চরচা প্রতিবেদক

দীর্ঘ বিরতির পর বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন করে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) আজ রোববার ২৬টি অফশোর ব্লকে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
নতুন ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (MPSC) ২০২৬’-এর আওতায় এই বিডিং রাউন্ড পরিচালিত হবে।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে আগের চুক্তির বেশ কয়েকটি শর্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ, কর সুবিধা, মুনাফা বিদেশে নেওয়ার সুযোগ এবং ব্যয় পুনরুদ্ধার ব্যবস্থাকে আরও বিনিয়োগবান্ধব করা হয়েছে।
দরপত্র অনুযায়ী, মোট ২৬টি অফশোর ব্লক উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি অগভীর সমুদ্র ব্লক এবং ১৫টি গভীর সমুদ্র ব্লক। আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো এককভাবে কিংবা কনসোর্টিয়াম গঠন করে এক বা একাধিক ব্লকের জন্য বিড জমা দিতে পারবে।
নতুন চুক্তির আওতায় বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্থিক সুবিধা রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের সিগনেচার বোনাস বা রয়্যালটি দিতে হবে না। ঠিকাদার কোম্পানির করপোরেট আয়কর বহন করবে পেট্রোবাংলা। এ ছাড়া বছরে উত্তোলিত তেল-গ্যাসের সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় পুনরুদ্ধারের সুযোগ থাকবে। অর্জিত মুনাফার শতভাগ বিদেশে নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দেওয়া হবে।
গ্যাসের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই মূল্য কাঠামো আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়াতে পারে।
অগভীর সমুদ্র ব্লকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের জন্য ১০ শতাংশ ‘ক্যারাইড ইন্টারেস্ট’ সংরক্ষণ করা হয়েছে। ফলে অনুসন্ধান ঝুঁকি ছাড়াই বাপেক্স ওই অংশীদারত্ব পাবে।
দরপত্রে অংশ নিতে হলে অফশোর অনুসন্ধান ও উৎপাদনে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। গভীর সমুদ্র ব্লকের ক্ষেত্রে দৈনিক অন্তত ১০ হাজার ব্যারেল তেল বা ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, আগামী ১ জুন থেকে তথ্যপ্যাকেজ সংগ্রহ করা যাবে। বিড জমার শেষ সময় আগামী ৩০ নভেম্বর। কোম্পানিগুলো ১০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তথ্যপ্যাকেজ সংগ্রহ করতে পারবে। তবে দরপত্রে অংশগ্রহণের জন্য ৭ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের ‘প্রমোশনাল প্যাকেজ’ কেনা বাধ্যতামূলক।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে গ্যাস সম্ভাবনা থাকলেও বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করাই হবে এবারের বড় চ্যালেঞ্জ।

দীর্ঘ বিরতির পর বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন করে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) আজ রোববার ২৬টি অফশোর ব্লকে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
নতুন ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (MPSC) ২০২৬’-এর আওতায় এই বিডিং রাউন্ড পরিচালিত হবে।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে আগের চুক্তির বেশ কয়েকটি শর্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ, কর সুবিধা, মুনাফা বিদেশে নেওয়ার সুযোগ এবং ব্যয় পুনরুদ্ধার ব্যবস্থাকে আরও বিনিয়োগবান্ধব করা হয়েছে।
দরপত্র অনুযায়ী, মোট ২৬টি অফশোর ব্লক উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি অগভীর সমুদ্র ব্লক এবং ১৫টি গভীর সমুদ্র ব্লক। আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো এককভাবে কিংবা কনসোর্টিয়াম গঠন করে এক বা একাধিক ব্লকের জন্য বিড জমা দিতে পারবে।
নতুন চুক্তির আওতায় বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্থিক সুবিধা রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের সিগনেচার বোনাস বা রয়্যালটি দিতে হবে না। ঠিকাদার কোম্পানির করপোরেট আয়কর বহন করবে পেট্রোবাংলা। এ ছাড়া বছরে উত্তোলিত তেল-গ্যাসের সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় পুনরুদ্ধারের সুযোগ থাকবে। অর্জিত মুনাফার শতভাগ বিদেশে নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দেওয়া হবে।
গ্যাসের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই মূল্য কাঠামো আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়াতে পারে।
অগভীর সমুদ্র ব্লকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের জন্য ১০ শতাংশ ‘ক্যারাইড ইন্টারেস্ট’ সংরক্ষণ করা হয়েছে। ফলে অনুসন্ধান ঝুঁকি ছাড়াই বাপেক্স ওই অংশীদারত্ব পাবে।
দরপত্রে অংশ নিতে হলে অফশোর অনুসন্ধান ও উৎপাদনে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। গভীর সমুদ্র ব্লকের ক্ষেত্রে দৈনিক অন্তত ১০ হাজার ব্যারেল তেল বা ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, আগামী ১ জুন থেকে তথ্যপ্যাকেজ সংগ্রহ করা যাবে। বিড জমার শেষ সময় আগামী ৩০ নভেম্বর। কোম্পানিগুলো ১০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তথ্যপ্যাকেজ সংগ্রহ করতে পারবে। তবে দরপত্রে অংশগ্রহণের জন্য ৭ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের ‘প্রমোশনাল প্যাকেজ’ কেনা বাধ্যতামূলক।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে গ্যাস সম্ভাবনা থাকলেও বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করাই হবে এবারের বড় চ্যালেঞ্জ।