চরচা ডেস্ক

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ককরোচ পার্টি।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর নামক স্থানে এ বিক্ষোভ হয়।
ক্ষমতাসীন বিজেপি দলের নামের সাথে মিল রেখে এবং তেলাপোকাকে প্রতীক করে গড়ে ওঠা এই নতুন অনলাইন ভিত্তিক গোষ্ঠীটি শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবিতে আন্দোলন করছে। ‘ককোরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি নামক রাজনৈতিক গোষ্ঠীটি আজ তৃতীয় দিনে আন্দোলন করেছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর কর্তৃপক্ষ আগের পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে গত রোববার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে লাখ লাখ পরীক্ষার্থী পুনরায় পরীক্ষায় বসেন।
পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক চেকিংসহ কড়া নজরদারিতে এবারের পরীক্ষা কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, শুধু পুনরায় পরীক্ষা নিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
বোস্টন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এবং সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, “আমরা এখানে জবাবদিহিতার জন্য এসেছি।”
গত ১৯ ও ২০ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছিল পুলিশ। তবে অনুমতির সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও বিক্ষোভকারীরা স্থান ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ককরোচ পার্টি।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর নামক স্থানে এ বিক্ষোভ হয়।
ক্ষমতাসীন বিজেপি দলের নামের সাথে মিল রেখে এবং তেলাপোকাকে প্রতীক করে গড়ে ওঠা এই নতুন অনলাইন ভিত্তিক গোষ্ঠীটি শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবিতে আন্দোলন করছে। ‘ককোরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি নামক রাজনৈতিক গোষ্ঠীটি আজ তৃতীয় দিনে আন্দোলন করেছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর কর্তৃপক্ষ আগের পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে গত রোববার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে লাখ লাখ পরীক্ষার্থী পুনরায় পরীক্ষায় বসেন।
পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক চেকিংসহ কড়া নজরদারিতে এবারের পরীক্ষা কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, শুধু পুনরায় পরীক্ষা নিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
বোস্টন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এবং সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেন, “আমরা এখানে জবাবদিহিতার জন্য এসেছি।”
গত ১৯ ও ২০ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছিল পুলিশ। তবে অনুমতির সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও বিক্ষোভকারীরা স্থান ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।