চরচা প্রতিবেদক

ভিসা আবেদনের জন্য জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ আর্থিক নথিতে কিউআর কোড যুক্ত করে ডিজিটালভাবে যাচাইযোগ্য করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ভিসা আবেদনকারীরা সাধারণত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেন। কিন্তু এসব নথি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় বিদেশি দূতাবাস ও ভিসা সেন্টার সমস্যায় পড়ে।
নির্দেশনায় বলা হয়, এই সমস্যা সমাধানে এখন থেকে ব্যাংকগুলোকে ভিসা সংক্রান্ত সব আর্থিক নথিতে অনলাইনে যাচাইযোগ্য কিউআর কোড যুক্ত করতে হবে। কিউআর কোড স্ক্যান করা হলে, অ্যাকাউন্ট নম্বর, অ্যাকাউন্টের নাম, রিপোর্ট তারিখের শুরু ব্যালেন্স, রিপোর্ট তারিখের শেষ ব্যালেন্স, স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এসব তথ্য অন্তত ছয় মাস অনলাইনে যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা তৈরি করে এই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষা নীতিমালা কঠোরভাবে মানতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার আওতায় এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ভিসা আবেদনের জন্য জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ আর্থিক নথিতে কিউআর কোড যুক্ত করে ডিজিটালভাবে যাচাইযোগ্য করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ভিসা আবেদনকারীরা সাধারণত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেন। কিন্তু এসব নথি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় বিদেশি দূতাবাস ও ভিসা সেন্টার সমস্যায় পড়ে।
নির্দেশনায় বলা হয়, এই সমস্যা সমাধানে এখন থেকে ব্যাংকগুলোকে ভিসা সংক্রান্ত সব আর্থিক নথিতে অনলাইনে যাচাইযোগ্য কিউআর কোড যুক্ত করতে হবে। কিউআর কোড স্ক্যান করা হলে, অ্যাকাউন্ট নম্বর, অ্যাকাউন্টের নাম, রিপোর্ট তারিখের শুরু ব্যালেন্স, রিপোর্ট তারিখের শেষ ব্যালেন্স, স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এসব তথ্য অন্তত ছয় মাস অনলাইনে যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা তৈরি করে এই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষা নীতিমালা কঠোরভাবে মানতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার আওতায় এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।