Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়েছে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৪: ২৬
যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়েছে

ডায়াবেটিস বর্তমানে খুব প্রচলিত একটি রোগ। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে এই রোগ হয়। এটা যদি চলতে থাকে, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে পড়ে রক্তনালি, কিডনি, স্নায়ু, চোখ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

রক্তে সুগার বেড়ে গেলে বুঝব যেভাবে

হরমোনজনিত সমস্যা, ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ, ক্লান্তি বা অস্থিরতা—এসবই হতে পারে রক্তে অতিরিক্ত শর্করার লক্ষণ। শরীরে ঠিক কীভাবে এই পরিবর্তন ঘটে।

ভারতের মুম্বাইয়ের গ্লেনইগলস হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মঞ্জুসা আগরওয়াল বলেন,“যদি সারাদিন ক্লান্ত লাগে বা শক্তি কমে যায়, তাহলে শরীরে অতিরিক্ত শর্করা তার একটি কারণ হতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর থেকে বেশি তরল বেরিয়ে যায়, ফলে তৃষ্ণা বাড়ে এবং ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রয়োজন হয়। কিডনি তখন রক্ত থেকে অতিরিক্ত শর্করা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তিনি আরও বলেন, “রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়লে দৃষ্টিশক্তি ও রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শরীরের কোনো ক্ষত সারতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সময় লাগে।”

থানের কিমস হাসপাতালের ডায়াবেটোলজি বিভাগের প্রধান ডা. বিজয় নেগালুর জানান, রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়ার আরেকটি সাধারণ লক্ষণ হলো অতিরিক্ত ক্ষুধা।

তিনি বলেন, “অনেকের মাথা ঝাপসা লাগে বা মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হয়, কারণ রক্তে শর্করার ওঠানামা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। ত্বকেও কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে পারে—যেমন ঘাড়ের চারপাশে কালচে দাগ, পিগমেন্টেশন বা ছোট স্কিন ট্যাগ। এগুলো শরীরে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত।”

এই দুই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

যদি ঘন ঘন তৃষ্ণা লাগে, প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়, খাওয়ার পরেও ক্ষুধা লাগে, ত্বকে দাগ বা পরিবর্তন দেখা দেয়, কিংবা মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হয় তাহলে এগুলো রক্তে সুগারের ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ হতে পারে। ডায়াবেটিস না থাকলেও দীর্ঘদিন অতিরিক্ত সুগার শরীরের ওপর চাপ ফেলে এবং ভবিষ্যতে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। তাই উপসর্গগুলো কখন, কীভাবে দেখা দিচ্ছে, তা খেয়াল রাখাই সবচেয়ে জরুরি।

রক্তে সুগার বেড়ে গেলে করণীয়

ডা. মঞ্জুসা আগরওয়াল ও ডা. বিজয় নেগালুরের মতে, রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখা খুব কঠিন নয়।

তাদের পরামর্শ— স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা।

প্রয়োজনে ফাস্টিং সুগার বা HbA1c পরীক্ষা করিয়ে সময়মতো ব্যবস্থা নিলে বড় কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

বিষয়: রোগচিকিৎসাডায়াবেটিসচিকিৎসকস্বাস্থ্য
সর্বশেষ
  • ১

    ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির

  • ২

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ৩

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৪

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৫

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।