চরচা ডেস্ক

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তিউনিশিয়ার চেয়ে ২১ ধাপ এগিয়ে সুইডেন। তবে মাঠের লড়াইয়ে এর কোনো প্রভাবই দেখা গেল না। প্রায় পুরো ম্যাচেই একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়ে বড় জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল সুইডিশরা।
মন্টেরেতে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে সোমবার সকালে তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে সুইডেন। জোড়া গোল করেছেন ইয়াসিন আয়ারি।
পজেশন বা বল দখলের হিসেবে অবশ্য এগিয়েই ছিল তিউনিশিয়া। তবে গোলের জন্য তারা শট নিতে পেরেছে মাত্র ৭টি, যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল দুটি। অন্যদিকে সুইডেন গোলের উদ্দেশে ২৩টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে ৭টি।
বিশাল এই জয়ের পাশাপাশি সুইডেনের জন্য ইতিবাচক দিক তারকা ফরোয়ার্ড আলেক্সান্ডার ইসাকের ফর্মে ফেরা। লিভারপুলে চোটজর্জর প্রথম মৌসুমে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরেই যেন চেনা ছন্দে হাজির হয়েছেন। নিজে গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন ইসাক।
বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে কোনো গোল হজম করেনি তিউনিশিয়া। তবে মূল পর্বে এসে মাত্র সাত মিনিটের মাথায় পিছিয়ে পড়ে তারা। গোলরক্ষক মুহিব শামাখ ইসাকের শট ঠেকিয়ে দিলেও বক্সের বাইরে থেকে আয়ারির নেওয়া জোরালো শট খুঁজে নেয় জালের ঠিকানা।
তিউনিসীয় বংশোদ্ভূত হলেও এই মিডফিল্ডার জাতীয় দলের জন্য বেছে নিয়েছেন জন্মভূমি সুইডেনকে। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের প্রথম গোলের দেখাও পেয়েছেন তিউনিশিয়ার বিপক্ষেই।
৩০ মিনিটের আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইডেন। পাল্টা আক্রমণে বাঁ দিক থেকে বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ইসাক। তবে বিরতির ঠিক আগে একটি গোল শোধ করে তিউনিশিয়া। হানিবাল মেজব্রির ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ওমর রেকিক।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে আর পেরে ওঠেনি দলটি। ৫৯তম মিনিটে নিজেদের ভুলে আরও একটি গোল হজম করে তারা। এলিয়েস স্কিরির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ইসাক পাস দেন ভিক্তর গিওকেরেসকে। জায়গা তৈরি করে গোল করেন আর্সেনালের এই ফরোয়ার্ড।
এরপর বদলি হিসেবে মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দলীয় চতুর্থ গোল করেন (৮৪ মিনিট) মাতিয়াস সভানবার্গ। প্রথমে অবশ্য অফসাইডের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি বল পাওয়ার আগে ইসাকের আলতো ছোঁয়ায় অনসাইড ছিলেন।
ইনজুরি সময়ে তিউনিশিয়ার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন আয়ারি। বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান তিনি। সুইডেন জাতীয় দলের হয়ে এটি ছিল তার পঞ্চম গোল।
দুর্দান্ত এই জয়ে বিশ্বকাপের শুরুতেই নিজেদের শক্তির জানান দিল সুইডেন। আর জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্টে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন ইয়াসিন আয়ারি।

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তিউনিশিয়ার চেয়ে ২১ ধাপ এগিয়ে সুইডেন। তবে মাঠের লড়াইয়ে এর কোনো প্রভাবই দেখা গেল না। প্রায় পুরো ম্যাচেই একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়ে বড় জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল সুইডিশরা।
মন্টেরেতে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে সোমবার সকালে তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে সুইডেন। জোড়া গোল করেছেন ইয়াসিন আয়ারি।
পজেশন বা বল দখলের হিসেবে অবশ্য এগিয়েই ছিল তিউনিশিয়া। তবে গোলের জন্য তারা শট নিতে পেরেছে মাত্র ৭টি, যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল দুটি। অন্যদিকে সুইডেন গোলের উদ্দেশে ২৩টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে ৭টি।
বিশাল এই জয়ের পাশাপাশি সুইডেনের জন্য ইতিবাচক দিক তারকা ফরোয়ার্ড আলেক্সান্ডার ইসাকের ফর্মে ফেরা। লিভারপুলে চোটজর্জর প্রথম মৌসুমে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরেই যেন চেনা ছন্দে হাজির হয়েছেন। নিজে গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন ইসাক।
বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে কোনো গোল হজম করেনি তিউনিশিয়া। তবে মূল পর্বে এসে মাত্র সাত মিনিটের মাথায় পিছিয়ে পড়ে তারা। গোলরক্ষক মুহিব শামাখ ইসাকের শট ঠেকিয়ে দিলেও বক্সের বাইরে থেকে আয়ারির নেওয়া জোরালো শট খুঁজে নেয় জালের ঠিকানা।
তিউনিসীয় বংশোদ্ভূত হলেও এই মিডফিল্ডার জাতীয় দলের জন্য বেছে নিয়েছেন জন্মভূমি সুইডেনকে। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের প্রথম গোলের দেখাও পেয়েছেন তিউনিশিয়ার বিপক্ষেই।
৩০ মিনিটের আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইডেন। পাল্টা আক্রমণে বাঁ দিক থেকে বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ইসাক। তবে বিরতির ঠিক আগে একটি গোল শোধ করে তিউনিশিয়া। হানিবাল মেজব্রির ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ওমর রেকিক।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে আর পেরে ওঠেনি দলটি। ৫৯তম মিনিটে নিজেদের ভুলে আরও একটি গোল হজম করে তারা। এলিয়েস স্কিরির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ইসাক পাস দেন ভিক্তর গিওকেরেসকে। জায়গা তৈরি করে গোল করেন আর্সেনালের এই ফরোয়ার্ড।
এরপর বদলি হিসেবে মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দলীয় চতুর্থ গোল করেন (৮৪ মিনিট) মাতিয়াস সভানবার্গ। প্রথমে অবশ্য অফসাইডের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি বল পাওয়ার আগে ইসাকের আলতো ছোঁয়ায় অনসাইড ছিলেন।
ইনজুরি সময়ে তিউনিশিয়ার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন আয়ারি। বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান তিনি। সুইডেন জাতীয় দলের হয়ে এটি ছিল তার পঞ্চম গোল।
দুর্দান্ত এই জয়ে বিশ্বকাপের শুরুতেই নিজেদের শক্তির জানান দিল সুইডেন। আর জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্টে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন ইয়াসিন আয়ারি।