চরচা ডেস্ক

আমেরিকা যদি ইরানের সামরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করতে চায় কিংবা যুদ্ধের পথে হাঁটে, তবে ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গতকাল সোমবার আলজাজিরা আরবিকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার পথ এখনও খোলা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরান যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত বছরের জুনে দখলদার ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের সময় ইরানের যে সামরিক প্রস্তুতি ছিল, বর্তমানে তা আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হয়েছে।
আমেরিকার উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে আরাগচি বলেন, “ওয়াশিংটন যদি আমাদের সামরিক শক্তি পরীক্ষা করতে চায়,যা তারা আগেও করেছে তবে আমরা তার জন্য প্রস্তুত। তবে আমি আশা করি যুক্তরাষ্ট্র বুদ্ধিমানের পরিচয় দিয়ে সংঘাতের বদলে আলোচনার পথ বেছে নেবে।”
একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করা পক্ষগুলোকেও সতর্ক করেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান বিক্ষোভে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, আন্দোলনে এমন সন্ত্রাসীরা ঢুকে পড়েছে যারা বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দেন। সেই ধর্মঘট থেকেই দেশজুড়ে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়।
পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যেই এই আন্দোলন ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সব শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। দিন দিন বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়তে থাকে এবং বর্তমানে দেশের স্বাভাবিক জীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই এই বিক্ষোভের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আসছেন। ইরানের ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকার যদি কঠোর ও দমনমূলক পথে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, তবে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে এমন হুমকিও তিনি একাধিকবার দিয়েছেন।
এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার সরকার জনগণের দাবি ও অভিযোগ শোনার জন্য প্রস্তুত।

আমেরিকা যদি ইরানের সামরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করতে চায় কিংবা যুদ্ধের পথে হাঁটে, তবে ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গতকাল সোমবার আলজাজিরা আরবিকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার পথ এখনও খোলা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরান যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত বছরের জুনে দখলদার ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের সময় ইরানের যে সামরিক প্রস্তুতি ছিল, বর্তমানে তা আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হয়েছে।
আমেরিকার উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে আরাগচি বলেন, “ওয়াশিংটন যদি আমাদের সামরিক শক্তি পরীক্ষা করতে চায়,যা তারা আগেও করেছে তবে আমরা তার জন্য প্রস্তুত। তবে আমি আশা করি যুক্তরাষ্ট্র বুদ্ধিমানের পরিচয় দিয়ে সংঘাতের বদলে আলোচনার পথ বেছে নেবে।”
একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করা পক্ষগুলোকেও সতর্ক করেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান বিক্ষোভে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, আন্দোলনে এমন সন্ত্রাসীরা ঢুকে পড়েছে যারা বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দেন। সেই ধর্মঘট থেকেই দেশজুড়ে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়।
পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যেই এই আন্দোলন ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সব শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। দিন দিন বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়তে থাকে এবং বর্তমানে দেশের স্বাভাবিক জীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই এই বিক্ষোভের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আসছেন। ইরানের ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকার যদি কঠোর ও দমনমূলক পথে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, তবে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে এমন হুমকিও তিনি একাধিকবার দিয়েছেন।
এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার সরকার জনগণের দাবি ও অভিযোগ শোনার জন্য প্রস্তুত।