চরচা প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি ফেরাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উদ্যোগে বিশেষ নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরের পর থেকে রাজধানীর ৮২টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একযোগে এই ‘মোবিলাইজেশন ড্রিল’ পরিচালনা করা হয়।
হঠাৎ রাজধানীর সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে বলা হচ্ছে— ‘হঠাৎ এত পুলিশ কেন?’, ‘নিরাপত্তার কোনো হুমকি আছে কি না’! এমন প্রশ্ন করছেন তারা।
তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের হুমকি নেই। এটি পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশের প্রস্তুতি যাচাই করতেই এই বিশেষ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে রাজধানীর ৮২টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই মহড়া পরিচালিত হয়। প্রতিটি টিমে ৩-৪ প্লাটুন পুলিশ সদস্য অংশ নেন। দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের উপস্থিতি বাড়াতে এ ধরণের মহড়া প্রায়ই পরিচালনা করা হবে।
বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় ডিএমপির রমনা বিভাগের পুলিশ। এসময় রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এবং ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম কর্মসূচি তদারকি করেন।
একই সময়ে ফার্মগেট এলাকায় ব্যাপক পুলিশ সদস্য নিয়ে মহড়া করতে দেখা যায় তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজানকে। ‘এটা আমাদের নিয়মিত ওয়ার্ক’ উল্লেখ্য করে ডিসি ইবনে মিজান বলেন, “এটা আমাদের নিয়মিত ওয়ার্ক। প্রতিদিনই ডিএমপির প্রতিটি থানা এলাকায় পুলিশি টহল, চেকপোস্ট ও রাউন্ডওয়ার্ক চলে। তবে নির্দিষ্ট সময় পরপর অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মোবিলাইজেশন ড্রিল পরিচালনা করা হয়।”
তিনি বলেন, “এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো জনসাধারণের কাছে পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিত করা। যাতে মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে এবং অপরাধ দমনে পুলিশ যে সর্বদা প্রস্তুত—সে বার্তাটি স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়।”
পুলিশ জানায়, মহড়ার অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন তল্লাশি ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শ্যামলী স্কয়ার, মতিঝিল, পল্টন, রামপুরা, গুলশান, বিমানবন্দর এলাকা, উত্তরা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি মহড়া চোখে পড়ে। ‘ঢাকা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত—এটাই বার্তা’ জানিয়ে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মইনুল হক বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানী জুড়ে মোবিলাইজেশন ড্রিল পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ড্রিলের উদ্দেশ্য হলো—যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকা মহানগর পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত, সেটি নগরবাসীর সামনে তুলে ধরা।”

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি ফেরাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উদ্যোগে বিশেষ নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরের পর থেকে রাজধানীর ৮২টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একযোগে এই ‘মোবিলাইজেশন ড্রিল’ পরিচালনা করা হয়।
হঠাৎ রাজধানীর সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে বলা হচ্ছে— ‘হঠাৎ এত পুলিশ কেন?’, ‘নিরাপত্তার কোনো হুমকি আছে কি না’! এমন প্রশ্ন করছেন তারা।
তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের হুমকি নেই। এটি পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশের প্রস্তুতি যাচাই করতেই এই বিশেষ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে রাজধানীর ৮২টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই মহড়া পরিচালিত হয়। প্রতিটি টিমে ৩-৪ প্লাটুন পুলিশ সদস্য অংশ নেন। দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের উপস্থিতি বাড়াতে এ ধরণের মহড়া প্রায়ই পরিচালনা করা হবে।
বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় ডিএমপির রমনা বিভাগের পুলিশ। এসময় রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এবং ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম কর্মসূচি তদারকি করেন।
একই সময়ে ফার্মগেট এলাকায় ব্যাপক পুলিশ সদস্য নিয়ে মহড়া করতে দেখা যায় তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজানকে। ‘এটা আমাদের নিয়মিত ওয়ার্ক’ উল্লেখ্য করে ডিসি ইবনে মিজান বলেন, “এটা আমাদের নিয়মিত ওয়ার্ক। প্রতিদিনই ডিএমপির প্রতিটি থানা এলাকায় পুলিশি টহল, চেকপোস্ট ও রাউন্ডওয়ার্ক চলে। তবে নির্দিষ্ট সময় পরপর অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মোবিলাইজেশন ড্রিল পরিচালনা করা হয়।”
তিনি বলেন, “এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো জনসাধারণের কাছে পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিত করা। যাতে মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে এবং অপরাধ দমনে পুলিশ যে সর্বদা প্রস্তুত—সে বার্তাটি স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়।”
পুলিশ জানায়, মহড়ার অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন তল্লাশি ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শ্যামলী স্কয়ার, মতিঝিল, পল্টন, রামপুরা, গুলশান, বিমানবন্দর এলাকা, উত্তরা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি মহড়া চোখে পড়ে। ‘ঢাকা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত—এটাই বার্তা’ জানিয়ে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মইনুল হক বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানী জুড়ে মোবিলাইজেশন ড্রিল পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ড্রিলের উদ্দেশ্য হলো—যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকা মহানগর পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত, সেটি নগরবাসীর সামনে তুলে ধরা।”