চরচা প্রতিবেদক

স্থানীয় দ্বন্দ্ব ও ব্যবসায়িক কারণে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বির খুন হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
আজ রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
গত ৭ জানুয়ারি কারওয়ান বাজার স্টার হোটেলের গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করা হয়।
অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল বলেন, “ডিবির একাধিক শুক্রবার ও শনিবার রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুই শ্যুটারের একজন জিন্নাত, মূল সমন্বয়কারী মো. বিল্লাল, ঘটনার পর আসামিদের আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদির ও ঘটনার আগেরদিন ঘটনাস্থল রেকিকারী মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করে।”
তবে এই ঘটনায় এখনো এক শ্যুটার রহিমকে গ্রেপ্তার করা যায়নি জানিয়ে ডিবিপ্রধান শফিকুল বলেন, এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য ডিবি কাজ করছে। এছাড়া ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস অনুসন্ধান এবং সেগুলো উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটল-জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, “এটি একটি আলোচিত ঘটনা। নিহত মোসাব্বির রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন। প্রাথমিক অবস্থায় আমরা হত্যাকারীদের শনাক্ত ও তাদের গ্রেপ্তারে কাজ করেছি। আমরা এটি তদন্ত করছি। এই হত্যাকাণ্ডের অবশ্যই মোটিভ আছে। আমরা সেটি তদন্ত করে বের করবে। এর নেপথ্যে কেউ থাকলে তাদের খুঁজে বের করব। আমাদের একটু সময় দরকার।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, ব্যবসায়িক কোনো দ্বন্দ্ব থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ব্যবসাকেন্দ্রিক ও রাজনৈতিক কারণগুলোও আমরা খতিয়ে দেখছি।”
মোসাব্বির হত্যায় আপন তিন ভাই জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে ডিবি। শফিকুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে আপন তিন ভাই বিল্লাল, আব্দুল কাদির ও রহিম জড়িত ছিল। এর মধ্যে বিল্লাল ও আব্দুল কাদিরকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। আরেক ভাই রহিম সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি।

স্থানীয় দ্বন্দ্ব ও ব্যবসায়িক কারণে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বির খুন হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
আজ রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
গত ৭ জানুয়ারি কারওয়ান বাজার স্টার হোটেলের গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করা হয়।
অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল বলেন, “ডিবির একাধিক শুক্রবার ও শনিবার রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুই শ্যুটারের একজন জিন্নাত, মূল সমন্বয়কারী মো. বিল্লাল, ঘটনার পর আসামিদের আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদির ও ঘটনার আগেরদিন ঘটনাস্থল রেকিকারী মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করে।”
তবে এই ঘটনায় এখনো এক শ্যুটার রহিমকে গ্রেপ্তার করা যায়নি জানিয়ে ডিবিপ্রধান শফিকুল বলেন, এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য ডিবি কাজ করছে। এছাড়া ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস অনুসন্ধান এবং সেগুলো উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটল-জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, “এটি একটি আলোচিত ঘটনা। নিহত মোসাব্বির রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন। প্রাথমিক অবস্থায় আমরা হত্যাকারীদের শনাক্ত ও তাদের গ্রেপ্তারে কাজ করেছি। আমরা এটি তদন্ত করছি। এই হত্যাকাণ্ডের অবশ্যই মোটিভ আছে। আমরা সেটি তদন্ত করে বের করবে। এর নেপথ্যে কেউ থাকলে তাদের খুঁজে বের করব। আমাদের একটু সময় দরকার।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, ব্যবসায়িক কোনো দ্বন্দ্ব থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ব্যবসাকেন্দ্রিক ও রাজনৈতিক কারণগুলোও আমরা খতিয়ে দেখছি।”
মোসাব্বির হত্যায় আপন তিন ভাই জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে ডিবি। শফিকুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে আপন তিন ভাই বিল্লাল, আব্দুল কাদির ও রহিম জড়িত ছিল। এর মধ্যে বিল্লাল ও আব্দুল কাদিরকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। আরেক ভাই রহিম সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি।