চরচা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন বর্তমান মেয়াদের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইরানের সাথে অন্যায় যুদ্ধের কারণে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এবং বহুজাতিক বাজার গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইপসোস-এর যৌথ এক জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।
সোমবার শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী এই জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৪ শতাংশ আমেরিকান হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর আগে ১৫ থেকে ২০ এপ্রিল পরিচালিত রয়টার্স/ইপসোস জরিপে এই হার ছিল ৩৬ শতাংশ।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের সময় ট্রাম্পের জনসমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ, যা এরপর থেকে ক্রমাগত কমছে।
বিশেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে, কারণ এই যুদ্ধের ফলে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে গেছে। মাত্র ২২ শতাংশ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় সামলানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভূমিকায় সন্তুষ্ট।
গত শনিবার রাতে ‘হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’-এর নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন বক্তব্য দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তার আগে সেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। জরিপের বেশিরভাগ উত্তর তার আগেই সংগ্রহ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ট্রাম্প যে হলে খাচ্ছিলেন, সেখানে প্রবেশের আগেই বন্দুকধারীকে থামানো হয় এবং ফেডারেল প্রসিকিউটররা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন।
জরিপে আরও দেখা গেছে, ৭৮ শতাংশ রিপাবলিকান এখনো ট্রাম্পকে সমর্থন দিলেও, দলটির ৪১ শতাংশ সমর্থকই জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকার বিরোধী।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তার জনপ্রিয়তা সাধারণত ৪০ শতাংশের আশেপাশে থাকত। বর্তমানের রেটিং তার প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন রেকর্ড ৩৩ শতাংশের ঠিক একটু উপরে আছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন বর্তমান মেয়াদের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইরানের সাথে অন্যায় যুদ্ধের কারণে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এবং বহুজাতিক বাজার গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইপসোস-এর যৌথ এক জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।
সোমবার শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী এই জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৪ শতাংশ আমেরিকান হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর আগে ১৫ থেকে ২০ এপ্রিল পরিচালিত রয়টার্স/ইপসোস জরিপে এই হার ছিল ৩৬ শতাংশ।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের সময় ট্রাম্পের জনসমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ, যা এরপর থেকে ক্রমাগত কমছে।
বিশেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে, কারণ এই যুদ্ধের ফলে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে গেছে। মাত্র ২২ শতাংশ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় সামলানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভূমিকায় সন্তুষ্ট।
গত শনিবার রাতে ‘হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’-এর নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন বক্তব্য দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তার আগে সেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। জরিপের বেশিরভাগ উত্তর তার আগেই সংগ্রহ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ট্রাম্প যে হলে খাচ্ছিলেন, সেখানে প্রবেশের আগেই বন্দুকধারীকে থামানো হয় এবং ফেডারেল প্রসিকিউটররা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন।
জরিপে আরও দেখা গেছে, ৭৮ শতাংশ রিপাবলিকান এখনো ট্রাম্পকে সমর্থন দিলেও, দলটির ৪১ শতাংশ সমর্থকই জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকার বিরোধী।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তার জনপ্রিয়তা সাধারণত ৪০ শতাংশের আশেপাশে থাকত। বর্তমানের রেটিং তার প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন রেকর্ড ৩৩ শতাংশের ঠিক একটু উপরে আছে।