চরচা ডেস্ক

ইতিহাস নাকি বারবার ঘুরে ফিরে আসে। আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে যেন ব্যাপারটা আরও সত্য। নয়তো ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মৃতি বিজরিত দিনেই কেন লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নাম লেখাবেন!
কাল ছিল ২২ জুন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে এই ২২ জুনেই ম্যারাডোনা ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছিলেন দুটি অভাবনীয় ঘটনায়। ঘটনা দুটি হলেও সেই দুই ঘটনা ছিল একই ম্যাচের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে সেই ‘কুখ্যাত’ হ্যান্ড অব গড গোলের ৫ মিনিটের মধ্যেই ম্যারাডোনার পা থেকে এসেছিল ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’। কী আশ্চর্য! ঠিক ৪০ বছর পর ওই একই তারিখে মেসি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নাম লেখালেন। ইতিহাস এভাবেই হয়তো চক্রপূরণ করে।

পরিসংখ্যানবিদেরা আবার থমকে গিয়েছিলেন আরেক ঘটনার সঙ্গে স্থান, কালের সংমিশ্রণ দেখে। ম্যারাডোনার আরও একটি ঘটনার সঙ্গে মিলে গেছে মেসির রেকর্ডের দিন, একই সঙ্গে ঘটনার স্থানও।
১৯৯৪ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ ওষুধ এফিড্রিন খেয়ে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন ম্যারাডোনা। ম্যাসাচুসেটসে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গ্রুপ ম্যাচটিই ছিল ম্যারাডোনার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে গ্রিসের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা জিতেছিল ৪–০ গোলে, বাতিস্তুতা হ্যাটট্রিক করেছিলেন, ম্যারাডোনার পা থেকেও এসেছিল দারুণ এক গোল। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে জয়ে এসেছিল ক্লদিও ক্যানিজিয়ার জোড়া গোলে ২–১ ব্যবধানে। আর্জেন্টিনা তখন দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করে রীতিমতো উড়ছে। ম্যারাডোনাও খেলছিলেন দুর্দান্ত। কিন্তু নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর ডোপ পরীক্ষায় ডাক পড়ে ম্যারাডোনার। সেখানেই উঠে আসে এফিড্রিন সেবনের ঘটনা। ম্যারাডোনাকে বের করে দেওয়া হয় বিশ্বকাপ থেকে।

কাল যে ডালাসে মেসি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়লেন, সেই ডালাসেই ১৯৯৪ সালের ৩০ জুন এক আবেগঘন সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছিলেন ম্যারাডোনা। নিজের মনের সব কথা উগড়ে দিয়েছিলেন ফুটবল–কিংবদন্তি। অভিমান কিংবা দুঃখ, হয়তো অনেক ক্ষোভ—সবকিছু নিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। ডালাসে ৩২ বছর পর ফিরলেন মেসি—আর্জেন্টাইন ফুটবলের পরম্পরার প্রতিনিধি হয়ে। দুঃখ–ভারাক্রান্ত অতীতকে ভোলালেন আনন্দময় কীর্তিতে।
ইতিহাস আসলেই বারবার ফিরে আসে!

ইতিহাস নাকি বারবার ঘুরে ফিরে আসে। আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে যেন ব্যাপারটা আরও সত্য। নয়তো ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মৃতি বিজরিত দিনেই কেন লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নাম লেখাবেন!
কাল ছিল ২২ জুন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে এই ২২ জুনেই ম্যারাডোনা ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছিলেন দুটি অভাবনীয় ঘটনায়। ঘটনা দুটি হলেও সেই দুই ঘটনা ছিল একই ম্যাচের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে সেই ‘কুখ্যাত’ হ্যান্ড অব গড গোলের ৫ মিনিটের মধ্যেই ম্যারাডোনার পা থেকে এসেছিল ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’। কী আশ্চর্য! ঠিক ৪০ বছর পর ওই একই তারিখে মেসি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নাম লেখালেন। ইতিহাস এভাবেই হয়তো চক্রপূরণ করে।

পরিসংখ্যানবিদেরা আবার থমকে গিয়েছিলেন আরেক ঘটনার সঙ্গে স্থান, কালের সংমিশ্রণ দেখে। ম্যারাডোনার আরও একটি ঘটনার সঙ্গে মিলে গেছে মেসির রেকর্ডের দিন, একই সঙ্গে ঘটনার স্থানও।
১৯৯৪ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ ওষুধ এফিড্রিন খেয়ে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন ম্যারাডোনা। ম্যাসাচুসেটসে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গ্রুপ ম্যাচটিই ছিল ম্যারাডোনার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে গ্রিসের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা জিতেছিল ৪–০ গোলে, বাতিস্তুতা হ্যাটট্রিক করেছিলেন, ম্যারাডোনার পা থেকেও এসেছিল দারুণ এক গোল। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে জয়ে এসেছিল ক্লদিও ক্যানিজিয়ার জোড়া গোলে ২–১ ব্যবধানে। আর্জেন্টিনা তখন দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করে রীতিমতো উড়ছে। ম্যারাডোনাও খেলছিলেন দুর্দান্ত। কিন্তু নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর ডোপ পরীক্ষায় ডাক পড়ে ম্যারাডোনার। সেখানেই উঠে আসে এফিড্রিন সেবনের ঘটনা। ম্যারাডোনাকে বের করে দেওয়া হয় বিশ্বকাপ থেকে।

কাল যে ডালাসে মেসি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়লেন, সেই ডালাসেই ১৯৯৪ সালের ৩০ জুন এক আবেগঘন সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছিলেন ম্যারাডোনা। নিজের মনের সব কথা উগড়ে দিয়েছিলেন ফুটবল–কিংবদন্তি। অভিমান কিংবা দুঃখ, হয়তো অনেক ক্ষোভ—সবকিছু নিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। ডালাসে ৩২ বছর পর ফিরলেন মেসি—আর্জেন্টাইন ফুটবলের পরম্পরার প্রতিনিধি হয়ে। দুঃখ–ভারাক্রান্ত অতীতকে ভোলালেন আনন্দময় কীর্তিতে।
ইতিহাস আসলেই বারবার ফিরে আসে!