চরচা ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই পথ দিয়ে কোনো জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। খবর আল জাজিরার।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার আইআরজিসির নতুন প্রধানের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাব্বারি বলেন, “প্রণালিটি এখন থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। কোনো জাহাজ এটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে বিপ্লবী গার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা সেটি পুড়িয়ে দেবে।”
গত শনিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
আইআরজিসির টেলিগ্রাম চ্যানেলে জাব্বারি আরও জানান, তারা তেলের পাইপলাইনগুলোতেও হামলা চালাবেন এবং এই অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও বাইরে যেতে দেবেন না।
জাব্বারির দাবি, এই উত্তেজনার ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছাবে। তিনি বলেন, “হাজার হাজার কোটি ডলারের ঋণে জর্জরিত মার্কিনিরা এই অঞ্চলের তেলের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তারা জেনে রাখুক, এক ফোঁটা তেলও তাদের কাছে পৌঁছাবে না।”
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় কাতার থেকে সরবরাহ করা এলএনজি গ্যাস পরিবহনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে পণ্য সরবরাহের চেইন পুরোপুরি ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই পথ দিয়ে কোনো জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করলে সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। খবর আল জাজিরার।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার আইআরজিসির নতুন প্রধানের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাব্বারি বলেন, “প্রণালিটি এখন থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। কোনো জাহাজ এটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে বিপ্লবী গার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা সেটি পুড়িয়ে দেবে।”
গত শনিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
আইআরজিসির টেলিগ্রাম চ্যানেলে জাব্বারি আরও জানান, তারা তেলের পাইপলাইনগুলোতেও হামলা চালাবেন এবং এই অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও বাইরে যেতে দেবেন না।
জাব্বারির দাবি, এই উত্তেজনার ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছাবে। তিনি বলেন, “হাজার হাজার কোটি ডলারের ঋণে জর্জরিত মার্কিনিরা এই অঞ্চলের তেলের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তারা জেনে রাখুক, এক ফোঁটা তেলও তাদের কাছে পৌঁছাবে না।”
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় কাতার থেকে সরবরাহ করা এলএনজি গ্যাস পরিবহনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে পণ্য সরবরাহের চেইন পুরোপুরি ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।