চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশের পতাকাবাহী বৃহত্তম এবং নতুন নির্মিত আফরাম্যাক্স ক্যাটাগরির তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’ প্রথম সমুদ্রযাত্রা শুরু করতে প্রস্তুত। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্র্যাক ব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত এই জাহাজটির মালিক ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি।
জাহাজটি ২৫০ মিটার লম্বা এবং ১ লাখ ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেল পরিবহন করতে সক্ষম। ৩১ মার্চ জাহাজটি তার প্রথম যাত্রা শুরু করবে। এর আগে গত ২৫ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার দেহান শিপবিল্ডিংয়ে জাহাজটির কমিশনিং অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
ব্র্যাক ব্যাংক এমজেএল বাংলাদেশের দুটি জাহাজ ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’ এবং ‘এমটি ওমেরা গ্যালাক্সি’ ক্রয়ের জন্য মোট ৯৫.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করেছে। এটি বাংলাদেশের কোনো স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই খাতের জন্য একক বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রাভিত্তিক অফশোর টার্ম লোন।
জাহাজটি যুক্ত হওয়ার ফলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক লজিস্টিক খাত এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান জানান, এই মাইলফলকটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের পতাকাবাহী বৃহত্তম এবং নতুন নির্মিত আফরাম্যাক্স ক্যাটাগরির তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’ প্রথম সমুদ্রযাত্রা শুরু করতে প্রস্তুত। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্র্যাক ব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত এই জাহাজটির মালিক ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি।
জাহাজটি ২৫০ মিটার লম্বা এবং ১ লাখ ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেল পরিবহন করতে সক্ষম। ৩১ মার্চ জাহাজটি তার প্রথম যাত্রা শুরু করবে। এর আগে গত ২৫ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার দেহান শিপবিল্ডিংয়ে জাহাজটির কমিশনিং অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
ব্র্যাক ব্যাংক এমজেএল বাংলাদেশের দুটি জাহাজ ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’ এবং ‘এমটি ওমেরা গ্যালাক্সি’ ক্রয়ের জন্য মোট ৯৫.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করেছে। এটি বাংলাদেশের কোনো স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই খাতের জন্য একক বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রাভিত্তিক অফশোর টার্ম লোন।
জাহাজটি যুক্ত হওয়ার ফলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক লজিস্টিক খাত এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান জানান, এই মাইলফলকটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।