Advertisement Banner

বাংলাদেশকে বন্যার তথ্য দেওয়া অব্যাহত রেখেছে ভারত

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
বাংলাদেশকে বন্যার তথ্য দেওয়া অব্যাহত রেখেছে ভারত
বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে একটি অর্থবহ এবং পারস্পরিক আদান-প্রদানমূলক সম্পর্কের আশায় অনড় রয়েছে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে বন্যা পূর্বাভাস ও তথ্য বিনিময়ে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) সর্তকতা জারি করেছে। এই সংকটের সময় বাংলাদেশকে রিয়েল টাইম বন্যা-সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করছে ভারত।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

রোববার এক সতর্কবার্তায় এফএফডব্লিউসি জানিয়েছে, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নিম্নাঞ্চলে আগামী ২৪-৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। ভারী মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে প্রধান নদ-নদীর পানির উচ্চতা বাড়তে থাকায় এ সতর্কতা জারি করা হয়।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা চলছে। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ বিভিন্ন নদীর পানির উচ্চতা, নিষ্কাশন হার, বৃষ্টিপাতের ধরন এবং পূর্বাভাসের তথ্য বাংলাদেশকে সরবরাহ করে আসছে ভারত।

এসব তথ্য ব্যবহার করে নদীর অবস্থা মূল্যায়ন, সময়মতো সতর্কতা জারি এবং প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশকে বন্যা-সংক্রান্ত বাস্তবসম্মত তথ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। এর মাধ্যমে বন্যা পূর্বাভাস উন্নত করতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের জনগণকে আগাম সতর্ক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে নয়াদিল্লি।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিবেচনায় ২০২২ সালে বাংলাদেশ ও ভারত বার্ষিক বন্যার তথ্য আদান-প্রদানের মেয়াদে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে এই সময়সীমা ছিল ১ মে থেকে ১৫ অক্টোবর।

২০২৩ সালে আরও এক ধাপ এগিয়ে ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্যা পূর্বাভাস শেয়ার শুরু করেন। এতে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের পাশাপাশি দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হচ্ছে এবং বিলম্ব অনেকাংশে কমেছে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর আবহাওয়া বিভাগও (আইএমডি) আবহাওয়া ও বন্যা পূর্বাভাস দেয়। এসব তথ্য উজানের অবস্থা বোঝার পাশাপাশি জরুরি প্রস্তুতি ও সাড়াদানে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

সম্পর্কিত