চরচা প্রতিবেদক

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। জানুয়ারি মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিষয়টি নির্ধারণ করেন।
আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি সিপির (কনট্রাক্ট প্রাইস) মূল্য বৃদ্ধি, ডলারের বিনিময় হার ও অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দাম বাড়ানোর ঘোষণার পাশাপাশি বাজারে তীব্র সরবরাহ সংকট এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে এলপিজি বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেছে কমিশন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে জটিলতার কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এলপিজি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে।
আগে যেখানে জাহাজ ভাড়া ছিল প্রায় ১০০ ডলার, সেখানে এখন তা বেড়ে ১৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি বছরে এলপিজি আমদানি কমে গেছে এবং বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানানো হয়, বিইআরসি নির্ধারিত দামে আমদানিকারক ও বোটলাররা গ্যাস সরবরাহ করলেও মাঠ পর্যায়ে ডিস্ট্রিবিউটরা অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কমিশন জানায়, বর্তমানে অনেক এলাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি নির্ধারিত দাম ঘোষণার আগেই কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বাড়তি দামের তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিইআরসি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নিয়মিত অভিযান জোরদারের অনুরোধ জানিয়েছে। কোনো ডিস্ট্রিবিউটর বা লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম প্রমাণিত হলে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি এলসি খোলার জটিলতা নিরসনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানানো হয়। সংকট কাটাতে আমদানিকারকদের বিকল্প হিসেবে সিঙ্গাপুর থেকে দ্রুত এলপিজি আমদানির পরামর্শ দেওয়া হলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সরবরাহ পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মনে করছে কমিশন।

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। জানুয়ারি মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিষয়টি নির্ধারণ করেন।
আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি সিপির (কনট্রাক্ট প্রাইস) মূল্য বৃদ্ধি, ডলারের বিনিময় হার ও অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দাম বাড়ানোর ঘোষণার পাশাপাশি বাজারে তীব্র সরবরাহ সংকট এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে এলপিজি বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেছে কমিশন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে জটিলতার কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এলপিজি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে।
আগে যেখানে জাহাজ ভাড়া ছিল প্রায় ১০০ ডলার, সেখানে এখন তা বেড়ে ১৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি বছরে এলপিজি আমদানি কমে গেছে এবং বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানানো হয়, বিইআরসি নির্ধারিত দামে আমদানিকারক ও বোটলাররা গ্যাস সরবরাহ করলেও মাঠ পর্যায়ে ডিস্ট্রিবিউটরা অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কমিশন জানায়, বর্তমানে অনেক এলাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি নির্ধারিত দাম ঘোষণার আগেই কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বাড়তি দামের তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিইআরসি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নিয়মিত অভিযান জোরদারের অনুরোধ জানিয়েছে। কোনো ডিস্ট্রিবিউটর বা লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম প্রমাণিত হলে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি এলসি খোলার জটিলতা নিরসনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানানো হয়। সংকট কাটাতে আমদানিকারকদের বিকল্প হিসেবে সিঙ্গাপুর থেকে দ্রুত এলপিজি আমদানির পরামর্শ দেওয়া হলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সরবরাহ পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মনে করছে কমিশন।