চরচা প্রতিবেদক

জোর গুঞ্জন ছিল প্রথম টেস্টেই অভিষেক হওয়ার। সেটা না হলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে লাল বলের ক্রিকেটে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলছেন তানজিদ হাসান। তাকে দলে নেওয়ার মূল কারণই ইতিবাচক ব্যাটিং। শুরুটাও হয়েছিল দারুণ। প্রায় ৯০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করছিলেন। তবে সেটা আর ধরে রাখতে পারেননি। পাকিস্তানি পেসারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম সেশন শেষে তাই কিছুটা এগিয়ে সফরকারীরাই।
সিলেটে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০১ রান। ক্রিজে আছেন প্রথম টেস্টের ম্যাচসেরা নাজমুল হোসেন (২৬*) ও মুশফিকুর রহিম (১৮*)।
ফার্স্ট-ক্লাস ক্রিকেটে তানজিদের পরিসংখ্যান খুব যে সমৃদ্ধ, তা নয়। ৪৫ ইনিংসে ৪০.২৫ গড়ে করেছেন ১ হাজার ৭৯২ রান। তবে চোখে পড়ার মতো দিক তার আগ্রাসী ব্যাটিং। ৭৭.৬৭ স্ট্রাইক রেটই বলে দেয়, ইনিংসের শুরুতেই বোলারদের চাপে ফেলে দ্রুত রান বের করার কাজটা ভালোই করতে পারেন তিনি। সেই চিন্তা থেকেই সাদমান ইসলামের চোটে একাদশে জায়গা মিলেছে তানজিদের।
মোহাম্মদ আব্বাসের করা ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই বাজে শটে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাহমুদুল হাসান। সেই আব্বাসকেই কভার ড্রাইভে দারুণ এক চার মেরে কিছুটা চাপ সরান তানজিদ। এরপর এক ওভারেই মারেন দুটি চারও। তবে এরপর ইনিংসের গতিও কমে আসে। আর সেটাই শেষ পর্যন্ত বিপদ ডেকে আনে। টপ-এজ হয়ে রিটার্ন ক্যাচ দেন আব্বাসকে। টেস্টে নিজের প্রথম ইনিংসে তানজিদ করেন ২৬ রান।
অন্যপ্রান্তে ফর্মে থাকা মুমিনুল ব্যাট করছিলেন নিজের গতিতেই। তবে এবার তাকে বড় ইনিংস খেলতে দেননি খুররম শাহজাদ। ২২ রান করে ক্লিন বোল্ড হন তিনি। ৬৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশকে বিরতির আগ পর্যন্ত ৩৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এগিয়ে নিয়ে গেছেন নাজমুল ও মুশফিকুর।

জোর গুঞ্জন ছিল প্রথম টেস্টেই অভিষেক হওয়ার। সেটা না হলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে লাল বলের ক্রিকেটে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলছেন তানজিদ হাসান। তাকে দলে নেওয়ার মূল কারণই ইতিবাচক ব্যাটিং। শুরুটাও হয়েছিল দারুণ। প্রায় ৯০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করছিলেন। তবে সেটা আর ধরে রাখতে পারেননি। পাকিস্তানি পেসারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম সেশন শেষে তাই কিছুটা এগিয়ে সফরকারীরাই।
সিলেটে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০১ রান। ক্রিজে আছেন প্রথম টেস্টের ম্যাচসেরা নাজমুল হোসেন (২৬*) ও মুশফিকুর রহিম (১৮*)।
ফার্স্ট-ক্লাস ক্রিকেটে তানজিদের পরিসংখ্যান খুব যে সমৃদ্ধ, তা নয়। ৪৫ ইনিংসে ৪০.২৫ গড়ে করেছেন ১ হাজার ৭৯২ রান। তবে চোখে পড়ার মতো দিক তার আগ্রাসী ব্যাটিং। ৭৭.৬৭ স্ট্রাইক রেটই বলে দেয়, ইনিংসের শুরুতেই বোলারদের চাপে ফেলে দ্রুত রান বের করার কাজটা ভালোই করতে পারেন তিনি। সেই চিন্তা থেকেই সাদমান ইসলামের চোটে একাদশে জায়গা মিলেছে তানজিদের।
মোহাম্মদ আব্বাসের করা ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই বাজে শটে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাহমুদুল হাসান। সেই আব্বাসকেই কভার ড্রাইভে দারুণ এক চার মেরে কিছুটা চাপ সরান তানজিদ। এরপর এক ওভারেই মারেন দুটি চারও। তবে এরপর ইনিংসের গতিও কমে আসে। আর সেটাই শেষ পর্যন্ত বিপদ ডেকে আনে। টপ-এজ হয়ে রিটার্ন ক্যাচ দেন আব্বাসকে। টেস্টে নিজের প্রথম ইনিংসে তানজিদ করেন ২৬ রান।
অন্যপ্রান্তে ফর্মে থাকা মুমিনুল ব্যাট করছিলেন নিজের গতিতেই। তবে এবার তাকে বড় ইনিংস খেলতে দেননি খুররম শাহজাদ। ২২ রান করে ক্লিন বোল্ড হন তিনি। ৬৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশকে বিরতির আগ পর্যন্ত ৩৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এগিয়ে নিয়ে গেছেন নাজমুল ও মুশফিকুর।