চরচা প্রতিবেদক

গোটা টেস্টে ব্যাট-বলের দ্বৈরথ হয়েছে সমানে সমান। দুই দলের কয়েকজন ক্রিকেটার উপহার দিয়েছেন স্মরণীয় পারফরম্যান্স। তবে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ধস নামিয়ে পাদপ্রদীপের আলোয় চলে এসেছেন নাহিদ রানা। সেই প্রক্রিয়ায় অবিশ্বাস্য এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। তরুণ এই পেসার যেভাবে নিজের রিভার্স সুইং স্কিলের উন্নতি করছেন, তাতে মুগ্ধ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনও। সামনেও তাই নাহিদকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
মিরপুর টেস্টে নিজের দ্বিতীয় স্পেলে চার উইকেট নেন নাহিদ, যেখানে দ্বিতীয় শিকার ছিলেন রিজওয়ান। অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে পিচ করা ডেলিভারিটি ছেড়ে দিয়ে বোল্ড হন তিনি। রিজওয়ানের মতো এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নাজমুলও।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,“রানার বল ওভাবে যে ভেতরে আসবে, এটা আমি আর লিটন পিছনে দাঁড়িয়ে আলোচনা করছিলাম যে আমরা এটা আশা করিনি। এটা খুবই ইতিবাচক যে ও এখন রিভার্স সুইং করাতেও শিখছে। তাসকিন, ইবাদত, শরিফুলরা এটা নিয়মিত করে। রানার এই শেখাটা দলের জন্য দারুণ ব্যাপার।”
এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ছন্দে ছিলেন না নাহিদ। রানও দেন বেশ। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের দ্বিতীয় স্পেলে চার উইকেট নিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট, যা বাংলাদেশকে এনে দেয় ১০৪ রানের জয়। তবে দুই ইনিংসেই দারুণ বোলিং করেছেন আরেক পেসার তাসকিনও।
নাজমুলের আলাদা প্রশংসা পেয়েছেন তিনিও। “নাহিদের কথা বলার আগে আমি তাসকিনের কথা বলতে চাই। আসলে তাসকিনই কিন্তু শুরুটা এনে দিয়েছিল। চা-বিরতির পর ও যেভাবে বোলিং করেছে, ওই চার-পাঁচ ওভারের স্পেলটাই ম্যাচের মোমেন্টাম আমাদের দিকে নিয়ে এসেছে।”
তাসকিন ভালো করলেও নাহিদের কারণেই আলোচনা তাকে নিয়ে তুলনামূলক কম হচ্ছে। গতিময় বোলিংয়ের সঙ্গে বাউন্সার ও সুইংয়ের মিশেলে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের দারুণ চাপে রেখেছেন তিনি।
নাহিদের ক্রমাগত উন্নতি করার চেষ্টাটা মনে ধরেছে নাজমুলের। “নাহিদের ব্যাপারে আমরা জানি, সে কতটা স্পেশাল এবং কত জোরে বল করতে পারে। সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, গতির সঙ্গে ওর স্কিলও ধীরে ধীরে উন্নতি করছে। আমি নাহিদের স্পেল অনেক উপভোগ করেছি। প্রতিপক্ষ যেভাবে ভয় পাচ্ছিল, এটা দেখতে ভালোই লেগেছে। সে যেভাবে দলের জন্য অবদান রাখছে, তাতে আমি খুবই খুশি। আমাদের চাওয়া থাকবে, সে যেন নিয়মিত এভাবেই দলের জন্য পারফর্ম করে।”

গোটা টেস্টে ব্যাট-বলের দ্বৈরথ হয়েছে সমানে সমান। দুই দলের কয়েকজন ক্রিকেটার উপহার দিয়েছেন স্মরণীয় পারফরম্যান্স। তবে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ধস নামিয়ে পাদপ্রদীপের আলোয় চলে এসেছেন নাহিদ রানা। সেই প্রক্রিয়ায় অবিশ্বাস্য এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। তরুণ এই পেসার যেভাবে নিজের রিভার্স সুইং স্কিলের উন্নতি করছেন, তাতে মুগ্ধ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনও। সামনেও তাই নাহিদকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
মিরপুর টেস্টে নিজের দ্বিতীয় স্পেলে চার উইকেট নেন নাহিদ, যেখানে দ্বিতীয় শিকার ছিলেন রিজওয়ান। অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে পিচ করা ডেলিভারিটি ছেড়ে দিয়ে বোল্ড হন তিনি। রিজওয়ানের মতো এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নাজমুলও।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,“রানার বল ওভাবে যে ভেতরে আসবে, এটা আমি আর লিটন পিছনে দাঁড়িয়ে আলোচনা করছিলাম যে আমরা এটা আশা করিনি। এটা খুবই ইতিবাচক যে ও এখন রিভার্স সুইং করাতেও শিখছে। তাসকিন, ইবাদত, শরিফুলরা এটা নিয়মিত করে। রানার এই শেখাটা দলের জন্য দারুণ ব্যাপার।”
এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ছন্দে ছিলেন না নাহিদ। রানও দেন বেশ। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের দ্বিতীয় স্পেলে চার উইকেট নিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট, যা বাংলাদেশকে এনে দেয় ১০৪ রানের জয়। তবে দুই ইনিংসেই দারুণ বোলিং করেছেন আরেক পেসার তাসকিনও।
নাজমুলের আলাদা প্রশংসা পেয়েছেন তিনিও। “নাহিদের কথা বলার আগে আমি তাসকিনের কথা বলতে চাই। আসলে তাসকিনই কিন্তু শুরুটা এনে দিয়েছিল। চা-বিরতির পর ও যেভাবে বোলিং করেছে, ওই চার-পাঁচ ওভারের স্পেলটাই ম্যাচের মোমেন্টাম আমাদের দিকে নিয়ে এসেছে।”
তাসকিন ভালো করলেও নাহিদের কারণেই আলোচনা তাকে নিয়ে তুলনামূলক কম হচ্ছে। গতিময় বোলিংয়ের সঙ্গে বাউন্সার ও সুইংয়ের মিশেলে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের দারুণ চাপে রেখেছেন তিনি।
নাহিদের ক্রমাগত উন্নতি করার চেষ্টাটা মনে ধরেছে নাজমুলের। “নাহিদের ব্যাপারে আমরা জানি, সে কতটা স্পেশাল এবং কত জোরে বল করতে পারে। সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, গতির সঙ্গে ওর স্কিলও ধীরে ধীরে উন্নতি করছে। আমি নাহিদের স্পেল অনেক উপভোগ করেছি। প্রতিপক্ষ যেভাবে ভয় পাচ্ছিল, এটা দেখতে ভালোই লেগেছে। সে যেভাবে দলের জন্য অবদান রাখছে, তাতে আমি খুবই খুশি। আমাদের চাওয়া থাকবে, সে যেন নিয়মিত এভাবেই দলের জন্য পারফর্ম করে।”