চরচা ডেস্ক

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোতে সরকারি বাহিনী ও কুর্দি যোদ্ধাদের মধ্যে দুই দিনের তীব্র সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর কুর্দি অধ্যুষিত শেখ মাকসুদ ও আশরাফিয়া এলাকা থেকে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ পালিয়ে গেছেন। বুধবার বিকেলে সিরীয় সেনাবাহিনী এলাকা দুটিকে 'বদ্ধ সামরিক এলাকা' হিসেবে ঘোষণার পর সেখানে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করে।
সরকার জানিয়েছে, ওই এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার জবাবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য নিরাপত্তা রক্ষা করা। অন্যদিকে, কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) এই ঘটনাকে বাসিন্দাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের একটি ' অপরাধমূলক প্রচেষ্টা' হিসেবে দাবি করেছে।
এই সহিংসতা প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারা’র সরকারের সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোকেই ফুটিয়ে তুলছে। বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুতকারী অভিযানের এক বছর পরও দেশটি এখনো গভীরভাবে বিভক্ত। সিরিয়ার ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় কুর্দি কর্তৃপক্ষ উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার পাশাপাশি আলেপ্পোর কিছু অংশে আধা স্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলে। এরপর ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদের ক্ষমতাচ্যুতির পর আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে ইসলামপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসে। তখন থেকে সিরিয়ার বর্তমান সরকার ওই এলাকাগুলোকে একীভূত করতে চাইলেও কুর্দিদের অনিচ্ছায় তা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে, কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ তাদের সমস্ত সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানকে সিরীয় রাষ্ট্রের সাথে একীভূত করার জন্য একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। কিন্তু সেই চুক্তি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। বরং উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তিটি নস্যাৎ করার চেষ্টার অভিযোগ তুলছে। গৃহযুদ্ধের সময়ে তারা চরমপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) পরাজিত করতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে সহায়তা করেছিল।
আলেপ্পোর এই অচলাবস্থা তুরস্ককেও সংঘাতের ভেতরে টেনে আনার ঝুঁকি তৈরি করেছে। তুরস্ক সিরিয়ার বর্তমান সরকারকে সমর্থন করে এবং এসডিএফ-এর মূল চালিকাশক্তি কুর্দি মিলিশিয়াদের একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে গণ্য করে।

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোতে সরকারি বাহিনী ও কুর্দি যোদ্ধাদের মধ্যে দুই দিনের তীব্র সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর কুর্দি অধ্যুষিত শেখ মাকসুদ ও আশরাফিয়া এলাকা থেকে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ পালিয়ে গেছেন। বুধবার বিকেলে সিরীয় সেনাবাহিনী এলাকা দুটিকে 'বদ্ধ সামরিক এলাকা' হিসেবে ঘোষণার পর সেখানে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করে।
সরকার জানিয়েছে, ওই এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার জবাবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য নিরাপত্তা রক্ষা করা। অন্যদিকে, কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) এই ঘটনাকে বাসিন্দাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের একটি ' অপরাধমূলক প্রচেষ্টা' হিসেবে দাবি করেছে।
এই সহিংসতা প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারা’র সরকারের সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোকেই ফুটিয়ে তুলছে। বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুতকারী অভিযানের এক বছর পরও দেশটি এখনো গভীরভাবে বিভক্ত। সিরিয়ার ১৪ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় কুর্দি কর্তৃপক্ষ উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার পাশাপাশি আলেপ্পোর কিছু অংশে আধা স্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলে। এরপর ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদের ক্ষমতাচ্যুতির পর আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে ইসলামপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসে। তখন থেকে সিরিয়ার বর্তমান সরকার ওই এলাকাগুলোকে একীভূত করতে চাইলেও কুর্দিদের অনিচ্ছায় তা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে, কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ তাদের সমস্ত সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানকে সিরীয় রাষ্ট্রের সাথে একীভূত করার জন্য একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। কিন্তু সেই চুক্তি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। বরং উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তিটি নস্যাৎ করার চেষ্টার অভিযোগ তুলছে। গৃহযুদ্ধের সময়ে তারা চরমপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) পরাজিত করতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে সহায়তা করেছিল।
আলেপ্পোর এই অচলাবস্থা তুরস্ককেও সংঘাতের ভেতরে টেনে আনার ঝুঁকি তৈরি করেছে। তুরস্ক সিরিয়ার বর্তমান সরকারকে সমর্থন করে এবং এসডিএফ-এর মূল চালিকাশক্তি কুর্দি মিলিশিয়াদের একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে গণ্য করে।