চরচা ডেস্ক

বর্তমানে দই থেকে শুরু করে টুথপেস্ট পর্যন্ত নানা পণ্যে চিনির বিকল্প বা সুগার সাবস্টিটিউট ব্যবহার করা হয়। দাবি করা হয়, এগুলো খেলে মিষ্টি খাওয়ার স্বাদ পাওয়া যায়, কিন্তু ওজন বাড়ে না বা দাঁতের ক্ষতিও কম হয়। কিন্তু কিছু নতুন গবেষণা বলছে, এগুলোর বেশ নেতিবাচক প্রভাবও থাকতে পারে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে।
চিনির বিকল্প নানা ধরনের হয়। এর মধ্যে আছে কৃত্রিমভাবে তৈরি পদার্থ—যেমন অ্যাসপারটেম, স্যাকারিন, সুক্রালোজ। আবার কিছু উদ্ভিদ থেকে পাওয়া সুগার অ্যালকোহল (এরিথ্রিটল, মাল্টিটল, সরবিটল, জাইলিটল) এবং স্টেভিয়া ।
এগুলো স্বাদে চিনির চেয়ে অনেক বেশি মিষ্টি, তাই খুব অল্প পরিমাণেই খাবারে ব্যবহার করা হয়। আর যেহেতু এগুলোর অনেকটাই শরীর থেকে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় বের হয়ে যায়, তাই আগে মনে করা হতো শরীরের ওপর এসবের তেমন প্রভাব ফেলে না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, বিষয়টা এতটা সহজ নয়।
দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু স্বল্পমেয়াদি গবেষণায় (৪–১২ সপ্তাহ) দেখা গেছে, চিনির বদলে এসব কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহার করলে ওজন কম বাড়তে পারে। কিন্তু বড় ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা গেছে উল্টো ফল। যারা বেশি পরিমাণে এসব সুগার সাবস্টিটিউট খায়, তাদের বরং বেশি ওজন বাড়ে।
এছাড়া আরও কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সুগার সাবস্টিটিউট বেশি খাওয়ার সঙ্গে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এ ধরনের পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণা থেকে সরাসরি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করা কঠিন। কারণ, যারা বেশি সুগার সাবস্টিটিউট খান আর যারা খান না, তাদের জীবনযাপন, স্বাস্থ্যঝুঁকি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য থাকতে পারে। যেমন, অনেকেই হয়তো আগে থেকেই ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন, তাই সুস্থ থাকার জন্য চিনির বদলে এসব বিকল্প ব্যবহার করছেন।
২০২৩ সালে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ওজন নিয়ন্ত্রণ বা দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধের জন্য সুগার সাবস্টিটিউট ব্যবহার না করাই ভালো। তবে এই পরামর্শ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

গবেষকরা মনে করছেন, এসব সুগার সাবস্টিটিউট কীভাবে ক্ষতি করতে পারে তার কয়েকটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা আছে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সুগার সাবস্টিটিউটগুলোর উপাদান শরীরে চিনির মতোই অন্ত্র ও বিপাকক্রিয়ার ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। আবার ইঁদুরের ওপর করা কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, এগুলো এমন রোগপ্রতিরোধী কোষের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে, যা টিউমার তৈরি হওয়া ঠেকাতে সাহায্য করে।
এছাড়া নতুন কিছু প্রমাণ বলছে, সুগার সাবস্টিটিউটে থাকা উপাদান অন্ত্রের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে, যার ফলে শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
অস্ট্রিয়ার ইন্সব্রুক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হারবার্ট টিলগ জানান, এ বিষয়ে এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি, তবে এসব গবেষণা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের মিষ্টি উপাদান এড়িয়ে চলা সহজ নয়। কারণ, অনেক খাবার ও পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান একাধিক সুগার সাবস্টিটিউট একসঙ্গে ব্যবহার করে, যাতে স্বাদ আরও ভালো হয়। তাই প্যাকেটজাত খাবার, সফট ড্রিংক, এনার্জি বা প্রোটিন ড্রিংক যারা নিয়মিত খান, তাদের জন্য এগুলো এড়ানো কঠিন।

বর্তমানে দই থেকে শুরু করে টুথপেস্ট পর্যন্ত নানা পণ্যে চিনির বিকল্প বা সুগার সাবস্টিটিউট ব্যবহার করা হয়। দাবি করা হয়, এগুলো খেলে মিষ্টি খাওয়ার স্বাদ পাওয়া যায়, কিন্তু ওজন বাড়ে না বা দাঁতের ক্ষতিও কম হয়। কিন্তু কিছু নতুন গবেষণা বলছে, এগুলোর বেশ নেতিবাচক প্রভাবও থাকতে পারে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে।
চিনির বিকল্প নানা ধরনের হয়। এর মধ্যে আছে কৃত্রিমভাবে তৈরি পদার্থ—যেমন অ্যাসপারটেম, স্যাকারিন, সুক্রালোজ। আবার কিছু উদ্ভিদ থেকে পাওয়া সুগার অ্যালকোহল (এরিথ্রিটল, মাল্টিটল, সরবিটল, জাইলিটল) এবং স্টেভিয়া ।
এগুলো স্বাদে চিনির চেয়ে অনেক বেশি মিষ্টি, তাই খুব অল্প পরিমাণেই খাবারে ব্যবহার করা হয়। আর যেহেতু এগুলোর অনেকটাই শরীর থেকে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় বের হয়ে যায়, তাই আগে মনে করা হতো শরীরের ওপর এসবের তেমন প্রভাব ফেলে না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, বিষয়টা এতটা সহজ নয়।
দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু স্বল্পমেয়াদি গবেষণায় (৪–১২ সপ্তাহ) দেখা গেছে, চিনির বদলে এসব কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহার করলে ওজন কম বাড়তে পারে। কিন্তু বড় ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা গেছে উল্টো ফল। যারা বেশি পরিমাণে এসব সুগার সাবস্টিটিউট খায়, তাদের বরং বেশি ওজন বাড়ে।
এছাড়া আরও কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সুগার সাবস্টিটিউট বেশি খাওয়ার সঙ্গে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এ ধরনের পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণা থেকে সরাসরি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করা কঠিন। কারণ, যারা বেশি সুগার সাবস্টিটিউট খান আর যারা খান না, তাদের জীবনযাপন, স্বাস্থ্যঝুঁকি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য থাকতে পারে। যেমন, অনেকেই হয়তো আগে থেকেই ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন, তাই সুস্থ থাকার জন্য চিনির বদলে এসব বিকল্প ব্যবহার করছেন।
২০২৩ সালে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ওজন নিয়ন্ত্রণ বা দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধের জন্য সুগার সাবস্টিটিউট ব্যবহার না করাই ভালো। তবে এই পরামর্শ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

গবেষকরা মনে করছেন, এসব সুগার সাবস্টিটিউট কীভাবে ক্ষতি করতে পারে তার কয়েকটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা আছে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সুগার সাবস্টিটিউটগুলোর উপাদান শরীরে চিনির মতোই অন্ত্র ও বিপাকক্রিয়ার ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। আবার ইঁদুরের ওপর করা কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, এগুলো এমন রোগপ্রতিরোধী কোষের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে, যা টিউমার তৈরি হওয়া ঠেকাতে সাহায্য করে।
এছাড়া নতুন কিছু প্রমাণ বলছে, সুগার সাবস্টিটিউটে থাকা উপাদান অন্ত্রের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে, যার ফলে শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
অস্ট্রিয়ার ইন্সব্রুক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হারবার্ট টিলগ জানান, এ বিষয়ে এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি, তবে এসব গবেষণা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের মিষ্টি উপাদান এড়িয়ে চলা সহজ নয়। কারণ, অনেক খাবার ও পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান একাধিক সুগার সাবস্টিটিউট একসঙ্গে ব্যবহার করে, যাতে স্বাদ আরও ভালো হয়। তাই প্যাকেটজাত খাবার, সফট ড্রিংক, এনার্জি বা প্রোটিন ড্রিংক যারা নিয়মিত খান, তাদের জন্য এগুলো এড়ানো কঠিন।