চরচা প্রতিবেদক

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (১ জুলাই–২৮ এপ্রিল) দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৯.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৪.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯.৯ শতাংশ।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মাসিক গড় প্রবাহ প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে কিছুটা স্বস্তির আভাস দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি এপ্রিলের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৯১ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২.৫০ বিলিয়ন ডলার।
এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি ১৬.২ শতাংশ। সর্বশেষ ২৮ এপ্রিল এক দিনে দেশে এসেছে ৯৬ মিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরজুড়েই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে রমজান মাসে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, “গত দুই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশ ভালো ছিল। রমজানেও প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। নীতিগত পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের আস্থাও এখানে ভূমিকা রেখেছে।”
মাহফুজ কবির বলেন, “বর্তমানে মাসে প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের মতো রেমিট্যান্স আসছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ কিছুটা কমতে পারে এবং রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হতে পারে।”
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার পেছনে বিনিময় হার ব্যবস্থাপনার পরিবর্তনকেও একটি কারণ হিসেবে দেখছেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, “বিনিময় হার বাজারভিত্তিক হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়েছে এবং হুন্ডির প্রভাব কমেছে। রেমিট্যান্স নিট বৈদেশিক আয় হিসেবে পুরোটা অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, যেখানে রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে আমদানি ব্যয়ের অংশ থাকে।”
রেমিট্যান্স বাড়লে ডলারের সরবরাহ বাড়ে, যা বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হতে পারে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে কিছুটা সুবিধা দেয়। তবে রপ্তানি আয়, আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপসহ সামগ্রিক সূচকের ওপরই বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের স্থিতি নির্ভর করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এ ধারা বজায় থাকলে অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশা করছেন।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (১ জুলাই–২৮ এপ্রিল) দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৯.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৪.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯.৯ শতাংশ।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মাসিক গড় প্রবাহ প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে কিছুটা স্বস্তির আভাস দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি এপ্রিলের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৯১ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২.৫০ বিলিয়ন ডলার।
এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি ১৬.২ শতাংশ। সর্বশেষ ২৮ এপ্রিল এক দিনে দেশে এসেছে ৯৬ মিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরজুড়েই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে রমজান মাসে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, “গত দুই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশ ভালো ছিল। রমজানেও প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। নীতিগত পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের আস্থাও এখানে ভূমিকা রেখেছে।”
মাহফুজ কবির বলেন, “বর্তমানে মাসে প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের মতো রেমিট্যান্স আসছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ কিছুটা কমতে পারে এবং রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হতে পারে।”
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার পেছনে বিনিময় হার ব্যবস্থাপনার পরিবর্তনকেও একটি কারণ হিসেবে দেখছেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, “বিনিময় হার বাজারভিত্তিক হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়েছে এবং হুন্ডির প্রভাব কমেছে। রেমিট্যান্স নিট বৈদেশিক আয় হিসেবে পুরোটা অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, যেখানে রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে আমদানি ব্যয়ের অংশ থাকে।”
রেমিট্যান্স বাড়লে ডলারের সরবরাহ বাড়ে, যা বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হতে পারে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে কিছুটা সুবিধা দেয়। তবে রপ্তানি আয়, আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপসহ সামগ্রিক সূচকের ওপরই বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের স্থিতি নির্ভর করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এ ধারা বজায় থাকলে অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশা করছেন।