চরচা ডেস্ক

গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার’ হিসেবে ঘোষণা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেখানে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাসহ নানা কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। ন্যাটো সদস্য দেশ ডেনমার্কের এই আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি নিয়ে ট্রাম্পের এমন অবস্থানে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস নতুন এই তথ্য জানিয়েছে। তারা বলছে, “আর্কটিক অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্ট এবং তার টিম এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতি বাস্তবায়নে বিভিন্ন পথ খুঁজছেন। কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করার বিকল্পটিও প্রেসিডেন্টের হাতে রয়েছে।”
ট্রাম্পের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় শক্তিগুলো। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্পেন এক যৌথ বিবৃতিতে ডেনমার্কের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, “গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের। এর ভবিষ্যৎ কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডই নির্ধারণ করতে পারে।”
এ ছাড়া তারা জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার নীতি মেনে চলার আহ্বান জানায়।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে কোনো ধরনের মার্কিন হামলা মানে ন্যাটো জোটের অবসান।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ক্যাপিটল হিলে এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে না। বরং ডেনমার্কের কাছ থেকে দ্বীপটি কিনে নেওয়ার বিষয়টি ভাবছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া বা চীনের মতো “অভিন্ন শত্রুদের” ক্রমবর্ধমান তৎপরতা মোকাবিলা করতেই যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপের ওপর নিয়ন্ত্রণ চায়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক কর্তৃপক্ষ দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান কেবল ডেনমার্কের সঙ্গে নয় পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে।

গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার’ হিসেবে ঘোষণা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেখানে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাসহ নানা কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। ন্যাটো সদস্য দেশ ডেনমার্কের এই আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি নিয়ে ট্রাম্পের এমন অবস্থানে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস নতুন এই তথ্য জানিয়েছে। তারা বলছে, “আর্কটিক অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্ট এবং তার টিম এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতি বাস্তবায়নে বিভিন্ন পথ খুঁজছেন। কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করার বিকল্পটিও প্রেসিডেন্টের হাতে রয়েছে।”
ট্রাম্পের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় শক্তিগুলো। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্পেন এক যৌথ বিবৃতিতে ডেনমার্কের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, “গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের। এর ভবিষ্যৎ কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডই নির্ধারণ করতে পারে।”
এ ছাড়া তারা জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার নীতি মেনে চলার আহ্বান জানায়।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে কোনো ধরনের মার্কিন হামলা মানে ন্যাটো জোটের অবসান।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ক্যাপিটল হিলে এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে না। বরং ডেনমার্কের কাছ থেকে দ্বীপটি কিনে নেওয়ার বিষয়টি ভাবছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া বা চীনের মতো “অভিন্ন শত্রুদের” ক্রমবর্ধমান তৎপরতা মোকাবিলা করতেই যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপের ওপর নিয়ন্ত্রণ চায়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক কর্তৃপক্ষ দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান কেবল ডেনমার্কের সঙ্গে নয় পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে।