চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। ওয়াশিংটনের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এই রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হলেও আজ শনিবার ইরানের সামরিক কমান্ড এটি পুনরায় বন্ধের নির্দেশ দেয়।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন, বিবিসি ও ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের “বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের” জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইরানের দাবি, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে ওয়াশিংটন। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল ক্রমাগত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে এবং সেখান থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করেনি। শনিবারও ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে।
ইরানি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, প্রণালি বন্ধ করা তাদের প্রথম পদক্ষেপ। যদি এই আগ্রাসন বন্ধ না হয়, তবে পরবর্তীতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ইরানের এই ঘোষণার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধের বিষয়ে এখনো তারা দৃশ্যমান কোনো প্রমাণ পাননি। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইতিমধ্যে সুইজারল্যান্ডে রয়েছেন এবং ইরানের সাথে শান্তি আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, চুক্তির শর্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে পুরো শান্তি প্রক্রিয়াই বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। ওয়াশিংটনের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এই রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হলেও আজ শনিবার ইরানের সামরিক কমান্ড এটি পুনরায় বন্ধের নির্দেশ দেয়।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন, বিবিসি ও ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের “বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের” জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইরানের দাবি, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে ওয়াশিংটন। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল ক্রমাগত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে এবং সেখান থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করেনি। শনিবারও ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে।
ইরানি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, প্রণালি বন্ধ করা তাদের প্রথম পদক্ষেপ। যদি এই আগ্রাসন বন্ধ না হয়, তবে পরবর্তীতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ইরানের এই ঘোষণার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধের বিষয়ে এখনো তারা দৃশ্যমান কোনো প্রমাণ পাননি। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইতিমধ্যে সুইজারল্যান্ডে রয়েছেন এবং ইরানের সাথে শান্তি আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, চুক্তির শর্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে পুরো শান্তি প্রক্রিয়াই বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে।