
২০১৮ সালে লিওনেল স্কালোনিকে যখন আর্জেন্টিনার কোচ করা হলো, তখন সবাই উপহাস করেছিল। সিনিয়র দলের কোচ হিসেবে কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না তার। স্বয়ং ম্যারাডোনাও তুচ্ছ–তাচ্ছিল্য করেছিলেন। সেই স্কালোনির মাস্টারক্লাসেই আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতে ২০২২ সালে। তিনি আর্জেন্টিনাকে পরিণত করলেন দারুণ এক ‘স্মার্ট’ দলে।

ইতিহাস নাকি বারবার ঘুরে ফিরে আসে। আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে যেন ব্যাপারটা আরও সত্য। নয়তো ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মৃতি বিজরিত দিনেই কেন লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নাম লেখাবেন! চক্রপূরণ এভাবে হয়, ইতিহাসও এভাবেই ফিরে আসে।

ইতিহাস নাকি বারবার ঘুরে ফিরে আসে। আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে যেন ব্যাপারটা আরও সত্য। নয়তো ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মৃতি বিজরিত দিনেই কেন লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নাম লেখাবেন!

১৯৩০ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৮৪টি দেশ বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে খেলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঘুরে-ফিরে মাত্র ৭টি দেশ। বিশ্বকাপ জিততে কী কী কৌশল লাগে? দুর্দান্ত দল থাকলেই কি বিশ্বকাপ জেতা যায়? মেসি, ম্যারাডোনা, পেলে, জিদানদের মতো প্রতিভাদের কতটা প্রয়োজন বিশ্বকাপ জিততে?

এই গুণ, ওর ওই গুণ মিলিয়ে একজন খেলোয়াড় বানানো। কার হেডিং ভালো, কার সৃষ্টিশীলতা, বাঁ পায়ের জন্য কাকে বেছে নিচ্ছেন, ডান পায়ের জন্য কে, দৌড়ের গতি, শক্তি, স্ট্যামিনা...ক্রাইটেরিয়ার শেষ নেই। প্রতিটি ক্রাইটেরিয়াতে সেরা খেলোয়াড়ের গুণ মিলিয়ে নিলেই ঝটপট তৈরি হয়ে যাবে আলটিমেট প্লেয়ার!