‘গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া বাহিনীতে অংশ নিতে চায় বাংলাদেশ’

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
‘গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া বাহিনীতে অংশ নিতে চায় বাংলাদেশ’
নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। বাসস ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনের গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে বাংলাদেশ অংশ নিতে চায় বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকারের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের এই আগ্রহের কথা জানিয়ছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ওয়াশিংটনে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গেও বৈঠক করেন খলিলুর রহমান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খলিলুর রহমান গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের নীতিগত আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন। জবাবে আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী।

গত নভেম্বর মাসে গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনে আমেরিকার পরিকল্পনা অনুমোদন দেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজার জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠন হবে। যেটি ইসরায়েল ও মিশরসহ নতুন প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনি পুলিশের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত করতে এবং গাজা উপত্যকাকে নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করতে কাজ করবে।

বাংলাদেশের সরকার প্রধানের দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্ডার সেক্রেটারি হুকারের সাথে বৈঠকে নিরাপ্তা উপদেষ্টা আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আয়োজন সম্পর্কে অবহিত করেন এবং নির্বাচনের সময়সহ অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জবাবে অ্যালিসন হুকার বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জোরাল সমর্থন অব্যাহত রয়েছে এবং তারা ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করে।

সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ সহজ করার জন্য অ্যালিসন হুকারকে অনুরোধ করে নিরাপত্তা উপদেষ্টা। সম্ভব হলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য বি-১ স্বল্পমেয়াদী বিজনেস ভিসাকে ভিসা বন্ডের আওতামুক্ত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আন্ডার-সেক্রেটারি হুকার বলেন, মার্কিন সরকার এই পদক্ষেপটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যদি পর্যটকদের ভিসার মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় অবস্থান করার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে, তবে যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত বন্ডের শর্তাবলী পুনর্বিবেচনা করতে পারে। এছাড়া তিনি নথিহীন বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সম্পর্কিত