ফজলে রাব্বি

নছিমন বেওয়া। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নুরজাহান রোডের বেঙ্গল মিডিয়াম হাই স্কুল থেকে হাসিমুখে ভোট দিয়ে বের হয়েছেন। দুপুরের পর কেন্দ্রে যাওয়ার পরও তার ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেয়নি, তিনি নিজেই ভোট দিয়েছেন। এতে খুব খুশি নছিমন। জানালেন, সুন্দরভাবে দুইটা ভোটই দিয়েছেন। একটা সাদা কাগজে মার্কার পাশে। আরেকটা গোলাপী কাগজে। গোলাপী কাগজে কী বিষয়ে ভোট দিয়েছেন জানতে চাইলে তার সোজাসাপ্টা উত্তর, “আমি পড়তে পারি না তাই জানি না কী লেখা ছিল গোলাপী কাগজে।” তারপরও সিল দিয়েছেন। তিনি বলেন, “অবু ১০, ২০, ৩০ করে ভোট দিয়েছি।”
বেঙ্গলি মিডিয়াম স্কুল ছাড়াও ধানমন্ডি, রায়েরবাজার, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরেবাংলানগর, মিরপুর ১৩ তে অন্তত ত্রিশটি ভোটকেন্দ্রের শ’ খানেক ভোটারের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাদের মধ্যে স্বল্প শিক্ষিত কিংবা নিরক্ষর প্রায় সবাই গণভোটে সিল দিয়েছেন না বুঝে কিংবা অন্যের কথায়।
শিক্ষিত তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী ভোটারদের অনুযোগ ছিল, চার প্রশ্নের একটি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উত্তরের ব্যবস্থা রাখা নিয়ে।
সোবহানবাগের বাসিন্দা আল্লামা আল রাজী পুরো পরিবার ও বন্ধু-স্বজন মিলে একসাথে ১৬ জন ভোট দিতে এসেছিলেন ধানমন্ডি গভর্মেন্ট বয়েজ হাই স্কুলে। চরচার সাথে কথায় তাদের মধ্যে কয়েকজন বললেন, এভাবে প্রশ্ন করে সংবিধান পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য নয়। রাজী বলেন, “আমি এসেছি ‘না’ ভোট দিতে।”
পাল্টা প্রশ্নে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার কথা তুলতেই, চরচা প্রতিবেদককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “৯০ এর আন্দোলনে আমি রাজপথে মিছিল করেছি। ২০২৪ এ আমার সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। ও নিয়মিত মিছিলে গেছে। আমিও গেছি। ৫ আগস্টের আগে কোথাও, কোনো সভায়, সেমিনারে, আন্দোলনের স্লোগানে সংবিধান বদলে ফেলার দাবি উঠেছে? নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার চেয়েছি। তত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছি। মোট কথা আমরা গণতন্ত্রের নামে একনায়কতান্ত্রিক শাসনের পতন চেয়েছি।”
পাশে থাকা তার বন্ধু শাহেদ আলম বলেন, “সবাইকে বেকুব ভাবার প্রবণতা রাস্ট্রে কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে এখনো আগের মতোই বিদ্যমান।”
রায়েরবাজারের ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া বলেন, “প্রশ্ন যদি চারটা হয়, আমরা চারটা সিলই না হয় মারতাম।
মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বের হয়ে নিলুফার তালহা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “ভেতরে যারা আছেন, বিএনপি জামায়াতসহ অন্য দল এবং সরকারের সবাই তো ‘হ্যাঁ পক্ষের পোলিং এজেন্ট। ‘না’ ভোটের রক্ষক কিংবা পোলিং এজেন্ট কই?”
বৃহস্পতিবার সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। এতে প্রশ্ন ছিলো-
“আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?
ক. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।”
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহন শুরু হয়ে একটানা বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। রাজধানীর ১৩টি সংসদীয় আসনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ভোট হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়েই ভোট শুরু ও শেষ হয়। অধিকাংশ কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক। কোথাও বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি, তবে কয়েকটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন উত্তেজনা, এজেন্টদের অভিযোগ এবং ধীরগতির ভোটগ্রহণের খবর পাওয়া যায়।
ঢাকা-১০ আসনে কয়েকটি কেন্দ্রে ধীরগতির ভোট ও এজেন্টদের অভিযোগের খবর পাওয়া গেলেও বড় ধরনের সহিংসতা ঘটেনি। ঢাকা-১৩ আসনে শুরুতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটারের সংখ্যাও বাড়ে।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান লড়েছেন, ঢাকা ১৫ ও ঢাকা ১৭ আসনে। ঢাকা ১৫ তে নির্বাচনের আগে উত্তেজনা থাকলেও ভোটের দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। বিচ্ছিন্ন অভিযোগ উঠলেও ভোটগ্রহণ স্থগিতের মতো ঘটনা ঘটেনি।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরদার উপস্থিতি ছিল। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি ও মোবাইল টিম মোতায়েন করা হয়। নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি বেশ কয়েকটি আসনে লক্ষণীয় ছিল।
কিছু আসনে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও দুপুরের পর তা বাড়ে। ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে ব্যালট গণনার প্রস্তুতি, আর প্রার্থীরা ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন।

নছিমন বেওয়া। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নুরজাহান রোডের বেঙ্গল মিডিয়াম হাই স্কুল থেকে হাসিমুখে ভোট দিয়ে বের হয়েছেন। দুপুরের পর কেন্দ্রে যাওয়ার পরও তার ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেয়নি, তিনি নিজেই ভোট দিয়েছেন। এতে খুব খুশি নছিমন। জানালেন, সুন্দরভাবে দুইটা ভোটই দিয়েছেন। একটা সাদা কাগজে মার্কার পাশে। আরেকটা গোলাপী কাগজে। গোলাপী কাগজে কী বিষয়ে ভোট দিয়েছেন জানতে চাইলে তার সোজাসাপ্টা উত্তর, “আমি পড়তে পারি না তাই জানি না কী লেখা ছিল গোলাপী কাগজে।” তারপরও সিল দিয়েছেন। তিনি বলেন, “অবু ১০, ২০, ৩০ করে ভোট দিয়েছি।”
বেঙ্গলি মিডিয়াম স্কুল ছাড়াও ধানমন্ডি, রায়েরবাজার, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরেবাংলানগর, মিরপুর ১৩ তে অন্তত ত্রিশটি ভোটকেন্দ্রের শ’ খানেক ভোটারের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাদের মধ্যে স্বল্প শিক্ষিত কিংবা নিরক্ষর প্রায় সবাই গণভোটে সিল দিয়েছেন না বুঝে কিংবা অন্যের কথায়।
শিক্ষিত তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী ভোটারদের অনুযোগ ছিল, চার প্রশ্নের একটি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উত্তরের ব্যবস্থা রাখা নিয়ে।
সোবহানবাগের বাসিন্দা আল্লামা আল রাজী পুরো পরিবার ও বন্ধু-স্বজন মিলে একসাথে ১৬ জন ভোট দিতে এসেছিলেন ধানমন্ডি গভর্মেন্ট বয়েজ হাই স্কুলে। চরচার সাথে কথায় তাদের মধ্যে কয়েকজন বললেন, এভাবে প্রশ্ন করে সংবিধান পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য নয়। রাজী বলেন, “আমি এসেছি ‘না’ ভোট দিতে।”
পাল্টা প্রশ্নে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার কথা তুলতেই, চরচা প্রতিবেদককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “৯০ এর আন্দোলনে আমি রাজপথে মিছিল করেছি। ২০২৪ এ আমার সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। ও নিয়মিত মিছিলে গেছে। আমিও গেছি। ৫ আগস্টের আগে কোথাও, কোনো সভায়, সেমিনারে, আন্দোলনের স্লোগানে সংবিধান বদলে ফেলার দাবি উঠেছে? নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার চেয়েছি। তত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছি। মোট কথা আমরা গণতন্ত্রের নামে একনায়কতান্ত্রিক শাসনের পতন চেয়েছি।”
পাশে থাকা তার বন্ধু শাহেদ আলম বলেন, “সবাইকে বেকুব ভাবার প্রবণতা রাস্ট্রে কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে এখনো আগের মতোই বিদ্যমান।”
রায়েরবাজারের ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া বলেন, “প্রশ্ন যদি চারটা হয়, আমরা চারটা সিলই না হয় মারতাম।
মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বের হয়ে নিলুফার তালহা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “ভেতরে যারা আছেন, বিএনপি জামায়াতসহ অন্য দল এবং সরকারের সবাই তো ‘হ্যাঁ পক্ষের পোলিং এজেন্ট। ‘না’ ভোটের রক্ষক কিংবা পোলিং এজেন্ট কই?”
বৃহস্পতিবার সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। এতে প্রশ্ন ছিলো-
“আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?
ক. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।”
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহন শুরু হয়ে একটানা বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। রাজধানীর ১৩টি সংসদীয় আসনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ভোট হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়েই ভোট শুরু ও শেষ হয়। অধিকাংশ কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক। কোথাও বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি, তবে কয়েকটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন উত্তেজনা, এজেন্টদের অভিযোগ এবং ধীরগতির ভোটগ্রহণের খবর পাওয়া যায়।
ঢাকা-১০ আসনে কয়েকটি কেন্দ্রে ধীরগতির ভোট ও এজেন্টদের অভিযোগের খবর পাওয়া গেলেও বড় ধরনের সহিংসতা ঘটেনি। ঢাকা-১৩ আসনে শুরুতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটারের সংখ্যাও বাড়ে।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান লড়েছেন, ঢাকা ১৫ ও ঢাকা ১৭ আসনে। ঢাকা ১৫ তে নির্বাচনের আগে উত্তেজনা থাকলেও ভোটের দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। বিচ্ছিন্ন অভিযোগ উঠলেও ভোটগ্রহণ স্থগিতের মতো ঘটনা ঘটেনি।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরদার উপস্থিতি ছিল। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি ও মোবাইল টিম মোতায়েন করা হয়। নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি বেশ কয়েকটি আসনে লক্ষণীয় ছিল।
কিছু আসনে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও দুপুরের পর তা বাড়ে। ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে ব্যালট গণনার প্রস্তুতি, আর প্রার্থীরা ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন।