চরচা প্রতিবেদক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৬ আসর খেলে ফেললেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো পারফরম্যান্স নেই নারী দলের। আসন্ন বিশ্বকাপেও কি বজায় থাকবে একই ধারা? নিগার সুলতানার স্বপ্ন অবশ্য বড় কিছুরই। ইতিহাস গড়ার প্রত্যয় নিয়েই বিশ্বমঞ্চে যাচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। অতীত পক্ষে না থাকলেও এবার ভালো ক্রিকেট উপহার দিতে চান নিগার।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান মন্দের ভালোও নয়। সব মিলিয়ে ২৫ ম্যাচে জয় মিলেছে মাত্র ৩টি। অংশগ্রহণই যেন বড় প্রাপ্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নের উত্তরে নিগার বললেন, “একটা উইনলেস রোড যাচ্ছে আমাদের। তবে আমি এটাকে বোঝা মনে করছি না। বরং ইতিহাস বদল করার একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছি।”
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যর্থতার বড় কারণ ব্যাটসম্যানদের অধারাবাহিকতা। বোলাররা কিছুটা ভালো করলেও বড় মঞ্চে তারা পারেননি সঠিক সময়ে জ্বলে উঠতে। দ্রুত রান করা বা বড় স্কোর, কোনোটিই ঠিকঠাক করতে পারেননি তারা। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডকে হারানো ম্যাচগুলোতে বোলারদের ভূমিকাই ছিল বেশি।
তবে এই বিশ্বকাপের আগে দলের প্রস্তুতিতে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিগার, “আমরা গত সিরিজের পর থেকেই কিন্তু কাজ করেছি। সেখানে আমরা কিছু ম্যাচ খেলেছি, যদিও ফল আমাদের পক্ষে আসেনি। কিন্তু সেখানে অনেক ভালো কিছু নেওয়ারও ছিল। আমাদের বোলিং বিভাগটা ভালো করছে এবং ২-৩ জন নির্দিষ্ট খেলোয়াড় আছে যারা ধারাবাহিক। আমাদের পরিকল্পনা ছিল যারা যারা ভালো করছে তাদের যেন দলে রাখা হয় এবং বিশ্বকাপে তারা যেন একই ছন্দে থাকে সেটা নিশ্চিত করা।”
ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপের ঠিক আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্কটল্যান্ডে একটি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট খেলবে বাংলাদেশ। যেখানে স্বাগতিক স্কটল্যান্ড বাদে তাদের অন্য প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। এই টুর্নামেন্টকে দলের জন্য ভালো দিক হিসেবেই দেখছেন নিগার, “স্কটল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের কন্ডিশন, আবহাওয়া ও উইকেট প্রায় একই রকম থাকে। তাই এই সিরিজটা আমাদের ইংল্যান্ডে খেলার জন্য অনেক বেশি সাহায্য করবে। যদি আমরা সিরিজটা জিততে পারি, সেটা ইতিবাচক হবে।”
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস। আগামী ১৪ জুন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবেন নিগাররা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৬ আসর খেলে ফেললেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো পারফরম্যান্স নেই নারী দলের। আসন্ন বিশ্বকাপেও কি বজায় থাকবে একই ধারা? নিগার সুলতানার স্বপ্ন অবশ্য বড় কিছুরই। ইতিহাস গড়ার প্রত্যয় নিয়েই বিশ্বমঞ্চে যাচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। অতীত পক্ষে না থাকলেও এবার ভালো ক্রিকেট উপহার দিতে চান নিগার।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান মন্দের ভালোও নয়। সব মিলিয়ে ২৫ ম্যাচে জয় মিলেছে মাত্র ৩টি। অংশগ্রহণই যেন বড় প্রাপ্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নের উত্তরে নিগার বললেন, “একটা উইনলেস রোড যাচ্ছে আমাদের। তবে আমি এটাকে বোঝা মনে করছি না। বরং ইতিহাস বদল করার একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছি।”
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যর্থতার বড় কারণ ব্যাটসম্যানদের অধারাবাহিকতা। বোলাররা কিছুটা ভালো করলেও বড় মঞ্চে তারা পারেননি সঠিক সময়ে জ্বলে উঠতে। দ্রুত রান করা বা বড় স্কোর, কোনোটিই ঠিকঠাক করতে পারেননি তারা। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডকে হারানো ম্যাচগুলোতে বোলারদের ভূমিকাই ছিল বেশি।
তবে এই বিশ্বকাপের আগে দলের প্রস্তুতিতে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিগার, “আমরা গত সিরিজের পর থেকেই কিন্তু কাজ করেছি। সেখানে আমরা কিছু ম্যাচ খেলেছি, যদিও ফল আমাদের পক্ষে আসেনি। কিন্তু সেখানে অনেক ভালো কিছু নেওয়ারও ছিল। আমাদের বোলিং বিভাগটা ভালো করছে এবং ২-৩ জন নির্দিষ্ট খেলোয়াড় আছে যারা ধারাবাহিক। আমাদের পরিকল্পনা ছিল যারা যারা ভালো করছে তাদের যেন দলে রাখা হয় এবং বিশ্বকাপে তারা যেন একই ছন্দে থাকে সেটা নিশ্চিত করা।”
ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপের ঠিক আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্কটল্যান্ডে একটি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট খেলবে বাংলাদেশ। যেখানে স্বাগতিক স্কটল্যান্ড বাদে তাদের অন্য প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। এই টুর্নামেন্টকে দলের জন্য ভালো দিক হিসেবেই দেখছেন নিগার, “স্কটল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের কন্ডিশন, আবহাওয়া ও উইকেট প্রায় একই রকম থাকে। তাই এই সিরিজটা আমাদের ইংল্যান্ডে খেলার জন্য অনেক বেশি সাহায্য করবে। যদি আমরা সিরিজটা জিততে পারি, সেটা ইতিবাচক হবে।”
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস। আগামী ১৪ জুন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবেন নিগাররা।