেন। ৪১ বছর বয়সে এসে তাদের সঙ্গে লড়াইয়ের ব্যাপারে বৈরাগ্য পেয়ে বসতেই পারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসিকে সব স্পটলাইট কেড়ে নিতে দেখার পরও রোনালদো এমন নিশ্চুপ দর্শক!
রোনালদোর এমন ৯০ মিনিটজুড়ে দর্শক থাকার দিনে র্যাঙ্কিংয়ে ৪৩তম কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের হতাশা নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করেছে পর্তুগাল।
ম্যাচে গোল করা তো দূরের ব্যাপার, রোনালদো ৯০ মিনিটে শটই নিতে পেরেছেন ৩টি। তার মধ্যে একটিও পোস্টে রাখতে পারেননি। ওই তিন শটের মধ্যে আবার একটা এমন ছিল, যেটিতে বল যাচ্ছিল ব্রুনো ফের্নান্দেসের দিকে, ফের্নান্দেস অপেক্ষাকৃত ভালো পজিশনেও ছিলেন। কিন্তু রোনালদো আগ বাড়িয়ে শট নিয়ে সুযোগ নষ্ট করেছেন।
একটা ড্রিবলও সম্পন্ন করতে পারেননি রোনালদো। ২১টা পাস দিয়েছেন, এর মধ্যে সফল পাস হয়তো ১৯টি – তবে এই ১৯টির মধ্যে সামনের দিকে পাস মাত্র ৩টি, বাকি ১৬টিই ব্যাকপাস! প্রতিপক্ষ বক্সে বলে স্পর্শই করতে পেরেছেন মাত্র ৫ বার!
নাহ, বয়সটা আসলেই পা জোড়ায় বেড়ি পরাতে শুরু করেছে!
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কঙ্গোর বিপক্ষে ওই বয়সেরই যা রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো! ৪১ বছর ১৩২ দিন বয়সে মাঠে নামতেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলকিপার ভিন্ন খেলোয়াড়দের মধ্যে (আউটফিল্ড প্লেয়ার) সবচেয়ে বেশি বয়সে খেলার রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন। কিন্তু মেসির সমান ষষ্ঠ বিশ্বকাপে নেমে ছয়টি বিশ্বকাপেই গোল করা প্রথম খেলোয়াড় বনে যাওয়ার রেকর্ডটা আজ অন্তত গড়া হলো না রোনালদোর।

পর্তুগাল কোচ রবের্তো মার্তিনেস অবশ্য দলকে কী কৌশলে সাজালেন, সেটাও একটা প্রশ্ন বটে। নেমেছেন ৪-২-৩-১ ছকে রোনালদোর পাশে কোনো দৌড়ানোর মতো স্ট্রাইকার না রেখে। তুলনায় ৫-৩-২ ছকে নামা কঙ্গো রক্ষণাত্মক খেলে সুযোগ পেলে পাল্টা আক্রমণে উঠেছে, পর্তুগালকে ভুগিয়েছে।
৬ মিনিটে জোয়াও নেভেসের গোলে এগিয়ে যাওয়া পর্তুগালকে বিরতির আগে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েই সমতায় নামিয়ে আনে ইওয়ান উইসার গোল। এর আগে ১৯৭৪ সালে জায়ার নামে বিশ্বকাপে খেলা, বর্তমানে কঙ্গো নাম পাওয়া দেশটার বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম গোল। শেষ পর্যন্ত প্রথম পয়েন্টও এনে দিল সেই গোল।

আগের রাতে কিলিয়ান এমবাপ্পে আর আর্লিং হালান্ড জোড়া গোল করেছেন। ৪১ বছর বয়সে এসে তাদের সঙ্গে লড়াইয়ের ব্যাপারে বৈরাগ্য পেয়ে বসতেই পারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসিকে সব স্পটলাইট কেড়ে নিতে দেখার পরও রোনালদো এমন নিশ্চুপ দর্শক!
রোনালদোর এমন ৯০ মিনিটজুড়ে দর্শক থাকার দিনে র্যাঙ্কিংয়ে ৪৩তম কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের হতাশা নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করেছে পর্তুগাল।
ম্যাচে গোল করা তো দূরের ব্যাপার, রোনালদো ৯০ মিনিটে শটই নিতে পেরেছেন ৩টি। তার মধ্যে একটিও পোস্টে রাখতে পারেননি। ওই তিন শটের মধ্যে আবার একটা এমন ছিল, যেটিতে বল যাচ্ছিল ব্রুনো ফের্নান্দেসের দিকে, ফের্নান্দেস অপেক্ষাকৃত ভালো পজিশনেও ছিলেন। কিন্তু রোনালদো আগ বাড়িয়ে শট নিয়ে সুযোগ নষ্ট করেছেন।
একটা ড্রিবলও সম্পন্ন করতে পারেননি রোনালদো। ২১টা পাস দিয়েছেন, এর মধ্যে সফল পাস হয়তো ১৯টি – তবে এই ১৯টির মধ্যে সামনের দিকে পাস মাত্র ৩টি, বাকি ১৬টিই ব্যাকপাস! প্রতিপক্ষ বক্সে বলে স্পর্শই করতে পেরেছেন মাত্র ৫ বার!
নাহ, বয়সটা আসলেই পা জোড়ায় বেড়ি পরাতে শুরু করেছে!
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কঙ্গোর বিপক্ষে ওই বয়সেরই যা রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো! ৪১ বছর ১৩২ দিন বয়সে মাঠে নামতেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলকিপার ভিন্ন খেলোয়াড়দের মধ্যে (আউটফিল্ড প্লেয়ার) সবচেয়ে বেশি বয়সে খেলার রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন। কিন্তু মেসির সমান ষষ্ঠ বিশ্বকাপে নেমে ছয়টি বিশ্বকাপেই গোল করা প্রথম খেলোয়াড় বনে যাওয়ার রেকর্ডটা আজ অন্তত গড়া হলো না রোনালদোর।

পর্তুগাল কোচ রবের্তো মার্তিনেস অবশ্য দলকে কী কৌশলে সাজালেন, সেটাও একটা প্রশ্ন বটে। নেমেছেন ৪-২-৩-১ ছকে রোনালদোর পাশে কোনো দৌড়ানোর মতো স্ট্রাইকার না রেখে। তুলনায় ৫-৩-২ ছকে নামা কঙ্গো রক্ষণাত্মক খেলে সুযোগ পেলে পাল্টা আক্রমণে উঠেছে, পর্তুগালকে ভুগিয়েছে।
৬ মিনিটে জোয়াও নেভেসের গোলে এগিয়ে যাওয়া পর্তুগালকে বিরতির আগে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েই সমতায় নামিয়ে আনে ইওয়ান উইসার গোল। এর আগে ১৯৭৪ সালে জায়ার নামে বিশ্বকাপে খেলা, বর্তমানে কঙ্গো নাম পাওয়া দেশটার বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম গোল। শেষ পর্যন্ত প্রথম পয়েন্টও এনে দিল সেই গোল।