চরচা প্রতিবেদক

একটা ইনিংস দেখেই সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসানদের বিচার করাটা অবশ্যই অন্যায়। আগের সিরিজেই যে দুজন পেয়েছেন রানের দেখা। তবে ক্রমেই বদলে যাওয়া টেস্ট ক্রিকেটে একটি দলের দুই ওপেনারই যদি কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করেন, তাহলে বড় দলের বিপক্ষে সেটা বিপদের কারণ হতে পারে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টেও তাই হল। দুই প্রান্তেই দেখেশুনে শুরুর পর কেউই পারেননি ইনিংস লম্বা করতে।
আয়ারল্যান্ড সিরিজে মাহমুদুল খেলেছিলেন ১৭১ রানের ইনিংস, খেলেছিলেন ২৮৬ বল। এই টেস্টে অবশ্য শুরুটা করেন টি-টোয়েন্টি মেজাজে। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে স্কয়ার লেগ দিয়ে মারেন বাউন্ডারি। পরবর্তী স্কোরিং শটও ছিল চার। তবে এরপরই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ৮ রানেই।
সাদমান ব্যাটিং করছিলেন আরও রক্ষণাত্মকভাবে। ৩০ বলে ১৩ রান করে তিনি যখন আউট হন, তখন বোর্ডে দলীয় রান ১০ ওভারে ৩১। নাজমুল (৩৯*) ও মুমিনুল (৩১*) মিলে সেই চাপটা পরে সামাল দিয়েছেন দক্ষতার সঙ্গেই।
তবে দুই ওপেনারের এমন ব্যাটিংই যেন বলে দিচ্ছে, ঠিক কেন এক সিরিজ আগে বড় রান করার পরও এই সিরিজে তানজিদ হাসান কড়া নাড়ছেন দরজায়। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার তাকে দলে নেওয়ার কারণ হিসেবে বলেছিলেন, আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান বের করতে পারার দক্ষতার জন্যই তানজিদকে নেওয়া হয়েছে।
বার্তাটা তাই খুব স্পষ্ট। সাদমান ও মাহমুদুলের একই ধাঁচের ব্যাটিং হয়তো দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশ দল দেখতে চাইবে না। তবে দল অবশ্যই বারবার দেখতে চাইবে অধিনায়ক নাজমুল ও মুমিনুলের দায়িত্বশীল ব্যাটিং। নতুন বলে পেস-সহায়ক উইকেটে তারা যখন ক্রিজে যান, পাকিস্তানের পেসাররা তখন ছিলেন ছন্দে।
শাহিন ও হাসান উইকেট পেলেও মোহাম্মদ আব্বাস সিম মুভমেন্ট আদায় করে ভালোই বিভ্রান্ত করে গেছেন ব্যাটসম্যানদের। সেই সময়টাতে দরকার ছিল ইতিবাচক ব্যাটিং, যা করতে পারেননি ওপেনাররা। নাজমুলের ব্যাটে শুরু থেকেই ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। ব্যাটে বল পেলেই মেরেছেন চার। সালমান আঘার একটি শর্ট ডেলিভারিতে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে হাঁকান ছক্কাও।
অন্য প্রান্তে মুমিনুলও ধীরে ধীরে নিজেকে ফিরে পান। লাঞ্চ বিরতিতে তাতে বাংলাদেশ পেয়েছে স্বস্তি। ২৬ ওভারে রান হয়েছে ২ উইকেটে ১০১। উইকেট ক্রমেই ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হওয়ায় তাদের কাছ থেকে দলের প্রত্যাশা থাকবে বড় ইনিংসেরই।

একটা ইনিংস দেখেই সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসানদের বিচার করাটা অবশ্যই অন্যায়। আগের সিরিজেই যে দুজন পেয়েছেন রানের দেখা। তবে ক্রমেই বদলে যাওয়া টেস্ট ক্রিকেটে একটি দলের দুই ওপেনারই যদি কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করেন, তাহলে বড় দলের বিপক্ষে সেটা বিপদের কারণ হতে পারে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টেও তাই হল। দুই প্রান্তেই দেখেশুনে শুরুর পর কেউই পারেননি ইনিংস লম্বা করতে।
আয়ারল্যান্ড সিরিজে মাহমুদুল খেলেছিলেন ১৭১ রানের ইনিংস, খেলেছিলেন ২৮৬ বল। এই টেস্টে অবশ্য শুরুটা করেন টি-টোয়েন্টি মেজাজে। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে স্কয়ার লেগ দিয়ে মারেন বাউন্ডারি। পরবর্তী স্কোরিং শটও ছিল চার। তবে এরপরই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ৮ রানেই।
সাদমান ব্যাটিং করছিলেন আরও রক্ষণাত্মকভাবে। ৩০ বলে ১৩ রান করে তিনি যখন আউট হন, তখন বোর্ডে দলীয় রান ১০ ওভারে ৩১। নাজমুল (৩৯*) ও মুমিনুল (৩১*) মিলে সেই চাপটা পরে সামাল দিয়েছেন দক্ষতার সঙ্গেই।
তবে দুই ওপেনারের এমন ব্যাটিংই যেন বলে দিচ্ছে, ঠিক কেন এক সিরিজ আগে বড় রান করার পরও এই সিরিজে তানজিদ হাসান কড়া নাড়ছেন দরজায়। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার তাকে দলে নেওয়ার কারণ হিসেবে বলেছিলেন, আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান বের করতে পারার দক্ষতার জন্যই তানজিদকে নেওয়া হয়েছে।
বার্তাটা তাই খুব স্পষ্ট। সাদমান ও মাহমুদুলের একই ধাঁচের ব্যাটিং হয়তো দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশ দল দেখতে চাইবে না। তবে দল অবশ্যই বারবার দেখতে চাইবে অধিনায়ক নাজমুল ও মুমিনুলের দায়িত্বশীল ব্যাটিং। নতুন বলে পেস-সহায়ক উইকেটে তারা যখন ক্রিজে যান, পাকিস্তানের পেসাররা তখন ছিলেন ছন্দে।
শাহিন ও হাসান উইকেট পেলেও মোহাম্মদ আব্বাস সিম মুভমেন্ট আদায় করে ভালোই বিভ্রান্ত করে গেছেন ব্যাটসম্যানদের। সেই সময়টাতে দরকার ছিল ইতিবাচক ব্যাটিং, যা করতে পারেননি ওপেনাররা। নাজমুলের ব্যাটে শুরু থেকেই ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। ব্যাটে বল পেলেই মেরেছেন চার। সালমান আঘার একটি শর্ট ডেলিভারিতে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে হাঁকান ছক্কাও।
অন্য প্রান্তে মুমিনুলও ধীরে ধীরে নিজেকে ফিরে পান। লাঞ্চ বিরতিতে তাতে বাংলাদেশ পেয়েছে স্বস্তি। ২৬ ওভারে রান হয়েছে ২ উইকেটে ১০১। উইকেট ক্রমেই ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হওয়ায় তাদের কাছ থেকে দলের প্রত্যাশা থাকবে বড় ইনিংসেরই।