রয়টার্সের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের ‘ফ্রোজেন এসেট’ বা হিমায়িত সম্পদ ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানি এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্থানীয় সময় শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি কর্মকর্তা জানান, এই সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার শর্তের সাথে যুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতিতে ছাড় পেতে যাওয়া এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপকে আলোচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘সতর্ক সদিচ্ছা’ হিসেবে দেখছে তেহরান। তবে হোয়াইট হাউস বলছে, এই তথ্য সঠিক নয়।
এই অর্থ মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ইরানের জ্বালানি তেল বিক্রির বকেয়া। ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ আটকে যায়।
এর আগে, সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ একটি বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ কাতারভিত্তিক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর বাইডেন প্রশাসন পুনরায় এই অর্থ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল।
ইরানি সূত্রটি জানিয়েছে, এই অর্থ মূলত মানবিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারির তত্ত্বাবধানে এই অর্থ কেবল খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং কৃষি পণ্য আমদানির জন্য অনুমোদিত বিক্রেতাদের মাধ্যমে খরচ করা যাবে।

কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের ‘ফ্রোজেন এসেট’ বা হিমায়িত সম্পদ ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানি এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্থানীয় সময় শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি কর্মকর্তা জানান, এই সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার শর্তের সাথে যুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতিতে ছাড় পেতে যাওয়া এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপকে আলোচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘সতর্ক সদিচ্ছা’ হিসেবে দেখছে তেহরান। তবে হোয়াইট হাউস বলছে, এই তথ্য সঠিক নয়।
এই অর্থ মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ইরানের জ্বালানি তেল বিক্রির বকেয়া। ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ আটকে যায়।
এর আগে, সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ একটি বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ কাতারভিত্তিক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর বাইডেন প্রশাসন পুনরায় এই অর্থ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল।
ইরানি সূত্রটি জানিয়েছে, এই অর্থ মূলত মানবিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারির তত্ত্বাবধানে এই অর্থ কেবল খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং কৃষি পণ্য আমদানির জন্য অনুমোদিত বিক্রেতাদের মাধ্যমে খরচ করা যাবে।