চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশুকে হত্যার ঘটনাসহ দেশজুড়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ জানিয়েছে জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম।
একই সঙ্গে এসব ঘটনার নিখুঁত ও জবাবদিহিতামূলক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ বৃহস্পতিবার ফোরামের সভাপতি মমতাজ আরা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে স্কুলে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পাশের ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ফোরাম বলেছে, একটি আট বছর বয়সী শিশুকে এভাবে হত্যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং সমাজের জন্য উদ্বেগের বিষয়। একই সঙ্গে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়ে ১১ বছরের এক মাদরাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনাও দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলা হয়, শিশুটির জীবনও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, গত চার মাসে দেশে অন্তত ৪৭ জন ধর্ষণ এবং ৩১ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু। সংগঠনটির মতে, শিশুর নিরাপদ বিকাশে ঘাটতি, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, আইনের যথাযথ প্রয়োগে দীর্ঘসূত্রতা এবং জবাবদিহিতার অভাবের কারণেই নারী ও শিশুরা ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে পড়ছে।
জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম অবিলম্বে স্পর্শকাতর সব মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়া এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশুকে হত্যার ঘটনাসহ দেশজুড়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ জানিয়েছে জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম।
একই সঙ্গে এসব ঘটনার নিখুঁত ও জবাবদিহিতামূলক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ বৃহস্পতিবার ফোরামের সভাপতি মমতাজ আরা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে স্কুলে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পাশের ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ফোরাম বলেছে, একটি আট বছর বয়সী শিশুকে এভাবে হত্যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং সমাজের জন্য উদ্বেগের বিষয়। একই সঙ্গে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়ে ১১ বছরের এক মাদরাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনাও দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলা হয়, শিশুটির জীবনও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, গত চার মাসে দেশে অন্তত ৪৭ জন ধর্ষণ এবং ৩১ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু। সংগঠনটির মতে, শিশুর নিরাপদ বিকাশে ঘাটতি, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়, আইনের যথাযথ প্রয়োগে দীর্ঘসূত্রতা এবং জবাবদিহিতার অভাবের কারণেই নারী ও শিশুরা ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে পড়ছে।
জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম অবিলম্বে স্পর্শকাতর সব মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়া এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।