চরচা ডেস্ক

প্রথম ম্যাচটাতে তারা মরক্কোর সঙ্গে ড্র করেছে। অন্যদিকে গায়ে জ্বালা বাড়িয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার জয়। লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারানো আর্জেন্টিনার উদ্যাপন দেখে গোল করার জন্য বুঝি হাত নিশপিশ করছিল ব্রাজিলের!
অফসাইডে দুটি গোল বাতিল না হলে আর ফিনিশিং আরেকটু ভালো হলে ব্রাজিলের গোলসংখ্যা আজ আধডজন হতো। তা না হোক, ফিলাডেলফিয়ায় বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিল দেখাল, অন্তত গোল করার দিক থেকে আর্জেন্টিনার চেয়ে তারা কম না!
মাতেউস কুনিয়ার জোড়া গোল আর দারুণ খেলা ভিনিসিয়ুসের এক গোলে হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। এই জয়ে বড় সুবিধাটা হলো, গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে ব্রাজিল।
যা গোল প্রথমার্ধেই করেছে ব্রাজিল। ২৩ মিনিটে মাতেউস কুনিয়াকে দিয়ে শুরু, ৩৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটিও কুনিয়ার। বিরতির আগে যোগ করা সময়ে ভিনিসিয়ুস করেছেন তৃতীয় গোল।
প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ভোগানো হাইতিকে আজ আর খুঁজে পাওয়া গেল না। ম্যাচের প্রথম মিনিট দশেকই যা কিছুটা গুছিয়ে খেলেছে হাইতি। উল্টোদিকে ব্রাজিল গোল পাওয়ার আগ পর্যন্তই যা নড়বড়ে ছিল। গোলের পর যত সময় গড়িয়েছে, ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রণ তত বেড়েছে।
১২ মিনিটে রাফিনিয়ার একটা গোল বাতিল হলো অফসাইডে। ২২ মিনিটে গোলকিপারকে একা পেয়েও অবিশ্বাস্য মিস রাফিনিয়ার, চিপ করলেও বল জালে জড়াতে পারেননি। তখনো ব্রাজিলকে ঠিক দাপুটে মনে হয়নি।
২৩ মিনিটে প্রথম গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল। গোলটি অবশ্য কুনিয়া করেছেন কি না, তা নিয়ে প্রথমে সংশয় ছিল। বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে ভিনিসিয়ুস শট নিলেও সেটা ঠেকিয়ে দেন হাইতি গোলকিপার জনি প্লাসিদে। ফিরতি বলে পা ছোঁয়াতে ঝাঁপিয়ে পড়েন কুনিয়া আর হাইতির এক ডিফেন্ডার। বল ঠিক কার পায়ে লেগে জালে ঢুকেছে, তা নিয়ে সংশয় ছিল। পরে ভিডিওতে দেখে নিশ্চিত হওয়া গেল, কুনিয়ার পায়েই লেগেছে।
১৩ মিনিট পর কুনিয়া ও ব্রাজিলের দ্বিতীয় গোলটিতে অবশ্য কোনো সংশয়ের অবকাশই নেই। ভিনিসিয়ুসের থ্রু ধরে বাঁ পায়ের জোরাল শটে বল জালে পাঠালেন কুনিয়া। মনে হলো, ব্রাজিল নড়েচড়ে বসেছে।
এর মধ্যেই অবশ্য একটা ধাক্কা খেয়েছে ব্রাজিল। পায়ের মাংসপেশিতে চোট নিয়ে ৪০ মিনিটে মাঠ ছেড়ে যান রাফিনিয়া, তার জায়গায় নামানো হয় বোর্নমাউথের ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার রায়ানকে। তবে বদলিটা সতর্কতাবশত বলেই মনে হয়েছে, ব্রাজিলের ছন্দেও তা আর বাধা হতে পারেনি।

বিরতির আগে ছয় মিনিট যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে প্রথমার্ধের সবচেয়ে দারুণ গোলটা করেছে ব্রাজিল। মিডফিল্ড থেকে পাকেতার বাতাসে ভাসানো দারুণ থ্রু পাস গেল, অনেকটা ওপরে উঠে যাওয়া হাইতি রক্ষণের রেখাকে ভেদ করে যাওয়া থ্রু-টা ভিনিসিয়ুসের জন্য ফাঁকা জায়গায় দৌড়ানোর সুযোগ করে দিল। ভিনির আর কী লাগে!
দৌড়ে উঠে বক্সে ঢুকে গেলেন বল নিয়ে। এরপরের দৃশ্যটা আপনি রিয়াল মাদ্রিদে দেখে দেখে অভ্যস্ত। এগিয়ে আসা গোলকিপারের পায়ের ফাঁক গলে বল জালে জড়িয়ে দিলেন ভিনিসিয়ুস।
দ্বিতীয়ার্ধে এনদ্রিককে নামিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সে মুহূর্তটাতেই সম্ভবত ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়াম দ্বিতীয়ার্ধে সবচেয়ে বেশি জোর আওয়াজ তুলল। এর বাইরে বলার মতো মুহূর্ত কমই এসেছে। ব্রাজিলকে দ্বিতীয়ার্ধে দেখে মনে হয়েছে, প্রথমার্ধে যা করার করে ফেলায় বিরতির পর তারা শক্তি সঞ্চয়ে মনোযোগ দিয়েছে।

প্রথম ম্যাচটাতে তারা মরক্কোর সঙ্গে ড্র করেছে। অন্যদিকে গায়ে জ্বালা বাড়িয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার জয়। লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারানো আর্জেন্টিনার উদ্যাপন দেখে গোল করার জন্য বুঝি হাত নিশপিশ করছিল ব্রাজিলের!
অফসাইডে দুটি গোল বাতিল না হলে আর ফিনিশিং আরেকটু ভালো হলে ব্রাজিলের গোলসংখ্যা আজ আধডজন হতো। তা না হোক, ফিলাডেলফিয়ায় বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিল দেখাল, অন্তত গোল করার দিক থেকে আর্জেন্টিনার চেয়ে তারা কম না!
মাতেউস কুনিয়ার জোড়া গোল আর দারুণ খেলা ভিনিসিয়ুসের এক গোলে হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। এই জয়ে বড় সুবিধাটা হলো, গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে ব্রাজিল।
যা গোল প্রথমার্ধেই করেছে ব্রাজিল। ২৩ মিনিটে মাতেউস কুনিয়াকে দিয়ে শুরু, ৩৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটিও কুনিয়ার। বিরতির আগে যোগ করা সময়ে ভিনিসিয়ুস করেছেন তৃতীয় গোল।
প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ভোগানো হাইতিকে আজ আর খুঁজে পাওয়া গেল না। ম্যাচের প্রথম মিনিট দশেকই যা কিছুটা গুছিয়ে খেলেছে হাইতি। উল্টোদিকে ব্রাজিল গোল পাওয়ার আগ পর্যন্তই যা নড়বড়ে ছিল। গোলের পর যত সময় গড়িয়েছে, ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রণ তত বেড়েছে।
১২ মিনিটে রাফিনিয়ার একটা গোল বাতিল হলো অফসাইডে। ২২ মিনিটে গোলকিপারকে একা পেয়েও অবিশ্বাস্য মিস রাফিনিয়ার, চিপ করলেও বল জালে জড়াতে পারেননি। তখনো ব্রাজিলকে ঠিক দাপুটে মনে হয়নি।
২৩ মিনিটে প্রথম গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল। গোলটি অবশ্য কুনিয়া করেছেন কি না, তা নিয়ে প্রথমে সংশয় ছিল। বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে ভিনিসিয়ুস শট নিলেও সেটা ঠেকিয়ে দেন হাইতি গোলকিপার জনি প্লাসিদে। ফিরতি বলে পা ছোঁয়াতে ঝাঁপিয়ে পড়েন কুনিয়া আর হাইতির এক ডিফেন্ডার। বল ঠিক কার পায়ে লেগে জালে ঢুকেছে, তা নিয়ে সংশয় ছিল। পরে ভিডিওতে দেখে নিশ্চিত হওয়া গেল, কুনিয়ার পায়েই লেগেছে।
১৩ মিনিট পর কুনিয়া ও ব্রাজিলের দ্বিতীয় গোলটিতে অবশ্য কোনো সংশয়ের অবকাশই নেই। ভিনিসিয়ুসের থ্রু ধরে বাঁ পায়ের জোরাল শটে বল জালে পাঠালেন কুনিয়া। মনে হলো, ব্রাজিল নড়েচড়ে বসেছে।
এর মধ্যেই অবশ্য একটা ধাক্কা খেয়েছে ব্রাজিল। পায়ের মাংসপেশিতে চোট নিয়ে ৪০ মিনিটে মাঠ ছেড়ে যান রাফিনিয়া, তার জায়গায় নামানো হয় বোর্নমাউথের ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার রায়ানকে। তবে বদলিটা সতর্কতাবশত বলেই মনে হয়েছে, ব্রাজিলের ছন্দেও তা আর বাধা হতে পারেনি।

বিরতির আগে ছয় মিনিট যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে প্রথমার্ধের সবচেয়ে দারুণ গোলটা করেছে ব্রাজিল। মিডফিল্ড থেকে পাকেতার বাতাসে ভাসানো দারুণ থ্রু পাস গেল, অনেকটা ওপরে উঠে যাওয়া হাইতি রক্ষণের রেখাকে ভেদ করে যাওয়া থ্রু-টা ভিনিসিয়ুসের জন্য ফাঁকা জায়গায় দৌড়ানোর সুযোগ করে দিল। ভিনির আর কী লাগে!
দৌড়ে উঠে বক্সে ঢুকে গেলেন বল নিয়ে। এরপরের দৃশ্যটা আপনি রিয়াল মাদ্রিদে দেখে দেখে অভ্যস্ত। এগিয়ে আসা গোলকিপারের পায়ের ফাঁক গলে বল জালে জড়িয়ে দিলেন ভিনিসিয়ুস।
দ্বিতীয়ার্ধে এনদ্রিককে নামিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সে মুহূর্তটাতেই সম্ভবত ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়াম দ্বিতীয়ার্ধে সবচেয়ে বেশি জোর আওয়াজ তুলল। এর বাইরে বলার মতো মুহূর্ত কমই এসেছে। ব্রাজিলকে দ্বিতীয়ার্ধে দেখে মনে হয়েছে, প্রথমার্ধে যা করার করে ফেলায় বিরতির পর তারা শক্তি সঞ্চয়ে মনোযোগ দিয়েছে।