
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশের উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে (মেঘালয়) ১০৯ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে চট্টগ্রামে (২০৩ মিমি)।

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতে ফের বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীর পানি। নীলফামারীর ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে নদীটির পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলগুলোতে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এফএফডব্লিউসি জানায়, চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সিলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান বলেন, ‘‘জলবায়ুগত কারণে বাংলাদেশে জুলাই ও আগস্ট মাসে সব সময়ই বন্যার ঝুঁকি থাকে। এ সময়ে দেশের প্রধান নদীগুলোর অববাহিকা ও উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়, যা দেশে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।’’

ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে বন্যা পূর্বাভাস ও তথ্য বিনিময়ে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) সর্তকতা জারি করেছে। এই সংকটের সময় বাংলাদেশকে রিয়েল টাইম বন্যা-সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করছে ভারত।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪৫ থেকে ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির যে গুজব ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে মশিউর রহমান বলেন, “বাস্তবে এমন কোনো আশঙ্কা নেই। বরং বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির কারণে তাপমাত্রা কমে আসার সম্ভাবনাই বেশি।”

ঢাকার উত্তরখান এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এমন এক বাড়ি যা বন্যা হলে ভেসে থাকবে, খাদ্যও উৎপাদন করবে। এমন একটি বাড়ি করতে আকার ভেদে খরচ হবে ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা।