চরচা প্রতিবেদক

ব্যাটসম্যানদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার পর বোলারদের হাতে ‘মার খাওয়ার’ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়। ২০০৯ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজের মুত্তিয়া মুরালিধরনের সেই ব্যাটিং এখনো ভোলার নয়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঠিক সেটাই মনে করিয়ে দিলেন জাভিয়ের বার্টলেট। একশ রানের আগেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ছড়ি ঘোরালেন এই পেসার। বৃষ্টির দাপটের আগে তাতে একটা লড়াই করার মতো মোটামুটি একটা স্কোরই পেয়ে গেল সফরকারীরা।
অথচ মিরপুরে বাংলাদেশ বল হাতে যেভাবে গর্জন করেছিল, তাতে অস্ট্রেলিয়ার জন্য ১৫০ রান করাই ছিল দুরূহ ব্যাপার। সেই চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে সামলে ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান করেছে জস ইংলিসের দল। আর বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের টার্গেট ৪১ ওভারে ১৯২ রান।
প্রথম ম্যাচে নাহিদ রানার ৪ উইকেটের আড়ালে চলে গিয়েছিল তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং। তবে সেদিনও ওপেনিং স্পেলে তারা ছিলেন ছন্দময়। এই ম্যাচে তারা সেই কাজটা করেন আরও চমৎকারভাবে।
টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ম্যাথু শর্টকে (০) বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম ওভারের সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই জোড়া আঘাতে অস্ট্রেলিয়াকে বিপর্যস্ত করে ফেলেন মুস্তাফিজুর। কুপার কনোলিকে গোল্ডেন ডাকের তিক্ত অভিজ্ঞতা উপহার দেন প্রথমে। একই ওভারে প্রমোশন পেয়ে চারে নামা ম্যাট রেনশকেও কিপারের হাতে ক্যাচে ফেরান বাঁহাতি এই পেসার।
অস্ট্রেলিয়ার স্কোর তখন শূন্য রানে ৩ উইকেট। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এটা দেশটির ইতিহাসেই প্রথম। এই ফরম্যাটে শূন্য রানে তিন উইকেট হারানোর ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে।
সেই ১৯৭২ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। সংখ্যার হিসেবে এটি তাদের ১০২৪তম ম্যাচ। অর্থাৎ তারা হাজারের বেশি ম্যাচ খেলেছে সেই কিংবদন্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল থেকে শুরু করে আরও অনেক শক্তিশালী দলের বিপক্ষেই। কিন্তু এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে বোর্ডে রান জমা হওয়ার আগেই তিন উইকেট হারানোর বিরল ঘটনার সাক্ষী হলো তারা।
মুস্তাফিজুর ও তানভীর ইসলাম মিলে এরপর এক পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর বানিয়ে ফেলেছিলেন ৬ উইকেটে ৮১। সেখান থেকে তাদের চেপে ধরার বদলে উল্টো রক্ষণাত্মক বোলিং করে যায় বাংলাদেশ। বিস্ময়ের জন্ম দিয়ে আগের ম্যাচসেরা মোসাদ্দেক হোসেনকে ৪০ ওভারের আগে আক্রমণেই আনেননি অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।
অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়া নাহিদ মার্নাশ লাবুশেন ও বার্টলেট জুটির সামনে সুবিধা করতে পারেননি। মিরাজ নিজেও করেন সাদামাটা বোলিং। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৪৫ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি। লাবুশেন ধীরলয়ে ব্যাটিং করে ১৭ ম্যাচ পর দেখা পান ওয়ানডেতে অর্ধশতকের। জমে ওঠা জুটিতে হয় শতকের অংশীদারত্ব।
অস্ট্রেলিয়ার চোখ যখন ২৫০ রানের দিকে, তখনই ফিরতি স্পেলে এসে বিপজ্জনক বার্টলেটকে (৫২) থামান তাসকিন। পরের বলেই অ্যাডাম জাম্পাকে আউট করে জাগিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও। এরপরই বেরসিক বৃষ্টির বাধায় থেমে যায় খেলা।

ব্যাটসম্যানদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার পর বোলারদের হাতে ‘মার খাওয়ার’ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়। ২০০৯ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজের মুত্তিয়া মুরালিধরনের সেই ব্যাটিং এখনো ভোলার নয়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঠিক সেটাই মনে করিয়ে দিলেন জাভিয়ের বার্টলেট। একশ রানের আগেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ছড়ি ঘোরালেন এই পেসার। বৃষ্টির দাপটের আগে তাতে একটা লড়াই করার মতো মোটামুটি একটা স্কোরই পেয়ে গেল সফরকারীরা।
অথচ মিরপুরে বাংলাদেশ বল হাতে যেভাবে গর্জন করেছিল, তাতে অস্ট্রেলিয়ার জন্য ১৫০ রান করাই ছিল দুরূহ ব্যাপার। সেই চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে সামলে ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান করেছে জস ইংলিসের দল। আর বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের টার্গেট ৪১ ওভারে ১৯২ রান।
প্রথম ম্যাচে নাহিদ রানার ৪ উইকেটের আড়ালে চলে গিয়েছিল তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং। তবে সেদিনও ওপেনিং স্পেলে তারা ছিলেন ছন্দময়। এই ম্যাচে তারা সেই কাজটা করেন আরও চমৎকারভাবে।
টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ম্যাথু শর্টকে (০) বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম ওভারের সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই জোড়া আঘাতে অস্ট্রেলিয়াকে বিপর্যস্ত করে ফেলেন মুস্তাফিজুর। কুপার কনোলিকে গোল্ডেন ডাকের তিক্ত অভিজ্ঞতা উপহার দেন প্রথমে। একই ওভারে প্রমোশন পেয়ে চারে নামা ম্যাট রেনশকেও কিপারের হাতে ক্যাচে ফেরান বাঁহাতি এই পেসার।
অস্ট্রেলিয়ার স্কোর তখন শূন্য রানে ৩ উইকেট। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এটা দেশটির ইতিহাসেই প্রথম। এই ফরম্যাটে শূন্য রানে তিন উইকেট হারানোর ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে।
সেই ১৯৭২ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। সংখ্যার হিসেবে এটি তাদের ১০২৪তম ম্যাচ। অর্থাৎ তারা হাজারের বেশি ম্যাচ খেলেছে সেই কিংবদন্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল থেকে শুরু করে আরও অনেক শক্তিশালী দলের বিপক্ষেই। কিন্তু এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে বোর্ডে রান জমা হওয়ার আগেই তিন উইকেট হারানোর বিরল ঘটনার সাক্ষী হলো তারা।
মুস্তাফিজুর ও তানভীর ইসলাম মিলে এরপর এক পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর বানিয়ে ফেলেছিলেন ৬ উইকেটে ৮১। সেখান থেকে তাদের চেপে ধরার বদলে উল্টো রক্ষণাত্মক বোলিং করে যায় বাংলাদেশ। বিস্ময়ের জন্ম দিয়ে আগের ম্যাচসেরা মোসাদ্দেক হোসেনকে ৪০ ওভারের আগে আক্রমণেই আনেননি অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।
অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়া নাহিদ মার্নাশ লাবুশেন ও বার্টলেট জুটির সামনে সুবিধা করতে পারেননি। মিরাজ নিজেও করেন সাদামাটা বোলিং। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৪৫ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি। লাবুশেন ধীরলয়ে ব্যাটিং করে ১৭ ম্যাচ পর দেখা পান ওয়ানডেতে অর্ধশতকের। জমে ওঠা জুটিতে হয় শতকের অংশীদারত্ব।
অস্ট্রেলিয়ার চোখ যখন ২৫০ রানের দিকে, তখনই ফিরতি স্পেলে এসে বিপজ্জনক বার্টলেটকে (৫২) থামান তাসকিন। পরের বলেই অ্যাডাম জাম্পাকে আউট করে জাগিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও। এরপরই বেরসিক বৃষ্টির বাধায় থেমে যায় খেলা।